img

তারেক রহমানকে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর ফোন

প্রকাশিত :  ০৬:০৭, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

তারেক রহমানকে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর ফোন

বাংলাদেশের ১৩তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির ঐতিহাসিক ও নিরঙ্কুশ জয়ের পর দলটির চেয়ারম্যান তারেক রহমান-কে টেলিফোন করে অভিনন্দন জানিয়েছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ।

পাকিস্তান হাইকমিশনের প্রেস কাউন্সিলর ফাসিহ উল্লাহ খানের পাঠানো এক বার্তায় জানানো হয়, শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) রাতে ওই টেলিফোন আলাপে পাকিস্তানের সরকার ও জনগণের পক্ষ থেকে নির্বাচনে বিএনপির বিজয়ের জন্য আন্তরিক শুভেচ্ছা জানান শেহবাজ শরিফ। তিনি শান্তিপূর্ণ ও সফলভাবে নির্বাচন সম্পন্ন করায় বাংলাদেশের জনগণকেও অভিনন্দন জানান।

বার্তায় আরও জানানো হয়, দুই দেশের ঐতিহাসিক ও ভ্রাতৃপ্রতিম সম্পর্কের কথা উল্লেখ করে শেহবাজ শরিফ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট ক্ষেত্র; বিশেষ করে বাণিজ্য, শান্তি ও আঞ্চলিক উন্নয়নে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা আরও জোরদারে বাংলাদেশের নতুন নেতৃত্বের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেন।

উষ্ণ ও সৌহার্দ্যপূর্ণ ফোনালাপে দুই নেতা সাবেক বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে স্মরণ করেন এবং পাকিস্তান-বাংলাদেশ সম্পর্ক জোরদারে তার ভূমিকার প্রশংসা করেন।

এসময় পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে সুবিধাজনক সময়ে পাকিস্তান সফরের আমন্ত্রণ জানান। বিএনপি চেয়ারম্যানও এ আমন্ত্রণের প্রতিউত্তর দেন বলে জানান ফাসিহ উল্লাহ খান।

এর আগে শুক্রবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) এক বার্তায় শাহবাজ শরিফ তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানান। সেখানে তিনি লেখেন, বাংলাদেশের নতুন নেতৃত্বের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করে আমাদের ঐতিহাসিক ও বহুমাত্রিক দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করা এবং দক্ষিণ এশিয়া ও এর বাইরে শান্তি, স্থিতিশীলতা ও উন্নয়নের অভিন্ন লক্ষ্য এগিয়ে নিতে আমি আগ্রহী।


img

ইন্দোনেশিয়ায় হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়ে ৮ যাত্রীর সবাই নিহত

প্রকাশিত :  ১১:১৯, ১৭ এপ্রিল ২০২৬

ইন্দোনেশিয়ায় একটি বেসামরিক হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়েছে। এতে চালকসহ মোট ৮ জন আরোহী ছিলেন, এবং দুর্ঘটনায় সবাই নিহত হয়েছেন। গতকাল বৃহস্পতিবার পশ্চিম কালিমান্তান প্রদেশের মেলাউই জেলায় ঘটেছে এই দুর্ঘটনা। ইন্দোনেশিয়ার দুর্যোগ মোকাবিলা দপ্তরের মেলাউই শাখা আজ শুক্রবার দুর্ঘটনার তথ্য নিশ্চিত করেছে।

বিধ্বস্ত হেলিকপ্টারটি ছিল একটি এয়াবাস এইচ১৩০ এয়ারক্রাফট এবং সেটির মালিক ছিল স্থানীয় একটি বিমান পরিষেবাদাতা সংস্থা। দুর্যোগ মোকাবিলা দপ্তরের মেলাউই শাখার উদ্ধারাকরী বাহিনীর প্রধান নির্বাহী মোহাম্মদ সায়াফি জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার মেলাউইর একটি পাম-বাগান থেকে উড্ডয়নের ৫ মিনিট পরেই হেলিকপ্টারটি যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছিল।

“যে এলাকায় হেলিকপ্টারটি বিধ্বস্ত হয়েছে, সেটি খাড়া পাহাড়ি এবং ঘন জঙ্গলে আবৃত একটি অঞ্চল এবং পার্শ্ববর্তী সেকাদাও জেলার অন্তর্গত”, এএফপিকে বলেছেন মোহাম্মদ সায়াফি।

দুর্গম পথ এবং ঘন বনাঞ্চলের জন্য দুর্ঘটনাস্থলে যেতে উদ্ধারকারী বাহিনীর বেশ সময় লেগেছে বলে জানিয়েছেন মোহাম্মদ সায়াফি। তিনি আরও জানিয়েছেন, বিমানটিতে ২ জন ক্রু এবং ৬ জন যাত্রী ছিলেন; তাদের সবাইকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে। যাত্রীদের মধ্যে একজন মালয়েশিয়ার নাগরিক ছিলেন।

কী কারণে এই দুর্ঘটনা ঘটেছে, তা এখনও জানা যায়নি। তবে হেলিকপ্টারটির লেজের অংশ সেটির মূল অংশ থেকে আলাদা হয় কয়েক কিলোমিটার দূরে পড়েছিল। ধারণা করা হচ্ছে, লেজের অংশটি হেলিকপ্টারের মূল অংশ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছিল; কিন্তু কী কারণে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছিল সেটি— তার উত্তর মেলেনি।

দুর্ঘটনার কারণ খতিয়ে দেখতে ইতোমধ্যে একটি কমিটি গঠন করে কাজ শুরু করেছে স্থানীয় প্রশাসন।

সূত্র : গালফ নিউজ, এএফপি


জাতীয় এর আরও খবর