img

রাষ্ট্রপতির আদেশে এনবিআরের ২০ কর্মকর্তার শাস্তি বাতিল

প্রকাশিত :  ০৮:৩০, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

রাষ্ট্রপতির আদেশে এনবিআরের ২০ কর্মকর্তার শাস্তি বাতিল

রাষ্ট্রপতির আদেশে এনবিআরের ২০ কর্মকর্তার শাস্তি বাতিল হয়েছে। রাষ্ট্রপতির কাছে দণ্ড মওকুফের আবেদনের প্রেক্ষিতে রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) পৃথক পৃথক প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। 

যেসব কর্মকর্তার দণ্ড বাতিল করা হয়েছে, তারা হলেন— ইমাম তৌহিদ হাসান শাকিল (উপকর কমিশনার, কর অঞ্চল-২১, ঢাকা), মির্জা আশিক রানা (অতিরিক্ত কর কমিশনার, কর অঞ্চল-দিনাজপুর), মোনালিসা শাহরীন সুমিতা (যুগ্ম কর কমিশনার, কর অঞ্চল-ময়মনসিংহ), মো. মামুন মিয়া (যুগ্ম কর কমিশনার, কর অঞ্চল-যশোর), চাঁদ সুলতানা চৌধুরানী (অতিরিক্ত কর কমিশনার (চলতি দায়িত্ব), কর অঞ্চল-গাজীপুর), সুলতানা হাবীব (অতিরিক্ত কর কমিশনার (চলতি দায়িত্ব), কর অঞ্চল-১২, ঢাকা), মুরাদ আহমেদ (অতিরিক্ত কর কমিশনার, কর অঞ্চল-যশোর), মামুনা খাতুন (যুগ্ম কর কমিশনার, ই-ট্যাক্স ম্যানেজমেন্ট ইউনিট, ঢাকা), মোহাম্মদ মোরশেদ উদ্দীন খান (যুগ্ম কর কমিশনার, কর অঞ্চল-ফরিদপুর), মো. জিল্লুর রহমান।

মো. শাহাদাত জামিল, শফিউল বশর (রাজস্ব কর্মকর্তা, কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেট, নারায়নগঞ্জ), সবুজ মিয়া (রাজস্ব কর্মকর্তা, কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেট, ঢাকা (উত্তর), ঢাকা), মোহাম্মদ সাইদুল ইসলাম (উপ-কমিশনার, কাস্টমস মূল্যায়ন ও অভ্যন্তরীণ নিরীক্ষা কমিশনারেট, খুলনা), মো. জাকির হোসেন (কমিশনার (চলতি দায়িত্ব), কাস্টমস বন্ড কমিশনারেট, চট্টগ্রাম), মো. সানোয়ারুল কবির (যুগ্ম কমিশনার, কাস্টমস বন্ড কমিশনারেট, চট্টগ্রাম), সাধন কুমার কুন্ডু (অতিরিক্ত কমিশনার, কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেট, গাজীপুর), আ.আ.ম. আমীমুল ইহসান খান (অতিরিক্ত কমিশনার, কাস্টমস হাউস, চট্টগ্রাম), সিফাত-ই-মরিয়ম (অতিরিক্ত কমিশনার, কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশানরেট, ঢাকা) ও হাছান মুহম্মদ তারেক রিকাবদান (অতিরিক্ত কমিশনার, নিরীক্ষা, গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর, মূল্য সংযোজন কর, ঢাকা)।

এনবিআর সংস্কার নিয়ে ২০২৫ সালের ওই আন্দোলনে একপর্যায়ে দেশের আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রমও বড় ধরনের বাধার মুখে পড়েছিল। পরে ব্যবসায়ী নেতাদের মধ্যস্থতায় আন্দোলন প্রত্যাহার করা হয়। 

পরে আন্দোলনে সরাসরি সম্পৃক্ত ৩৯ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেয় অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ (আইআরডি)। এর মধ্যে এনবিআরের তিন সদস্য ও একজন কমিশনারকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হয়।

img

ডুয়াল ব্যাংকিং ব্যবস্থা চালু করছে বাংলাদেশ ব্যাংক

প্রকাশিত :  ১৫:৩০, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সর্বশেষ আপডেট: ১৫:৩৩, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

গ্রাহকের ধর্মীয় ও আর্থিক প্রয়োজন অনুযায়ী প্রচলিত এবং শরিয়াহভিত্তিক ইসলামী ব্যাংকিং সেবা বেছে নেওয়ার সুযোগ সম্প্রসারণ ও আন্তর্জাতিক ইসলামী অর্থব্যবস্থার সঙ্গে বাংলাদেশের আর্থিক খাতকে আরও সম্পৃক্ত করতে বাংলাদেশ ব্যাংকে ডুয়াল ব্যাংকিং ব্যবস্থা চালু করা হচ্ছে।

অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদে ঢাকা-৪ আসনের বিরোধী দলের জামায়াতে (ইসলামী) সদস্য সৈয়দ জয়নুল আবেদীনের এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে এ তথ্য জানান।

অর্থমন্ত্রী বলেন, দেশের ব্যাংকিং খাতে গ্রাহকদের ধর্মীয় ও আর্থিক প্রয়োজন অনুযায়ী প্রচলিত এবং শরিয়াহভিত্তিক ইসলামী ব্যাংকিং সেবা বেছে নেওয়ার সুযোগ সম্প্রসারণের লক্ষ্যে বাংলাদেশ ব্যাংক ইতোমধ্যে ডুয়াল ব্যাংকিং ব্যবস্থা চালু করেছে। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক ইসলামী অর্থব্যবস্থার সঙ্গে বাংলাদেশের আর্থিক খাতকে অধিকতর সংযুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

তিনি জানান, চলতি বছরের ৩০ জুন পর্যন্ত পূর্ণাঙ্গ ইসলামী ব্যাংকগুলোকে মোট ১ হাজার ৬৯৯টি শাখার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে শহরাঞ্চলে ১ হাজার ৭৪টি এবং গ্রামাঞ্চলে ৬২৫টি শাখা রয়েছে। এসব শাখার মধ্যে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসির ৪০০টি, আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংক পিএলসির ২২৬টি, শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক পিএলসির ১৪১টি, স্ট্যান্ডার্ড ইসলামী ব্যাংক পিএলসির ১৩৮টি এবং সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক পিএলসির ৭৬১টি শাখা রয়েছে।

সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক পিএলসির ৭৬১টি শাখার মধ্যে ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক পিএলসির ২০৬টি, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক পিএলসির ১৮১টি, এক্সিম ব্যাংক পিএলসির ১৫৫টি, ইউনিয়ন ইসলামী ব্যাংক পিএলসির ১১৪টি এবং গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক পিএলসির ১০৫টি শাখা রয়েছে। এছাড়া আইসিবি ইসলামিক ব্যাংকের ৩৩টি শাখাও এর আওতায় রয়েছে।

অর্থমন্ত্রী আরও জানান, বর্তমানে ৩৫টি প্রচলিত (কনভেনশনাল) ব্যাংকে মোট ৭৫টি ইসলামী ব্যাংকিং শাখা এবং ১ হাজার ১০২টি ইসলামী ব্যাংকিং উইন্ডোর মাধ্যমে ইসলামী ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। এছাড়া আরও দুটি কনভেনশনাল ব্যাংককে ইসলামী ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালনার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে ডুয়াল ব্যাংকিং ব্যবস্থার পরিধি আরও বিস্তৃত করার প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।


অর্থনীতি এর আরও খবর