img

১৯ জেলায় সন্ধ্যার মধ্যে ঝড়ের আভাস, হতে পারে অতিভারি বৃষ্টি

প্রকাশিত :  ০৮:০৬, ১০ জুলাই ২০২৬

১৯ জেলায় সন্ধ্যার মধ্যে ঝড়ের আভাস, হতে পারে অতিভারি বৃষ্টি

আজ শুক্রবার সন্ধ্যার মধ্যে দেশের ১৯ জেলার ওপর দিয়ে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ী দমকা বা ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে বলে সতর্ক করেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। একইসঙ্গে এসব এলাকায় বৃষ্টি কিংবা বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনার কথাও জানিয়েছে সংস্থাটি।

শুক্রবার (১০ জুলাই) দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য দেওয়া সতর্কবার্তায় বলা হয়েছে, রংপুর, দিনাজপুর, রাজশাহী, পাবনা, বগুড়া, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, ঢাকা, ফরিদপুর, কুষ্টিয়া, যশোর, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, কুমিল্লা, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার এবং সিলেট অঞ্চলের ওপর দিয়ে দক্ষিণ অথবা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫-৬০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এ সময় বজ্রপাতসহ বৃষ্টির সম্ভাবনাও রয়েছে।

এ কারণে সংশ্লিষ্ট এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

আবহাওয়ার নিয়মিত বুলেটিনে জানানো হয়েছে, উত্তরপশ্চিম মধ্যপ্রদেশ ও আশপাশের এলাকায় অবস্থান করা সুস্পষ্ট লঘুচাপটি দুর্বল হয়ে বর্তমানে মধ্য উত্তরপ্রদেশ ও সংলগ্ন এলাকায় লঘুচাপ হিসেবে অবস্থান করছে এবং এটি আরও দুর্বল হতে পারে। তবে উত্তর বঙ্গোপসাগর ও আশপাশের এলাকায় বায়ুচাপের পার্থক্য বেশি থাকায় মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের ওপর সক্রিয় রয়েছে। একই সঙ্গে উত্তর বঙ্গোপসাগরে মৌসুমি বায়ু প্রবল অবস্থায় বিরাজ করছে।

এ পরিস্থিতিতে শনিবার (১১ জুলাই) সকাল ৯টা পর্যন্ত রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ স্থানে অস্থায়ী দমকা হাওয়া, বিদ্যুৎ চমকানোসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন স্থানে ভারি থেকে অতিভারি বর্ষণেরও আশঙ্কা রয়েছে।


জাতীয় এর আরও খবর

img

দুর্যোগে জনদুর্ভোগ লাঘবে বিজিবির নিরলস প্রয়াস: নাইক্ষ্যংছড়িতে ঝুঁকিপূর্ণ সেতু রক্ষায় প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা

প্রকাশিত :  ১৭:৪৬, ১১ জুলাই ২০২৬

টানা ভারী বর্ষণ, পাহাড়ি ঢল ও ভূমিক্ষয়ের কারণে বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় জনদুর্ভোগ বৃদ্ধি পেয়েছে। এ অবস্থায় জনসাধারণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং  জনদুর্ভোগ লাঘবে তাৎক্ষণিক উদ্যোগ গ্রহণ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।

আজ শনিবার বিকেল ০৩টার দিকে নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়ন (১১ বিজিবি)-এর অধীনস্থ আদর্শগ্রাম চেকপোস্ট থেকে প্রায় ১০০ মিটার পশ্চিমে অবস্থিত স্টিলের সেতুর পশ্চিম পাশের মাটি ধসে যাওয়ায় সেতুটি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ে। বিষয়টি জানতে পেরে নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোঃ ফয়জুল কবির ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে সার্বিক পরিস্থিতি পরিদর্শন করেন এবং সেতুটি রক্ষায় জরুরি প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যক বিজিবি সদস্যকে প্রয়োজনীয় সরঞ্জামাদিসহ ঘটনাস্থলে প্রেরণ করেন। অধিনায়কের প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে প্রবল বর্ষণ উপেক্ষা করে বিজিবি সদস্যরা বালুভর্তি বস্তা দিয়ে ক্ষয়প্রাপ্ত অংশে অস্থায়ী প্রতিরোধব্যবস্থা গড়ে তোলেন এবং পানির প্রবাহ নিয়ন্ত্রণে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করেন। সেতুটিকে সম্পূর্ণ নিরাপদ করতে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম এখনো চলমান রয়েছে।

একই সঙ্গে নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়ন সার্বক্ষণিকভাবে পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং জনসাধারণের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহায়তা প্রদান অব্যাহত রেখেছে।

এ বিষয়ে নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোঃ ফয়জুল কবির বলেন,

“সীমান্ত সুরক্ষা, চোরাচালান ও মানবপাচার প্রতিরোধ, অবৈধ অনুপ্রবেশ নিয়ন্ত্রণ এবং অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি দুর্যোগকবলিত মানুষের জীবন ও নিরাপত্তা রক্ষায় প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান বিজিবির অন্যতম দায়িত্ব। জনগণের যেকোনো দুর্যোগ ও সংকটে পাশে থেকে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণে বিজিবি সর্বদা প্রস্তুত ও প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।” সীমান্তের অতন্দ্র প্রহরী হিসেবে দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও জরুরি পরিস্থিতিতে জনগণের জীবন, সম্পদ এবং গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো রক্ষায় বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) নিষ্ঠা, পেশাদারিত্ব ও মানবিক দায়বদ্ধতার সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছে। দেশের মানুষের নিরাপত্তা ও কল্যাণে বিজিবির এ ধরনের জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে। -প্রেস বিজ্ঞপ্তি


(বার্তা প্রেরক:
লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোঃ ফয়জুল কবির
অধিনায়ক
নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়ন (১১ বিজিবি)

জাতীয় এর আরও খবর