img

স্বর্ণের ভরি কত টাকা আজ?

প্রকাশিত :  ০৫:৫৯, ০৮ মার্চ ২০২৬

স্বর্ণের ভরি কত টাকা আজ?

বিশ্ববাজারে অস্থিরতার মধ্যেই দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। টানা ছয় দফা দাম বৃদ্ধির পর ভরিপ্রতি ৯ হাজার ২১৪ টাকা কমানো হয়েছে।

\r\n

নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ভালো মানের ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৬৮ হাজার ২১৪ টাকা। গত বুধবার থেকে এই নতুন দাম কার্যকর হয়েছে এবং আজ রবিবারও একই দামে স্বর্ণ বিক্রি হচ্ছে।

বাজুসের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) মূল্য কমেছে। ফলে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) দাম কমায় স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছে।

স্বর্ণের নতুন দাম—

২২ ক্যারেট : প্রতি ভরি ২ লাখ ৬৮ হাজার ২১৪ টাকা

২১ ক্যারেট : প্রতি ভরি ২ লাখ ৫৬ হাজার ২৫ টাকা

১৮ ক্যারেট : প্রতি ভরি ২ লাখ ১৯ হাজার ৪৫৮ টাকা

সনাতন পদ্ধতি : প্রতি ভরি ১ লাখ ৭৯ হাজার ১৫৯ টাকা

এ নিয়ে চলতি বছর এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে ৩৭ বার সমন্বয় করা হয়েছে স্বর্ণের দাম।

যেখানে দাম ২৪ দফা বাড়ানো হয়েছে, কমানো হয়েছে ১৩ দফা।

img

পুঁজিবাজারে সতর্ক সূচনা হতে পারে রোববার

প্রকাশিত :  ১১:১২, ০২ মে ২০২৬

ঢাকা, ২ মে ২০২৬: টানা কয়েক বছর নিম্নমুখী প্রবণতার পরেও আস্থার ঘাটতি কাটিয়ে উঠতে পারেনি দেশের পুঁজিবাজার। এমন প্রেক্ষাপটে আগামীকাল রোববার (৩ মে) সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবসে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেন শুরুর আগে বাজারে সতর্ক অবস্থান নেওয়ার ইঙ্গিত দিচ্ছেন বিশ্লেষকেরা। সর্বশেষ কার্যদিবস ৩০ এপ্রিল ডিএসইর ব্রড ইনডেক্স দাঁড়িয়েছিল ৫,২৮৬.৮৮ পয়েন্টে।

বাজারসংশ্লিষ্টদের মতে, রোববারের লেনদেন প্রধানত তিনটি বিষয়ের ওপর নির্ভর করবে। প্রথমত, গত সপ্তাহের শেষদিকে দেখা দেওয়া মুনাফা তোলার প্রবণতা (প্রফিট বুকিং) অব্যাহত থাকতে পারে। দ্বিতীয়ত, ট্রেজারি বন্ডের সুদের হার ১০ শতাংশের ওপরে অবস্থান করায় প্রাতিষ্ঠানিক বড় বিনিয়োগকারীদের একটি অংশ ইক্যুইটি বাজার থেকে সরে যাচ্ছে। তৃতীয়ত, জ্বালানি সংকট ও সম্ভাব্য লোডশেডিংয়ের প্রভাব উৎপাদননির্ভর বড় কোম্পানির শেয়ারে বিক্রয়চাপ বাড়াতে পারে।

খাতভিত্তিক চিত্রে ব্যাংকিং খাত তুলনামূলক স্থিতিশীল থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। যমুনা ব্যাংক ও ব্র্যাক ব্যাংকের সম্ভাব্য ভালো লভ্যাংশ ঘোষণার প্রত্যাশা এ খাতে আস্থার কিছুটা সঞ্চার করতে পারে। বিপরীতে, জ্বালানি ঘাটতির আশঙ্কায় সিমেন্ট ও টেক্সটাইল খাত চাপের মুখে পড়তে পারে।

বিশ্লেষকদের পূর্বাভাস অনুযায়ী, রোববারের সেশনে বাজার ‘সতর্ক মোডে’ থাকার সম্ভাবনা প্রায় ৯৫ শতাংশ। দিনশেষে সূচকে ২০ থেকে ৩০ পয়েন্ট পর্যন্ত সংশোধন দেখা যেতে পারে। একই সঙ্গে লেনদেনের পরিমাণ ৭০০ থেকে ৮৫০ কোটি টাকার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকতে পারে বলেও ধারণা করা হচ্ছে।

দীর্ঘমেয়াদে বাজার ঘুরে দাঁড়ানোর সম্ভাবনা উড়িয়ে দিচ্ছেন না বিশেষজ্ঞরা। চলতি প্রান্তিক শেষে ডিএসই সূচক ৭,২৩৪ পয়েন্টে পৌঁছানোর লক্ষ্য থাকলেও স্বল্পমেয়াদে অস্থিরতা কাটতে সময় লাগবে বলে তাদের মত। এ পরিস্থিতিতে বিনিয়োগকারীদের জন্য পরামর্শ—ঝুঁকিপূর্ণ বা পেনাল্টি শেয়ার এড়িয়ে মৌলভিত্তি শক্তিশালী এবং নিয়মিত লভ্যাংশ দেয় এমন কোম্পানিতে বিনিয়োগে মনোযোগ দেওয়া।

অর্থনীতির সামগ্রিক প্রেক্ষাপটও বাজারে প্রভাব ফেলছে। নতুন সরকারের সংস্কার উদ্যোগ, রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা এবং বৈশ্বিক অর্থনৈতিক পরিবেশ অনুকূলে থাকলেই পুঁজিবাজারে টেকসই ইতিবাচক ধারা ফিরে আসতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।