img

রাজধানীতে সন্ত্রাসীদের এলোপাতাড়ি গুলি, নারীসহ গুলিবিদ্ধ ৩

প্রকাশিত :  ১৭:৪১, ৩০ আগষ্ট ২০২৬

রাজধানীতে সন্ত্রাসীদের এলোপাতাড়ি গুলি, নারীসহ গুলিবিদ্ধ ৩
সন্ত্রাসীদের এলোপাতাড়ি গুলিতে রাজধানীর গোন্ডারিয়ায় নারীসহ তিনজন গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। রোববার (৩০ আগস্ট) সন্ধ্যায় গোন্ডারিয়ার একটি অফিসের কাছে এ ঘটনা ঘটে।
গুলিবিদ্ধ অবস্থায় আহত তিনজনকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।
গুলিবিদ্ধরা হলেন—চা দোকানি আলমগীর (৩৩), পথচারী সিয়াম (১৮) ও আশা আক্তার (২০)। তাদের মধ্যে সিয়ামের বুকের বাম পাশে, আলমগীরের মাথায় এবং আশা আক্তারের ডান পায়ে গুলি লেগেছে।

এদিকে আহত সিয়াম জানিয়েছেন, তিনি যাত্রাবাড়ী এলাকায় থাকেন। সেখানে একটি হোটেলে কাজ করেন। সন্ধ্যায় গেন্ডারিয়ার মুন্সিরটেকে নিজের ফুফার চায়ের দোকানে এসেছিলেন। হঠাৎ রাস্তায় মারামারি শুরু হলে তিনি দোকানের ভেতর থেকে শাটার বন্ধ করে দিচ্ছিলেন। তখনই তার বুকের বাম পাশে কাঁধে দিকে একটি গুলি এসে লাগে।
অন্যদিকে আহত আলমগীরের স্ত্রী জান্নাতি আক্তার জানান, তার স্বামীও সেখানে চা দোকান করেন। সন্ধ্যায় দোকানের সামনে মারামারি ও গোলাগুলি শুরু হয়। তখন দোকানের ভেতর থাকা অবস্থায়ই তিনি কপালের ঠিক মাঝ বরাবর গুলিবিদ্ধ হন।

এ ছাড়া আহত আশা আক্তার জানিয়েছেন, তিনি ওই এলাকাতেই থাকেন। সন্ধ্যায় রাস্তা দিয়ে যাওয়ার সময় মারামারি মাঝে পড়ে যান তিনি। এতে তার ডান পায়ের রানে একটি গুলি বিদ্ধ হয়। তবে কারা গোলাগুলি করছিল, সে বিষয়ে কিছু জানাতে পারেননি তিনি।
ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, গুলিবিদ্ধ তিনজনকে হাসপাতালের জরুরি বিভাগে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।  ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট থানায় জানানো হয়েছে এবং এ বিষয়ে আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
 

জাতীয় এর আরও খবর

img

আবুল কালামের আপিল শুনানি চলবে কি না সিদ্ধান্ত ৭ সেপ্টেম্বর

প্রকাশিত :  ০৭:৫৪, ৩১ আগষ্ট ২০২৬

একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত মাওলানা আবুল কালাম আযাদের আপিল চলবে কি না (আপিল গ্রহণযোগ্য কি না) সে বিষয়ে ৭ সেপ্টেম্বর আদেশ দেওয়া হবে। আজ সোমবার (৩১ আগস্ট) আপিল বিভাগের বিচারপতি মো. রেজাউল হকের নেতৃত্বাধীন আপিল বেঞ্চ শুনানি শেষে আদেশের এ দিন ঠিক করেন।

মৃত্যুদণ্ডের রায়ের ৪ হাজার ৯১৫ দিন পর আবুল কালাম আযাদ আপিল করতে পারেন কি না এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত হবে আগে। আদালতে আবেদনের পক্ষে ছিলেন সিনিয়র আইনজীবী এহসান এ সিদ্দিক। প্রসিকিউশনের পক্ষে ছিলেন চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম।

আপিলে আবুল কালাম আযাদ বিলম্ব মার্জনার পাশাপাশি আপিল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত সাজা স্থগিত চেয়েছেন।

পলাতক থাকা অবস্থায় ২০১৩ সালের ২১ জানুয়ারি বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সাবেক সদস্য আবুল কালাম আযাদকে মৃত্যুদণ্ড দেন। বাংলাদেশের স্বাধীনতার ৪১ বছর পরে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় এটি প্রথম রায় ছিল। মুক্তিযুদ্ধের সময় ফরিদপুরের বিভিন্ন স্থানে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ আনা হয়েছিল তার বিরুদ্ধে।

দীর্ঘদিন পর চলতি বছরের ২১ জানুয়ারি তিনি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে আত্মসমর্পণ করেন।

তখন জানা যায়, আত্মসমর্পণ করে আপিলের শর্তে ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আবুল কালাম আযাদের সাজা স্থগিত করেছিলেন রাষ্ট্রপতি। এর ধারাবাহিকতায় তিনি ২১ জানুয়ারি আত্মসমর্পণ করেছেন। এরপর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ আপিলের জন্য নথিপত্র সরবরাহের নির্দেশ দেন।

আদালতে আবুল কালাম আযাদের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মশিউল আলম। তিনি ২১ জানুয়ারি জানিয়েছেন, ২০১৩ সালে এখান থেকে মৃত্যুদণ্ডের রায় হয়েছিল। দীর্ঘদিন পরে রাষ্ট্রপতির কাছে আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে রাষ্ট্রপতি তার সাজা এক বছরের জন্য স্থগিত করেছেন। সারেন্ডার করে আপিল ফাইল করার শর্তে। ২২ অক্টোবর এটি প্রজ্ঞাপন আকারে জারি করে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। আজ এসে আত্মসমর্পণ দিয়েছেন। আদেশ দিলেন সারেন্ডার গ্রহণ করেছেন, আর উনাকে আপিলের জন্য কাগজপত্র দেওয়া হোক। উনি যেভাবে আছেন থাকবেন। এরপর তিনি আপিল করেন।


জাতীয় এর আরও খবর