img

আমার আগে পর্তুগালের কোনো শিরোপা ছিল না: রোনালদো

প্রকাশিত :  ১০:০৩, ০৭ জুলাই ২০২৬
সর্বশেষ আপডেট: ১০:০৮, ০৭ জুলাই ২০২৬

আমার আগে পর্তুগালের কোনো শিরোপা ছিল না: রোনালদো

বিশ্বকাপে স্বপ্নভঙ্গের হতাশা নিয়েই শেষ হলো ফুটবল মহাতারকা ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর এবারের বিশ্বকাপ অভিযান। স্পেনের কাছে হারের পর আসর থেকে বিদায় নিয়েছে পর্তুগাল। তবে বিদায়ের মুহূর্তে হতাশার চেয়ে জাতীয় দলের হয়ে নিজের অবদান ও অর্জনের কথাই বেশি তুলে ধরেছেন কিংবদন্তি এই অধিনায়ক।

তার বিশ্বাস, দেশের জার্সিতে নিজের সামর্থ্যের সবটুকু উজাড় করে দিয়েছেন বলেই বিবেকের কাছে তিনি নির্ভার।

স্পেনের বিপক্ষে হেরে ২০২৬ বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে যাওয়ার পর রোনালদো নিশ্চিত করেছেন, এটাই ছিল তার ক্যারিয়ারের শেষ বিশ্বকাপ। তবে বিশ্বকাপ জয়ের অপূর্ণতা তার কাছে কিছুটা হলেও পূরণ করেছে ২০১৬ সালের ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপের সাফল্য।

রোনালদো বলেন, ‘আমি ২০১৬ ইউরো জিতেছি। আমার কাছে সেই শিরোপার মর্যাদা বিশ্বকাপ জয়ের সমান। সেই অর্জন চিরকাল আমার সঙ্গে থাকবে। আগামীকাল নতুন একটি দিন, আমাদের সামনে এগিয়ে যেতে হবে।’

বিশ্বকাপ না জিতলেও জাতীয় দলের হয়ে তার অর্জনের তালিকা কম নয়। ২০১৬ সালের ইউরোর পাশাপাশি ২০১৯ ও ২০২৫ সালে উয়েফা নেশন্স লিগ জিতেছে পর্তুগাল, যার নেতৃত্বে ছিলেন রোনালদো। জাতীয় দলের হয়ে ২৩ বছরের দীর্ঘ ক্যারিয়ারের দিকে ফিরে তাকিয়ে তিনি স্মরণ করিয়ে দেন, তার আগে পর্তুগালের কোনো আন্তর্জাতিক শিরোপা ছিল না।

পর্তুগিজ অধিনায়ক বলেন, ‘আমি আমার সর্বোচ্চটা দেওয়ার চেষ্টা করেছি। পর্তুগালের হয়ে তিনটি শিরোপা জিতেছি। আমার আগে এই দলের কোনো শিরোপাই ছিল না। তাই আমার খুশি হওয়ারই কথা।’

তবে অর্জনের কথা বললেও বিদায়ের কষ্ট লুকাননি রোনালদো। তার মতে, পর্তুগাল আরও ভালো খেলতে পারত, কিন্তু প্রতিপক্ষও ছিল বিশ্বের অন্যতম শক্তিশালী দল।

রোনালদো বলেন, ‘এভাবে বিদায় নিতে হওয়ায় অবশ্যই খারাপ লাগছে। কিন্তু আমি আমার সর্বোচ্চটা দেওয়ার চেষ্টা করেছি, মাঠে সবকিছু উজাড় করে দিয়েছি। আমরা ভালোই খেলেছি, দলের পারফরম্যান্সও খারাপ ছিল না। অবশ্য আরও ভালো করা যেত। তবে স্পেন বিশ্বের অন্যতম সেরা দল। আমার বিশ্বাস, তারা ফাইনালে উঠবে, অথবা অন্তত তার খুব কাছাকাছি যাবে।’

বিশ্বকাপের ট্রফি অধরা থেকেই গেল। কিন্তু রোনালদোর চোখে জাতীয় দলের হয়ে তিনটি আন্তর্জাতিক শিরোপা, বিশেষ করে ইউরো জয়ের স্মৃতি, তার ফুটবল জীবনের সবচেয়ে গর্বের অধ্যায় হিসেবেই থেকে যাবে।


 

খুলনাকে হারিয়ে প্রথম জয়ের স্বাদ নিল সিলেট

img

রূপকথার প্রত্যাবর্তনে কোয়ার্টার ফাইনালে আর্জেন্টিনা

প্রকাশিত :  ১৯:২৩, ০৭ জুলাই ২০২৬

আর্জেন্টিনা ম্যাচের ৭৯ মিনিট পর্যন্ত ২-০ গোলে পিছিয়ে ছিল । এরপর  অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তনের গল্প লিখে জয় তুলে নিয়েছে আলবিসেলেস্তেরা। সেইসঙ্গে মিশরকে ৩-২ গোলে হারিয়ে কোয়ার্টার ফাইনাল নিশ্চিত করেছে লিওনেল স্কালোনির শিষ্যরা।

ম্যাচের শুরুর ১০ মিনিট বেশ এলোমেলো খেলেছে আর্জেন্টিনা। মাঝমাঠে বারবার বল হারিয়েছে। অন্যদিকে, ম্যাচের ১৫ মিনিটে গোলের দেখা পায় মিশর। মারওয়ান আত্তিয়ার ক্রস থেকে হেড করে বল জালে পাঠান ইয়াসের ইব্রাহিম।

এরপর ম্যাচের ১৯ মিনিটে পেনাল্টি পায় আর্জেন্টিনা। তবে স্পট কিক থেকে গোল করতে পারেননি অধিনায়ক মেসি। ডান দিকের নিচু কোণ ঘেঁষে তার নেওয়া শটটি দুর্দান্ত দক্ষতায় রুখে দিলেন মিসরীয় গোলকিপার মোস্তফা শোবের।  

ম্যাচে ফিরতে মরিয়া হয়ে একের পর এক আক্রমণ করতে থাকে আর্জেন্টিনা। ম্যাচের ২৮ মিনিটে ম্যাক আলিস্টারের দারুণ হেড রুখে দেন মিশরীয় গোলকিপার। এরপর ম্যাচের ৩৯ মিনিটে আলভারেজকেও হতাশ করেন মিশরের গোলরক্ষক শোবের। এতে ১-০ গোলে পিছিয়ে থেকে বিরতিতে যায় আর্জেন্টিনা। 

এরপর ম্যাচের ৬৭ মিনিটে আবারও গোলের দেখা পায় মিশর। দুর্দান্ত কাউন্টার অ্যাটাক থেকে গোল করে দলের লিড দ্বিগুণ করেন মোস্তাফা জিকো। 

ম্যাচের ৭৯ মিনিটে গোলের দেখা পায় আর্জেন্টিনা। লিওনেল মেসির ক্রস থেকে হেড করে ব্যবধান কমান ক্রিশ্চিয়ান রোমেরো। এর ৪ মিনিট পর গোল করে দলকে সমতায় ফেরান মেসি।  

এরপর ম্যাচের যোগ করা সময়ে কাউন্টার অ্যাটাক থেকে গোল করে আর্জেন্টিনাকে ম্যাচে প্রথবারের মতো লিড এনে দেন এনজো ফার্নান্দেজ। শেষ পর্যন্ত আর কোনো গোল না হলে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে আলবিসেলেস্তেরা।