img

হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু

প্রকাশিত :  ১১:০৫, ২৩ এপ্রিল ২০২৬
সর্বশেষ আপডেট: ১৩:৫৭, ২৩ এপ্রিল ২০২৬

হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু

সারাদেশে আজ সকাল ৮টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় হামে আক্রান্ত হয়ে এক শিশু ও  হামের উপসর্গ নিয়ে চার শিশু মারা গেছে। এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত হামে মোট ৩৯ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। আর হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে ১৯৪টি শিশুর।

আজ বৃহস্পতিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম–বিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এ সময়ে হামে আক্রান্ত হয়েছে ১২৫টি শিশু। আর হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৮৪৭ জন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর বলছে, গত ২৪ ঘণ্টায় হামে ও হামের উপসর্গ নিয়ে তিন শিশুর মৃত্যু হয়েছে ঢাকা বিভাগে। হামের উপসর্গে বাকি দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে খুলনা ও চট্টগ্রাম বিভাগে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর বলছে, ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে ১ হাজার ১৭০টি শিশুর মধ্যে হামের উপসর্গ দেখা যায়। তাদের মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৮৪৭টি শিশু। এর মধ্যে ৩৫৫টি শিশুই ঢাকা বিভাগের।

এ ছাড়া হামের উপসর্গ নিয়ে ভর্তি হওয়া ৮৩৬টি শিশু গত ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ঢাকা বিভাগের ৪২০ শিশু।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হামের উপসর্গ দেখা গেছে মোট ২৮ হাজার ৩৩৪টি শিশুর মধ্যে। এর মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ১৮ হাজার ৮৪৫টি শিশু। তাদের মধ্যে ৪ হাজার ৫৯ জনের হাম শনাক্ত হয়। আর হাসপাতাল থেকে ছাড়া পাওয়া রোগীর সংখ্যা ১৫ হাজার ৭২৮।

জাতীয় এর আরও খবর

সংসদে প্রতিমন্ত্রী

img

ঢাকায়ও লোডশেডিং দেওয়ার সিদ্ধান্ত

প্রকাশিত :  ১৩:৫৬, ২৩ এপ্রিল ২০২৬

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেছেন, বিদ্যুৎ উৎপাদনে ঘাটতি থাকায় লোডশেডিং করতে সরকার বাধ্য হচ্ছে । তিনি বলেন, রাজধানী ঢাকায় পরীক্ষামূলকভাবে লোডশেডিং করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

আজ বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে প্রতিমন্ত্রী ৩০০ বিধিতে বিবৃতি দিয়ে এ তথ্য জানান।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘দেশের কৃষি খাতে সেচব্যবস্থা নির্বিঘ্ন রাখতে এবং শহর ও গ্রামের বৈষম্য দূর করতে রাজধানী ঢাকায় পরীক্ষামূলকভাবে লোডশেডিং করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

’গ্রামের কৃষক যেন ক্ষতিগ্রস্ত না হয় এবং তারা যেন পর্যাপ্ত বিদ্যুৎ পায়, সেটি নিশ্চিত করতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত।

তিনি বলেন, বুধবার (২২ এপ্রিল) বিদ্যুতের চাহিদা ছিল ১৬ হাজার মেগাওয়াট অথচ উৎপাদন হয়েছে ১৪ হাজার ১২৬ দশমিক ৩৫ মেগাওয়াট। অর্থাৎ দিনে ২ হাজার ৮৬ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ ঘাটতি; তাই লোডিশেডিং করতে বাধ্য হতে হচ্ছে।

জ্বালানি সংকট নিরসনে সরকারি-বিরোধী দল এক হয়েছে জানিয়ে অমিত বলেন, ‘গতকাল জ্বালানি বিষয় নিয়ে সরকারি দল এবং বিরোধী দল বিশদ আলোচনা করেছে।

এই আলোচনার সবচেয়ে বড় অর্জন যে টোন সেট হয়েছে, অর্থাৎ ঐক্যবদ্ধভাবে দেশ পরিচালনা করার। যার ধারাবাহিকতায় প্রধানমন্ত্রী ১০ সদস্যের কমিটি গঠনের প্রস্তাব দিয়েছেন। এটা জাতির জন্য নতুন পথের দিশা হয়ে থাকবে। নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সাপ্লাই নিশ্চিত করার জন্য বিরোধীদলীয় নেতার সঙ্গে আলোচনা করে পরামর্শ গ্রহণ করেছি।

জাতীয় এর আরও খবর