img

অর্থায়ন সংকটে যুক্তরাষ্ট্রে দ্বিতীয় দিনের মতো চলছে শাটডাউন

প্রকাশিত :  ০৬:৪৫, ০৩ অক্টোবর ২০২৫

অর্থায়ন সংকটে যুক্তরাষ্ট্রে দ্বিতীয় দিনের মতো চলছে শাটডাউন

যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল সরকারের শাটডাউন দ্বিতীয় দিনে গড়িয়েছে। অর্থায়ন সংকটে যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল সরকার কার্যত বন্ধ হয়ে গেছে (শাটডাউন)। কংগ্রেসে রিপাবলিকান ও ডেমোক্র্যাটদের মধ্যে সমঝোতা না হওয়ায় এমন পরিস্থিতি আগামী সপ্তাহ পর্যন্ত গড়াতে পারে। মূল বিরোধ রয়েছে ওবামা কেয়ার ভর্তুকি নিয়ে।

হোয়াইট হাউজ জানিয়েছে, হাজারো সরকারি কর্মী ছাঁটাইয়ের ঘোষণা দ্রুতই আসতে পারে। তবে ‘অপরিহার্য’ হিসেবে ধরা কিছু সংস্থা ও কার্যক্রম চালু রয়েছে।

এদিকে, রিপাবলিকান ও ডেমোক্র্যাটরা একে অন্যকে দায়ী করলেও সমাধানের কোনো ইঙ্গিত নেই।

প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, বাজেট অফিস প্রধান রাস ভাউগটের সঙ্গে বৈঠক করে কোন কোন প্রকল্প কাটা হবে, তা নির্ধারণ করবেন। এরই মধ্যে ব্লু স্টেটগুলোর কয়েক বিলিয়ন ডলারের প্রকল্প স্থগিত বা বাতিল করেছে হোয়াইট হাউজ।

ফেডারেল কর্মীদের ব্যাপক ছাঁটাইয়ের সম্ভাবনার কথাও জানিয়েছেন হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র ক্যারোলাইন লেভিট। তিনি বলেন, হাজার হাজার কর্মী ছাঁটাই হতে পারে।

এদিকে, ইয়ম কিপুর ছুটির কারণে বৃহস্পতিবার সিনেটে কোনো ভোট হয়নি। প্রতিনিধি পরিষদে সাত সপ্তাহের জন্য অর্থায়ন বাড়ানোর বিল পাস হলেও সিনেটে মতবিরোধ রয়ে গেছে। ডেমোক্র্যাটরা স্বাস্থ্যসেবা কর-ছাড় বাড়ানো ও প্রেসিডেন্টের কংগ্রেস অনুমোদিত তহবিল একতরফাভাবে বাতিলের ক্ষমতায় সীমাবদ্ধতা চাচ্ছে।

সিনেটে শুক্রবার প্রতিনিধি পরিষদ পাসকৃত বিল ও ডেমোক্র্যাটদের বিকল্প প্রস্তাব নিয়ে ভোট হওয়ার কথা।

মার্কিন কৃষি মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, আপাতত ১৫০ মিলিয়ন ডলার জরুরি তহবিল রাজ্যগুলোকে দেওয়া হতে পারে। পাশাপাশি শিশুখাদ্য প্রস্তুতকারক কোম্পানির রিবেট ও রাজ্যের নিজস্ব অর্থ ব্যবহার করা যাবে।

উল্লেখ্য, ২০২৫ অর্থবছরে (যা ৩০ সেপ্টেম্বর শেষ হয়েছে) ডব্লিউআইসি পেয়েছিল ৭.৬ বিলিয়ন ডলার। চলতি অর্থবছরে সেনেট প্রস্তাব করছে ৮.২ বিলিয়ন ডলার।

img

পাকিস্তানে যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের দ্বিতীয় দফার বৈঠক সোমবার

প্রকাশিত :  ০৮:৫৩, ১৮ এপ্রিল ২০২৬
সর্বশেষ আপডেট: ১৩:১০, ১৮ এপ্রিল ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রইরানের মধ্যে দ্বিতীয় দফার আলোচনা আগামী সোমবার ইসলামাবাদে অনুষ্ঠিত হতে পারে। আলোচনায় সংশ্লিষ্ট ইরানি সরকারি কর্মকর্তাদের সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। খবর দিয়েছে সিএনএন

ওই কর্মকর্তারা জানান, আলোচনার জন্য দুই দেশের প্রতিনিধিদের আগামীকাল রোববারই ইসলামাবাদে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।

এর আগে ইসলামাবাদে অনুষ্ঠিত দুই দেশের মধ্যকার আলোচনা কোনও চুক্তি ছাড়াই শেষ হয়। প্রায় ২১ ঘণ্টার ম্যারাথন আলোচনা হলেও পরমাণু ইস্যুতে দুই দেশের মধ্যে দূরত্ব রয়ে যায় বলে পরে জানিয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

এদিকে আগামী বুধবারের মধ্যে কোনও চুক্তি না হলে যুদ্ধবিরতির মেয়াদ আর বাড়াবেন না বলে জানিয়েছেন ট্রাম্প। এয়ার ফোর্স ওয়ানে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আলোচনা ব্যর্থ হলে যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়াবেন নাকি আবার হামলা শুরু করবেন, এ বিষয়ে তিনি এখনও সিদ্ধান্ত নেননি।

ট্রাম্প বলেন, হয়তো আমি এর মেয়াদ বাড়াব না। তখন (হরমুজ প্রণালিতে) অবরোধ জারি থাকবে এবং দুর্ভাগ্যজনকভাবে আমাদের আবার বোমা হামলা শুরু করতে হতে পারে।

এর আগে ১১ এপ্রিল (শনিবার) পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের প্রতিনিধিদের মধ্যে বৈঠক হয়। টানা ২১ ঘণ্টা ধরে চলা এ আলোচনায় শেষ পর্যন্ত কোনও সমঝোতা হয়নি। ফলে কোনও সমঝোতা ছাড়াই যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিদল দেশে ফেরে বলে জানান মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স।

আল জাজিরা জানায়, যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স বলেছেন, কোনও চুক্তি ছাড়াই তারা দেশে ফিরেছেন। 

আলোচনা শেষে  এক সংবাদ সম্মেলনে ভ্যান্স বলেন, ‘আমরা এখন পর্যন্ত ২১ ঘণ্টা আলোচনা করেছি এবং বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে কথা হয়েছে—এটাই ভালো খবর। তবে খারাপ খবর হলো, আমরা এখনো কোনো চুক্তিতে পৌঁছাতে পারিনি।’


আন্তর্জাতিক এর আরও খবর