img

টাইমের ১০০ প্রভাবশালীর তালিকায় তারেক রহমান

প্রকাশিত :  ১৩:৩২, ১৫ এপ্রিল ২০২৬
সর্বশেষ আপডেট: ১৯:০৯, ১৫ এপ্রিল ২০২৬

টাইমের ১০০ প্রভাবশালীর তালিকায় তারেক রহমান

বিশ্বের বিভিন্ন অঙ্গনের প্রভাবশালী ১০০ ব্যক্তির তালিকা প্রকাশ করেছে টাইম সাময়িকী। এতে ‘লিডারস’ ক্যাটাগরিতে স্থান পেয়েছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

তাঁর সঙ্গে তালিকায় আরও রয়েছেন ক্যাথলিক খ্রিস্টানদের ধর্মগুরু পোপ লিও চতুর্দশ, মেক্সিকোর প্রেসিডেন্ট ক্লদিয়া শেইনবাউম, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং নিউইয়র্ক সিটির মেয়র জোহরান মামদানিসহ মোট ২৪ জন।

আজ বুধবার প্রকাশিত টাইমের নিবন্ধে তারেক রহমান সম্পর্কে বলা হয়েছে, কয়েক মাস আগেও তিনি দক্ষিণ-পশ্চিম লন্ডনে নির্বাসিত জীবন কাটিয়েছেন। কিন্তু ২০২৪ সালে স্বৈরাচার শেখ হাসিনার পতনের পর তারেক রহমান বিরোধী দলের আন্দোলনকারী থেকে দেশের পরবর্তী জাতীয় নেতা হয়ে ওঠেন। গত ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে তাঁর দল নিরঙ্কুশ জয় পেয়েছে। 

টাইম লিখেছে, এই জয়ের মধ্য দিয়ে তারেক রহমান মূলত তাঁর মা খালেদা জিয়ার পদাঙ্ক অনুসরণ করলেন। তবে এর আগে ১৭ বছরের নির্বাসিত জীবন কাটিয়ে ঢাকায় ফেরার মাত্র পাঁচদিনের মাথায় তিনি তাঁর মাকে হারান। গত জানুয়ারিতে যখন তিনি টাইম সাময়িকীকে সাক্ষাৎকার দেন তখনো সেই শোক তাজা ছিল। তবে তখন তিনি দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করে বলেছিলেন, ব্যক্তিগত শোককে শক্তিতে রূপান্তর করে ১৭ কোটির বেশি মানুষের দেশকে ঐক্যবদ্ধ করবেন। অর্থনীতিকে আবারও গতিশীল করে তুলবেন।

বর্তমানে বাংলাদেশ উচ্চ মূল্যস্ফীতি ও তরুণদের বেকারত্বের সমস্যার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। পাশাপাশি আঞ্চলিক পরাশক্তি ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের অবনতি ইতিহাসের সর্বনিম্ন পর্যায়ে পৌঁছায়। এসব সংকট মোকাবিলায় তারেক রহমানকে এখন দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে বলেও লিখেছে টাইম।

প্রভাবশালী ব্যক্তিদের তালিকায় লিডারস ক্যাটাগরিতে আরও স্থান পেয়েছেন, চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং, কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি, জাপানের সানায়ে তাকাইচি, ইসরায়েলের বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু, নেপালের বালেন্দ্র শাহ, ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী মেটে ফ্রেডেরিকসেন, নামিবিয়ার প্রেসিডেন্ট নেতুমবো নানদি, মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও, ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ।


জাতীয় এর আরও খবর

img

হৃদযন্ত্রে ব্লক, ব্রিটেনে রাষ্ট্রপতির জরুরি এনজিওপ্লাস্টি

প্রকাশিত :  ২০:০৩, ১২ মে ২০২৬

ব্রিটেনে নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষার সময় রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিনের হৃদযন্ত্রের একটি ধমনীতে গুরুত্বপূর্ণ ব্লক ধরা পড়েছে। এরপর জরুরিভিত্তিতে তার এনজিওপ্লাস্টি করা হয় এবং একটি স্টেন্ট (রিং) স্থাপন করা হয়। অস্ত্রোপচার সফল হয়েছে এবং বর্তমানে তার শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল ও সন্তোষজনক বলে জানানো হয়েছে। মঙ্গলবার (১২ মে) রাতে বঙ্গভবনের প্রেস উইং এই তথ্য জানিয়েছে।

যুক্তরাজ্যে অবস্থানরত রাষ্ট্রপতির ব্যক্তিগত চিকিৎসক কর্নেল ডা. এ কে এম ফয়জুল হকের বরাত দিয়ে প্রেস উইং জানায়, মঙ্গলবার দুপুরে ক্যামব্রিজের রয়াল প্যাপওয়ার্থ হাসপাতালে ইন্টারভেনশনাল কার্ডিওলজিস্ট ডা. স্টিফেন হোলির তত্ত্বাবধানে রাষ্ট্রপতির এনজিওগ্রাম সম্পন্ন হয়। পরীক্ষায় হৃদযন্ত্রের একটি ধমনীতে উল্লেখযোগ্য ব্লক শনাক্ত হলে তাৎক্ষণিকভাবে এনজিওপ্লাস্টি করা হয় এবং স্টেন্ট বসানো হয়। বর্তমানে তিনি হাসপাতালের চিকিৎসকদের নিবিড় পর্যবেক্ষণ ও তত্ত্বাবধানে রয়েছেন। রাষ্ট্রপতি দ্রুত আরোগ্যের জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন।

উল্লেখ্য, রাষ্ট্রপতি ২০২৩ সালের অক্টোবরে সিঙ্গাপুরের ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি হসপিটালে (এনইউএইচ) ওপেন হার্ট সার্জারি করান। এরপর থেকে হৃদযন্ত্র-সংক্রান্ত জটিলতার ফলো-আপ চিকিৎসার অংশ হিসেবে তিনি নিয়মিত ক্যামব্রিজের রয়াল প্যাপওয়ার্থ হাসপাতালে আসছেন। বিশ্বমানের হৃদরোগ চিকিৎসা ও গবেষণার জন্য সুপরিচিত এই হাসপাতাল বিশ্বে প্রথম সফল হার্ট ট্রান্সপ্লান্ট সম্পন্নকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর অন্যতম হিসেবে স্বীকৃত।

রাষ্ট্রপতি গত ৯ মে ফলো-আপ চিকিৎসা ও স্বাস্থ্য পরীক্ষার উদ্দেশ্যে লন্ডনের পথে ঢাকা ত্যাগ করেন। চিকিৎসা শেষে আগামী ১৮ মে তার দেশে ফেরার কথা রয়েছে।