img

অর্থনৈতিক স্বাধীনতা সূচকে ভারত-পাকিস্তানের চেয়ে এগিয়ে বাংলাদেশ

প্রকাশিত :  ১৪:৪৩, ১২ মার্চ ২০২১

অর্থনৈতিক স্বাধীনতা সূচকে ভারত-পাকিস্তানের চেয়ে এগিয়ে বাংলাদেশ

জনমত ডেস্ক : ওয়াশিংটনভিত্তিক কনজারভেটিভ থিংক ট্যাংক দ্য হেরিটেজ ফাউন্ডেশনের তালিকা অনুযায়ী অর্থনৈতিক স্বাধীনতার সূচকে ভারত-পাকিস্তানের চেয়ে এগিয়ে রয়েছে বাংলাদেশ। এটি প্রতি বছর তালিকা করে থাকে।  করের বোঝা, ব্যক্তিগত ও করপোরেট পরিসরে করের হার এবং মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) তুলনায় শতাংশ হিসেবে মোট আদায়কৃত কর রাজস্ব আয়- এসব বিষয় বিবেচনায় রেখে তালিকা প্রণয়ন করা হয়।

প্রতিবেদন অনুযায়ী ২০২১ সালে ৫৬.৫ স্কোর করে বাংলাদেশের অবস্থান ১২০তম। পাকিস্তানের অবস্থান পাকিস্তান ১৫২ তম। 

বাংলাদেশের সমান স্কোর নিয়ে ১২১তম অবস্থানে আছে ভারত। তবে বাংলাদেশ এ বছর দশমিক ১ পয়েন্ট স্কোর করায় ও এ বছর ভারত কোনো স্কোর না করায় অবস্থানের এই হেরফের হয়েছে। করের বোঝা, ব্যবসার স্বাধীনতা ও শ্রম স্বাধীনতায় আগের চেয়ে স্কোর বৃদ্ধি পেয়েছে বাংলাদেশের। গত বছর বাংলাদেশের অবস্থান একধাপ নিচে ছিল।

এদিকে দক্ষিণ এশিয়ায় বাংলাদেশের ওপরে রয়েছে কেবল ভুটান। দেশটির স্কোর ও অবস্থান হলো যথাক্রমে ৫৮.৩ এবং ১০৯তম। বাংলাদেশের ওপরে অবস্থান হলেও ভুটানের এ বছর অগ্রগতি কমেছে (-৩.৮) এবং বাংলাদশের বেড়েছে (+.১)।

তালিকায় ৮৯.৭ স্কোর নিয়ে প্রথম অবস্থানে আছে সিঙ্গাপুর। এর পরই আছে যথাক্রমে নিউজিল্যান্ড (স্কোর ৮৩.৯) এবং অস্ট্রেলিয়া (স্কোর ৮২.৪)।  শ্রীলংকা ১৩১, নেপাল ১৫৭, যুক্তরাজ্য ৭, যুক্তরাষ্ট্র ২০।  তালিকায় সর্বশেষ অবস্থানে আছে উত্তর কোরিয়া। দেশটির অবস্থান ও স্কোর যথাক্রমে ১৭৮ এবং ৫.২।

থিংক ট্যাংকটি জানিয়েছে, গত দশকে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক স্বাধীনতা অর্জনে ধীর অথচ স্থির প্রকৃতিতে সামনের দিকে এগিয়ে গিয়েছে। দক্ষিণ এশিয়ায় সর্বনিম্ন অবস্থানে আছে নেপাল। বাংলাদেশ ছাড়া দক্ষিণ এশিয়ায় সব দেশেরই স্কোর কমেছে এ বছরের সূচকে।

 


img

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধবিরতির আভাসে বিশ্ববাজারে কমল তেলের দাম

প্রকাশিত :  ০৭:৫৮, ২৯ মে ২০২৬

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সম্ভাব্য যুদ্ধবিরতি চুক্তি নিয়ে আন্তর্জাতিক বাজারে আশাবাদের আবহ তৈরি হয়েছে। এরই প্রভাব পড়তে শুরু করেছে বিশ্ব জ্বালানি বাজারে। সামান্য কমেছে অপরিশোধিত তেলের দাম।

যদিও এখনো চূড়ান্ত সমঝোতা হয়নি, তবুও যুদ্ধবিরতি ও হরমুজ প্রণালি পুনরায় সচল হওয়ার সম্ভাবনা বাজারে স্বস্তির বার্তা দিচ্ছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

আজ শুক্রবার (২৯ মে) আন্তর্জাতিক বাজারে ব্রেন্ট ক্রুডের জুলাই ডেলিভারির দাম ব্যারেলপ্রতি ৩৫ সেন্ট বা ০.৩৭ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ৯৩ দশমিক ৩৬ ডলারে। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের অপরিশোধিত তেল ডব্লিউটিআইয়ের দাম ৬৩ সেন্ট বা ০.৭১ শতাংশ কমে ৮৮ দশমিক ২৭ ডলারে নেমেছে।

অন্য দিকে বেশি লেনদেন হওয়া আগস্টের ব্রেন্ট ফিউচারস ৪৬ সেন্ট বা ০.৫০ শতাংশ কমে ৯২ দশমিক ২৪ ডলারে দাঁড়িয়েছে।

বিশ্লেষকরা বলছেন, গত এক সপ্তাহে তেলের বাজারে ব্যাপক অস্থিরতা দেখা গেছে। এই সময়ে ব্রেন্টের দাম ৮ শতাংশের বেশি কমেছে। গত সপ্তাহে যেখানে দাম ১০৯ দশমিক ৪৭ ডলার পর্যন্ত উঠেছিল, সেখানে তা নেমে আসে ৮৭ দশমিক ১১ ডলারে।

মূলত যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান উত্তেজনা, সম্ভাব্য যুদ্ধবিরতি এবং হরমুজ প্রণালি পুনরায় চালুর গুঞ্জনের কারণে বাজারে এমন ওঠানামা হচ্ছে। বিশ্বে জ্বালানি তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ এই প্রণালি দিয়ে পরিবহন করা হয়।

ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান যুদ্ধবিরতি বাড়ানো এবং হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞা শিথিল করার বিষয়ে বৃহস্পতিবার একটি সমঝোতায় পৌঁছেছে। তবে এখনো মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এ চুক্তির অনুমোদন দেননি। এছাড়া ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমও জানিয়েছে, বিষয়টি এখনো চূড়ান্ত হয়নি।

এদিকে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স বলেছেন, ইরানের সঙ্গে সমঝোতায় পৌঁছাতে এখনো কিছু জটিলতা রয়েছে। বিশেষ করে ইউরেনিয়াম মজুত ও সমৃদ্ধকরণ কার্যক্রম নিয়ে মতপার্থক্য রয়ে গেছে। তবে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, দুই দেশ একটি চুক্তির খুব কাছাকাছি অবস্থানে রয়েছে।

সূত্র: রয়টার্স