img

আলহাজ্ব আব্দুল হাফিজ সমসু মিয়ার ইন্তেকাল

প্রকাশিত :  ১৯:৫৯, ২৭ এপ্রিল ২০২৬

আলহাজ্ব আব্দুল হাফিজ সমসু মিয়ার ইন্তেকাল

সিলেট সিটি কর্পোরেশনের ৬ নং ওয়ার্ডের ইলাশকান্দি উদয়ন-৪২, মোহাম্মদী ভিলা নিবাসী আলহাজ্ব আব্দুল হাফিজ সমসু মিয়া ইন্তেকাল করেছেন। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

তিনি সিলেট জেলা বিএনপির সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট এবং জকিগঞ্জ বিএনপির আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়াও তিনি সাবেক অর্থমন্ত্রী মরহুম সাইফুর রহমানের ঘনিষ্ঠজন ছিলেন।

মরহুমের একমাত্র পুত্র শহিদুল ইসলাম মামুন যুক্তরাজ্যের পরিচিত মুখ এবং যুক্তরাজ্য বিএনপির সাবেক সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক। পারিবারিকভাবে তিনি সিলেটের সুনামধন্য প্রতিষ্ঠান মাজনপাট্টির মোহাম্মদী কর্পোরেশনের সাথে যুক্ত ছিলেন।

তিনি উদয়ন তরুণ সংঘের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন। মৃত্যুকালে তিনি ১ পুত্র, ২ কন্যাসহ অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

তার ভাতিজা বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মারুফ আহমদ বর্তমানে উদয়ন তরুণ সংঘের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

মহান আল্লাহ তাআলা মরহুমকে জান্নাতের সর্বোচ্চ মাকাম দান করুন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারকে ধৈর্য ধারণের তাওফিক দান করুন। আমিন

সিলেটের খবর এর আরও খবর

img

টানা বৃষ্টিতে মৌলভীবাজারে জলাবদ্ধতা—নগর ব্যবস্থাপনার দুর্বলতা আবারও সামনে

প্রকাশিত :  ১৯:১১, ২৮ এপ্রিল ২০২৬

সংগ্রাম দত্ত: মৌলভীবাজার জেলা শহরে টানা ভারী বৃষ্টিপাতে আবারও প্রকট হয়ে উঠেছে নগর ব্যবস্থাপনার দীর্ঘদিনের সীমাবদ্ধতা। পৌরসভার ১ ও ২ নম্বর ওয়ার্ডসহ বিভিন্ন এলাকায় পানি জমে প্রায় ৬০০ মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন। কোথাও হাঁটুসমান, কোথাও কোমরসমান পানিতে ডুবে গেছে বসতঘর ও রাস্তাঘাট, ফলে জনজীবন কার্যত স্থবির হয়ে পড়েছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, ড্রেন ও নালা অপরিষ্কার থাকায় বৃষ্টির পানি স্বাভাবিকভাবে নিষ্কাশন হতে পারছে না। এতে করে পানি জমে থেকে ঘরবাড়ি, দোকানপাট এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র ক্ষতির মুখে পড়ছে। সবচেয়ে উদ্বেগজনক বিষয় হলো, এমন পরিস্থিতিতেও সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের দৃশ্যমান তৎপরতার অভাব রয়েছে বলে অভিযোগ ভুক্তভোগীদের।

এদিকে মৌলভীবাজার জেলা শহরের সাংবাদিক আব্দুল হামিদ মাহবুব তাঁর ভেরিফাইড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে একটি ভিডিও পোস্ট করে বর্তমান পরিস্থিতির চিত্র তুলে ধরেছেন। তিনি জানান, রাতভর বৃষ্টি ও বজ্রপাত অব্যাহত রয়েছে। শহরের বাইরে পাহাড়ি এলাকায় অবস্থান করেও তিনি একই ধরনের জলাবদ্ধতার চিত্র দেখেছেন। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, “আমি শহরের বাইরে থাকি, তারপরও এই অবস্থা। আমার বাসার সামনে ছোট্ট এই দৃশ্যই পরিস্থিতির ইঙ্গিত দেয়। শহরের গির্জা পাড়া, সৈয়ারপুর, চৌমুহনা, কাজিরগাঁও, আরামবাগ, কলেমাবাদ—এসব এলাকার অবস্থা কেমন, তা সহজেই অনুমেয়।”

প্রতিবছর বর্ষা মৌসুম এলেই একই সমস্যার পুনরাবৃত্তি নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন সচেতন মহল। তাদের মতে, কার্যকর নগর পরিকল্পনা ও নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণের অভাবেই এই দুর্ভোগ থেকে মুক্তি মিলছে না।

এ অবস্থায় দ্রুত পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা, ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তা এবং দীর্ঘমেয়াদি টেকসই সমাধানে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী ও স্থানীয় বাসিন্দারা।

সিলেটের খবর এর আরও খবর