img

বাড়তি দামে বিক্রি হচ্ছে এলপিজি

প্রকাশিত :  ০৬:৪৯, ০৬ এপ্রিল ২০২৬

বাড়তি দামে বিক্রি হচ্ছে এলপিজি

দেশজুড়ে সরকার নির্ধারিত দামে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) সিলিন্ডার মিলছে না।এমন পরিস্থিতিতে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) তৈরির উপাদান প্রোপেন-বিউটেনের দামও বেড়েছে। সার্বিক দিক বিবেচনা করে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) ১২ কেজি’র একটি সিলিন্ডারের দাম ৩৮৭ টাকা বাড়িয়ে ১ হাজার ৭২৮ টাকা নির্ধারণ করেছে। তবে সরকারি এই মূল্য নির্ধারণের পরও বাজারে এর কোনো ছিটেফোঁটা নেই। বরং আরও ২-৩শ’ টাকা বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে এলপিজি সিলিন্ডার। রাজধানী ঢাকাসহ দেশের নানা প্রান্তে চড়া দামে কিনতে হচ্ছে এলপিজি।

বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন বলছে, আন্তর্জাতিক বাজারে গ্যাসের দাম বৃদ্ধি এবং জাহাজে পরিবহন খরচ বেড়ে যাওয়ার কারণেই সিলিন্ডার গ্যাসের দাম সমন্বয় করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার এলপিজি’র দাম কেজি প্রতি ৩২ দশমিক ২৫ টাকা বাড়িয়ে মূল্য সমন্বয়ের বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে বিইআরসি। বাজারে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের নতুন দাম দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৭২৮ টাকা। গত মাসে দাম ছিল ১ হাজার ৩৪১ টাকা। বিইআরসি’র বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, কোনো পর্যায়ে কমিশন নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দরে বিক্রি করা যাবে না। বিপিসিই’র দেয়া সিলিন্ডারের দামের চার্টে ৫ দশমিক ৫ কেজি ৭৯২ টাকা; ১২ কেজি ১ হাজার ৭২৮ টাকা; ২৫ কেজি ৩ হাজার ৬০১ টাকা; ৩৫ কেজি ৫ হাজার ৪১ টাকা; ৪৫ কেজি সিলিন্ডার ৬ হাজার ৪৮২ টাকা উল্লেখ করা ছিল।Energy & Utilities

শুক্রবার ঢাকার মগবাজার, হাতিরঝিল ও তেজগাঁও এলাকার কয়েকটি এলপিজি গ্যাস বিক্রির দোকানে ক্রেতা হিসেবে গিয়ে খোঁজ নিয়ে দেখা যায়, গ্যাস কোম্পানিগুলোর ডিলারশিপ নেয়া দোকানগুলোতে মূল দামের চেয়ে অন্তত ২ থেকে ৩শ’ টাকা বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে এলপিজি। খুচরা বিক্রেতা যারা ডিলারদের থেকে সিলিন্ডার কিনে বিক্রি করেন তাদের কেউ কেউ বিক্রি বন্ধ রেখেছেন। ক্রেতারাও সিলিন্ডারের গ্যাস কিনতে এসে অবাক হচ্ছেন রীতিমতো। সিলিন্ডার বিক্রির দোকানে বিপিসিই’র নির্ধারিত গ্যাসের চার্ট টাঙানো ছিল। তবুও চার্টের বাইরে চড়া দামে বিক্রি করা হচ্ছিলো গ্যাস। বিক্রেতারা বলছেন, কোম্পানিগুলো বেশি দামে সিলিন্ডার বিক্রি করছে, তাই খুচরা পর্যায়েও বাড়তি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে।

