img

বিবিসি বাংলার কাছে কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দাবি সেই মাহদীর

প্রকাশিত :  ০৯:২৭, ১২ মার্চ ২০২৬

বিবিসি বাংলার কাছে কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দাবি সেই মাহদীর

বিবিসি বাংলার বিরুদ্ধে এক কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দাবি করে লিগ্যাল নোটিশ পাঠিয়েছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন হবিগঞ্জ জেলা শাখার সদস্যসচিব মাহদী হাসান।

গত মঙ্গলবার (১০ মার্চ) বিবিসি বাংলার প্রধান সম্পাদক ও ডিরেক্টর জেনারেলের ই-মেইলে লিগ্যাল নোটিশ পাঠান তিনি। নোটিশে আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে সংশ্লিষ্ট প্রতিবেদন প্রত্যাহারসহ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আলটিমেটাম দেওয়া হয়েছে।

মাহদী হাসান জানান, গত ২১ ফেব্রুয়ারি বিবিসি বাংলা তার বিরুদ্ধে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে।

ওই প্রতিবেদনে তার কাছে ৪০ লাখ টাকার ক্রিপ্টোকারেন্সি থাকার বিষয়সহ বিভিন্ন তথ্য উল্লেখ করা হয়।

তিনি দাবি করেন, প্রতিবেদনে প্রকাশিত তথ্যগুলো সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। কোনো ধরনের সঠিক যাচাই-বাছাই ছাড়াই এ ধরনের তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে, যা তার ব্যক্তি ও সামাজিক মর্যাদাকে মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ণ করেছে।

এ কারণে বিবিসি বাংলার কাছে তিনি ১ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দাবি করেছেন।

পাশাপাশি আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ওই প্রতিবেদন প্রত্যাহার করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আলটিমেটাম দিয়েছেন। অন্যথায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও তিনি সতর্ক করেন।

সিলেটের খবর এর আরও খবর

img

টানা বৃষ্টিতে মৌলভীবাজারে জলাবদ্ধতা—নগর ব্যবস্থাপনার দুর্বলতা আবারও সামনে

প্রকাশিত :  ১৯:১১, ২৮ এপ্রিল ২০২৬

সংগ্রাম দত্ত: মৌলভীবাজার জেলা শহরে টানা ভারী বৃষ্টিপাতে আবারও প্রকট হয়ে উঠেছে নগর ব্যবস্থাপনার দীর্ঘদিনের সীমাবদ্ধতা। পৌরসভার ১ ও ২ নম্বর ওয়ার্ডসহ বিভিন্ন এলাকায় পানি জমে প্রায় ৬০০ মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন। কোথাও হাঁটুসমান, কোথাও কোমরসমান পানিতে ডুবে গেছে বসতঘর ও রাস্তাঘাট, ফলে জনজীবন কার্যত স্থবির হয়ে পড়েছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, ড্রেন ও নালা অপরিষ্কার থাকায় বৃষ্টির পানি স্বাভাবিকভাবে নিষ্কাশন হতে পারছে না। এতে করে পানি জমে থেকে ঘরবাড়ি, দোকানপাট এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র ক্ষতির মুখে পড়ছে। সবচেয়ে উদ্বেগজনক বিষয় হলো, এমন পরিস্থিতিতেও সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের দৃশ্যমান তৎপরতার অভাব রয়েছে বলে অভিযোগ ভুক্তভোগীদের।

এদিকে মৌলভীবাজার জেলা শহরের সাংবাদিক আব্দুল হামিদ মাহবুব তাঁর ভেরিফাইড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে একটি ভিডিও পোস্ট করে বর্তমান পরিস্থিতির চিত্র তুলে ধরেছেন। তিনি জানান, রাতভর বৃষ্টি ও বজ্রপাত অব্যাহত রয়েছে। শহরের বাইরে পাহাড়ি এলাকায় অবস্থান করেও তিনি একই ধরনের জলাবদ্ধতার চিত্র দেখেছেন। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, “আমি শহরের বাইরে থাকি, তারপরও এই অবস্থা। আমার বাসার সামনে ছোট্ট এই দৃশ্যই পরিস্থিতির ইঙ্গিত দেয়। শহরের গির্জা পাড়া, সৈয়ারপুর, চৌমুহনা, কাজিরগাঁও, আরামবাগ, কলেমাবাদ—এসব এলাকার অবস্থা কেমন, তা সহজেই অনুমেয়।”

প্রতিবছর বর্ষা মৌসুম এলেই একই সমস্যার পুনরাবৃত্তি নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন সচেতন মহল। তাদের মতে, কার্যকর নগর পরিকল্পনা ও নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণের অভাবেই এই দুর্ভোগ থেকে মুক্তি মিলছে না।

এ অবস্থায় দ্রুত পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা, ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তা এবং দীর্ঘমেয়াদি টেকসই সমাধানে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী ও স্থানীয় বাসিন্দারা।

সিলেটের খবর এর আরও খবর