img

রাজধানীতে বৈশাখী শোভাযাত্রার আয়োজন করলো জামায়াতে ইসলামী

প্রকাশিত :  ০৯:০৬, ১৪ এপ্রিল ২০২৬

রাজধানীতে বৈশাখী শোভাযাত্রার আয়োজন করলো জামায়াতে ইসলামী

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী পহেলা বৈশাখে রাজধানীতে দেশীয় সংস্কৃতি সংরক্ষণ ও বিজাতীয় প্রভাব প্রতিরোধের আহ্বান জানিয়ে শোভাযাত্রা করেছে । আজ মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে থেকে শুরু হয়ে রমনা পার্কে গিয়ে শেষ হয় এ আয়োজন।

দেশীয় সাংস্কৃতিক সংসদের ব্যানারে আয়োজিত শোভাযাত্রায় নারী, শিশু ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের অংশগ্রহণ ছিল উল্লেখযোগ্য। গ্রামীণ ঐতিহ্যের প্রতীক পলো, ঢেঁকি, খেওয়া জাল ও কুলসহ নানা লোকজ উপকরণ নিয়ে অংশ নেন অংশগ্রহণকারীরা। বাঙালিয়ানার সাজে শিশুদের উপস্থিতি উৎসবমুখর পরিবেশকে আরও প্রাণবন্ত করে তোলে।

শোভাযাত্রাজুড়ে দেশাত্মবোধক, জারি, সারি ও ভাটিয়ালি গানের পরিবেশনায় উৎসবের আবহ তৈরি হয়। অংশগ্রহণকারীরা গান ও আনন্দের মধ্য দিয়ে বাংলা নববর্ষকে বরণ করেন।

শোভাযাত্রার আগে অনুষ্ঠিত সমাবেশে বক্তারা দেশীয় সংস্কৃতি চর্চা জোরদার করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তারা বলেন, পশ্চিমা ও বিজাতীয় সংস্কৃতির আগ্রাসন রোধে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। পাশাপাশি হারিয়ে যাওয়া ঐতিহ্য ফিরিয়ে এনে বাঙালির সাংস্কৃতিক চেতনা পুনরুজ্জীবিত করার আহ্বান জানান।

এ সময় বক্তারা এমন সংস্কৃতি থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান, যা ইসলামী মূল্যবোধ ও শরিয়াহর পরিপন্থী বলে তারা উল্লেখ করেন।


জাতীয় এর আরও খবর

img

ভারতে ব্রিকস সম্মেলনে যাচ্ছেন না প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত :  ১০:৩৪, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

আসন্ন ব্রিকস সম্মেলনে ভারতে যাচ্ছেন না প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। অনুকূল পরিবেশ হলেই প্রধানমন্ত্রী ভারতে দ্বিপক্ষীয় সফরে যাবেন বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির।

বৃহস্পতিবার ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে রোহিঙ্গা বিষয়ক আন্তর্জাতিক সম্মেলনে বক্তৃতা করে বেরিয়ে যাওয়ার সময় সাংবাদিকদের প্রশ্নে তিনি এ কথা বলেন। প্রতিমন্ত্রীর এই বক্তব্যে তারেক রহমানের ভারত সফর নিয়ে দুদেশের মধ্যে যে আশা-নিরাশার দোলাচল চলছিল সেটির অবসান ঘটল। 

ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে ব্রিকসের অষ্টাদশতম শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে আগামী ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর। এ সম্মেলনের আয়োজক ভারত। নয়াদিল্লির পক্ষ থেকে সরকার প্রধান তারেক রহমানকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।

প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির বলেন, আগামী সপ্তাহে ভারতে অনুষ্ঠেয় ব্রিকস সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান অংশ নিচ্ছেন না। ব্রিকস সম্মেলনে অংশ নিতে যে প্রক্রিয়ায় আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে, তাতে সন্তুষ্ট নয় ঢাকা। তবে সরকারপ্রধানের ভারতে দ্বিপক্ষীয় সফর হতে পারে।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ব্রিকস সম্মেলনে অংশগ্রহণ প্রশ্নে কিছুদিন ধরেই আলোচনা চলছিল। সবশেষ ৪ সেপ্টেম্বর ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেছিলেন, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণ নিয়ে তাদের কাছে নতুন কোনো নিশ্চিত তথ্য নেই।

বৃহস্পতিবার প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে বিমসটেকের চেয়ারম্যান হিসেবে ব্রিকসে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। তাকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি। অনুকূল পরিবেশ হলেই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ভারতে দ্বিপক্ষীয় সফরে যাবেন।

বাংলাদেশ ব্রিকসের সদস্য না হলেও বর্তমানে বিমসটেকের চেয়ারম্যান হিসেবে প্রধানমন্ত্রীকে সম্মেলনের আউটরিচ সেশনে অংশ নিতে আমন্ত্রণ জানিয়েছিল দিল্লি। তবে শেষ পর্যন্ত সেই আমন্ত্রণে সাড়া দিচ্ছেন না প্রধানমন্ত্রী।

এর আগে গেল মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমানও ভারতের আমন্ত্রণ জানানোর প্রক্রিয়া নিয়ে আপত্তি জানান। তিনি বিষয়টিকে ‘সিরিয়াসলি’ নেওয়ার কথাও বলেন।

সচিবালয়ে সরকারের বিভিন্ন কাজের অগ্রগতি নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরও বলেছিলেন, সরকার শেখ হাসিনাকে ফিরিয়ে আনতে চায় কি না, কেউ কেউ এ ধরনের স্পেকুলেট করছেন। কেউ কেউ এটা আসলে চায় না, ভারতের ওপর একটা চাপ তৈরির জন্য।

তিনি সরকারের অবস্থান পরিষ্কার করে বলেন, আমরা একটা কথা খুব ক্লিয়ারলি বলতে চাই—মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরের সঙ্গে যখন এটাকে কন্ডিশন হিসেবে দেওয়া হয়েছে, ইউ হ্যাভ টু টেক ইট সিরিয়াসলি।