img

শিশু আছিয়া হত্যা মামলায় হিটু শেখের মৃত্যুদণ্ড হাইকোর্টে বহাল

প্রকাশিত :  ০৭:৪৮, ৩১ আগষ্ট ২০২৬
সর্বশেষ আপডেট: ০৮:০০, ৩১ আগষ্ট ২০২৬

শিশু আছিয়া হত্যা মামলায় হিটু শেখের মৃত্যুদণ্ড হাইকোর্টে বহাল

মাগুরার আলোচিত আট বছরের শিশু আছিয়া ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি মো. হিটু শেখের মৃত্যুদণ্ড বহাল রেখেছেন হাইকোর্ট। আজ সোমবার (৩১ আগস্ট) বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন।

গতবছরের ৫ মার্চ বোনের বাড়িতে বেড়াতে গিয়ে শিশু আছিয়া ধর্ষণের শিকার হয়। বোনের শ্বশুর হিটু শেখ মেয়েটিকে শুধু ধর্ষণই করেননি, হত্যারও চেষ্টা চালান। গুরুতর আহত অবস্থায় প্রায় সাত দিন মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করে শেষ পর্যন্ত নিষ্পাপ শিশুটি পৃথিবী থেকে বিদায় নেয়।

ঘটনার পর দ্রুততম সময়ে আসামি গ্রেপ্তার, তার স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি গ্রহণ এবং তদন্ত শেষে গত ১৩ এপ্রিল ২০২৫ চার্জশিট দাখিল করা হয়। পরবর্তীতে ১৭ মে ২০২৫ মাগুরার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এম. জাহিদ হাসান আসামি মো. হিটু শেখকে মৃত্যুদণ্ড ও এক লাখ টাকা জরিমানা করেন এবং অপর তিন আসামিকে খালাস দেন।

ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী নিম্ন আদালতের প্রেরিত Death Reference এবং আসামির দায়ের করা আপিলের শুনানি শেষে আজ হাইকোর্ট মৃত্যুদণ্ডের আদেশ বহাল রাখেন। 

জাতীয় এর আরও খবর

img

আবুল কালামের আপিল শুনানি চলবে কি না সিদ্ধান্ত ৭ সেপ্টেম্বর

প্রকাশিত :  ০৭:৫৪, ৩১ আগষ্ট ২০২৬

একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত মাওলানা আবুল কালাম আযাদের আপিল চলবে কি না (আপিল গ্রহণযোগ্য কি না) সে বিষয়ে ৭ সেপ্টেম্বর আদেশ দেওয়া হবে। আজ সোমবার (৩১ আগস্ট) আপিল বিভাগের বিচারপতি মো. রেজাউল হকের নেতৃত্বাধীন আপিল বেঞ্চ শুনানি শেষে আদেশের এ দিন ঠিক করেন।

মৃত্যুদণ্ডের রায়ের ৪ হাজার ৯১৫ দিন পর আবুল কালাম আযাদ আপিল করতে পারেন কি না এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত হবে আগে। আদালতে আবেদনের পক্ষে ছিলেন সিনিয়র আইনজীবী এহসান এ সিদ্দিক। প্রসিকিউশনের পক্ষে ছিলেন চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম।

আপিলে আবুল কালাম আযাদ বিলম্ব মার্জনার পাশাপাশি আপিল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত সাজা স্থগিত চেয়েছেন।

পলাতক থাকা অবস্থায় ২০১৩ সালের ২১ জানুয়ারি বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সাবেক সদস্য আবুল কালাম আযাদকে মৃত্যুদণ্ড দেন। বাংলাদেশের স্বাধীনতার ৪১ বছর পরে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় এটি প্রথম রায় ছিল। মুক্তিযুদ্ধের সময় ফরিদপুরের বিভিন্ন স্থানে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ আনা হয়েছিল তার বিরুদ্ধে।

দীর্ঘদিন পর চলতি বছরের ২১ জানুয়ারি তিনি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে আত্মসমর্পণ করেন।

তখন জানা যায়, আত্মসমর্পণ করে আপিলের শর্তে ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আবুল কালাম আযাদের সাজা স্থগিত করেছিলেন রাষ্ট্রপতি। এর ধারাবাহিকতায় তিনি ২১ জানুয়ারি আত্মসমর্পণ করেছেন। এরপর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ আপিলের জন্য নথিপত্র সরবরাহের নির্দেশ দেন।

আদালতে আবুল কালাম আযাদের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মশিউল আলম। তিনি ২১ জানুয়ারি জানিয়েছেন, ২০১৩ সালে এখান থেকে মৃত্যুদণ্ডের রায় হয়েছিল। দীর্ঘদিন পরে রাষ্ট্রপতির কাছে আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে রাষ্ট্রপতি তার সাজা এক বছরের জন্য স্থগিত করেছেন। সারেন্ডার করে আপিল ফাইল করার শর্তে। ২২ অক্টোবর এটি প্রজ্ঞাপন আকারে জারি করে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। আজ এসে আত্মসমর্পণ দিয়েছেন। আদেশ দিলেন সারেন্ডার গ্রহণ করেছেন, আর উনাকে আপিলের জন্য কাগজপত্র দেওয়া হোক। উনি যেভাবে আছেন থাকবেন। এরপর তিনি আপিল করেন।


জাতীয় এর আরও খবর