মগবাজারের মেসার্স এসএইচ এন্টারপ্রাইজে গিয়ে দেখা যায়, সেখানে ১২ কেজি সিলিন্ডার ২ হাজার টাকা দরে বিক্রি করা হচ্ছে। বিক্রেতা জানান, সরকার নির্ধারিত মূল্যে গ্যাস বিক্রি করছেন তারা। তবে সরকার নির্ধারিত দামে বিক্রির কথা জানাতে চাইলে তারা জানান, এই দামে বিক্রি করলে কেনা দামও পাওয়া যাবে না। একই সময় একজন ক্রেতা সিলিন্ডার কিনতে আসেন। ওই ক্রেতার কাছে ২ হাজার টাকা দামে সিলিন্ডার বিক্রি করতে দেখা গেছে। হাতিরঝিল এলাকার ওমেরা পেট্রোলিয়াম লিমিটেডের ডিলার আহমেদ এন্টারপ্রাইজে গিয়ে দাম জানতে চাইলে তারা জানান, ১ হাজার ৭২৮ টাকার সিলিন্ডার কিনতে হলে ১ হাজার ৮৫০টাকা দিতে হবে। আবার বলা হয়, ওমেরা ব্যতীত অন্যকোনো কোম্পানির সিলিন্ডারের ক্ষেত্রে ২ হাজার টাকায় বিক্রি হবে সিলিন্ডার।

তেজগাঁও এলাকার মেঘনা ফ্রেশ এলপিজি’র ডিলার মেসার্স জুয়েল অ্যান্ড ব্রাদার্সের দীপক বলেন, আমরা ১২ কেজি গ্যাস ১ হাজার ৯০০ টাকা বিক্রি করছি। এখানে একটি শুভংকরের ফাঁকি থাকতে পারে। আমাদের যে চালান দেয়া হয় সেখানে তারিখ এবং এলপিজি’র দাম কিছুই স্পষ্ট করে দেয়া হয় না। প্রতিটি সিলিন্ডারে ২০ টাকা করে আমাদের লাভ। তবে আমাদের কাছে বাড়তি দামে কেনার বিষয়ে সকল প্রমাণাদি আছে। সরকার এবং কোম্পানির মাঝেই সমস্যা। তারা বিক্রেতা ও ক্রেতাদের মুখোমুখি ঠেলে দিয়েছে।

img

৯৪.৭০ শতাংশ পোশাক কারখানায় বোনাস পরিশোধ : বিজিএমইএ

প্রকাশিত :  ০৮:১৬, ২৫ মে ২০২৬

ঢাকা ও চট্টগ্রামে ২ হাজার ১৩৩টি চালু কারখানার মধ্যে ২ হাজার ২১টি পোশাক কারখানা ঈদ বোনাস পরিশোধ করেছে কর্তৃপক্ষ। আজ সোমবার (২৫ মে) এক বার্তায় এ তথ্য জানিয়েছে বিজিএমইএ।

বিজিএমইএ’র দেয়া তথ্যে বলা হয়, ঢাকা ও চট্টগ্রামে চালু রয়েছে মোট ২ হাজার ১৩৩টি কারখানা। যার মধ্যে ঢাকায় ১ হাজার ৭৯৪টি ও চট্টগ্রামে ৩৪০টি।

এপ্রিলের বেতন পরিশোধ করেছে ২ হাজার ১১৭টি কারখানা, যা শতকরা ৯৯ দশমিক ২০ শতাংশ। এর মধ্যে রয়েছে ঢাকার ১ হাজার ৭৮৩টি ও চট্টগ্রামের ৩৩৪টি কারখানা।

ঈদ বোনাস পরিশোধ করেছে মোট ২ হাজার ২১টি কারখানা, যা শতকরা ৯৪ দশমিক ৭০ শতাংশ। এর মধ্যে রয়েছে ঢাকার ১ হাজার ৭০৯টি ও চট্টগ্রামের ৩১২টি কারখানা।

এ ছাড়া মে মাসের অগ্রিম বেতন পরিশোধ করেছে মোট ৭৬৭টি কারখানা, যা শতকরা ৩৫ দশমিক ৯৪ শতাংশ।

এদিকে, ২৪ মে ঢাকা ছেড়েছে ১০৮টি পোশাক কারখানার কর্মীরা।

২৫ ও ২৬ মে ঢাকা ছাড়বে যথাক্রমে ৬৬৪টি ও ৭৭১টি পোশাক কারখানার কর্মী। আর আগামী ২৭ মে ২৫১টি পোশাক কারখানার কর্মীরা ঢাকা ছাড়বে।