img

পলাতক সাজাপ্রাপ্তদের ফেরাতে ভারত সুনির্দিষ্ট জবাব দেয়‌নি : পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

প্রকাশিত :  ১৪:৫৭, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সর্বশেষ আপডেট: ১৫:১৩, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পলাতক সাজাপ্রাপ্তদের ফেরাতে ভারত সুনির্দিষ্ট জবাব দেয়‌নি : পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

ভারতে অবস্থানরত সাজাপ্রাপ্ত আসামিদের দেশে ফিরিয়ে আনতে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে কূটনৈতিক তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে। তবে এ বিষয়ে এখনো ভারত সরকারের কাছ থেকে কোনো সুনির্দিষ্ট জবাব পাওয়া যায়নি।

তবে তাদের দিক থেকেও একটি আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘সাজাপ্রাপ্ত আসামিদের দেশে ফিরিয়ে আনা একটি চলমান প্রক্রিয়া।’ আইনি বিষয়ে মন্তব্য করতে চান না জানিয়ে তিনি বলেন, ‘পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব হলো— প্রচলিত আইন ও কূটনৈতিক প্রক্রিয়া অনুযায়ী প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া।

তিনি বলেন, ‘সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ভারতে অবস্থানরত আসামিদের দেশে ফিরিয়ে আনতে বন্দি প্রত্যর্পণ চুক্তি অনুযায়ী কাজ চলছে। এ বিষয়ে চিঠিপত্র দেওয়া-নেওয়াও চলছে।’

সম্প্রতি আওয়ামী লীগের সাত নেতার বিরুদ্ধে আদালতের দেওয়া রায় নি‌য়ে এক প্রশ্নের জবা‌বে শামা ওবায়েদ বলেন, ‘রায়টি যেহেতু সদ্য হয়েছে, তাই আদালতের আনুষ্ঠানিক সব কাগজপত্র পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের হাতে পাওয়ার পর যথাযথ প্রক্রিয়ায় ভারত সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হবে। আসামিদের দেশে ফিরিয়ে এনে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


img

মৈত্রী পাইপলাইনে ভারত থেকে দেশে এলো ৪৭ লাখ লিটার ডিজেল

প্রকাশিত :  ০৫:৫২, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বাংলাদেশ-ভারত মৈত্রী পাইপলাইনের মাধ্যমে ভারত থেকে প্রায় ৪ হাজার মেট্রিক টন বা ৪৭ লাখ লিটার ডিজেল বাংলাদেশে এসেছে। জ্বালানির এই চালান দিনাজপুরের পার্বতীপুর রিসিভিং টার্মিনাল ডিপোতে পৌঁছেছে। এটি মৈত্রী পাইপলাইনের মাধ্যমে আসা ডিজেলের ৭২তম চালান। বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, গত ১৩ সেপ্টেম্বর সকাল ৯টায় সরবরাহ শুরু হয়এই চালানের। সেটি শেষ হয় ১৫ সেপ্টেম্বর। পার্বতীপুর রেল ডিপোর পরিচালন ব্যবস্থাপক মো. রবিউল আলম এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

এর আগে, ২০১৮ সালে করা দ্বিপক্ষীয় চুক্তি অনুসারে, ১৫ বছরে এই পাইপলাইনের মাধ্যমে বাংলাদেশে প্রায় ২০ লাখ মেট্রিক টন ডিজেল সরবরাহের কথা রয়েছে। ২০২৩ সালের মার্চে পাইপলাইনটি চালু হয়। এটি চালুর পর এ পর্যন্ত এর মাধ্যমে বাংলাদেশে মোট ৩ লাখ ৩০ হাজার ৮৭ মেট্রিক টন ডিজেল এসেছে।

জানা যায়, প্রতি বছর বাংলাদেশ-ভারত মৈত্রী পাইপলাইনের মাধ্যমে সর্বোচ্চ ১০ লাখ মেট্রিক টন উচ্চগতির ডিজেল পরিবহনের সক্ষমতা রয়েছে। 

এর আগে, চলতি বছরের মার্চ মাসে মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনার কারণে জ্বালানি সরবরাহে সংকট তৈরি হলে এই পাইপলাইনের মাধ্যমে ১৭ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল আমদানি করা হয়েছিল। এরপর এপ্রিল, মে ও জুলাইয়েও ভারত থেকে যথাক্রমে ২৫ হাজার, ৮ হাজার ও ৮ হাজার মেট্রিক টন পরিশোধিত ডিজেল আমদানি করে বাংলাদেশ।

পরে গত আগস্ট মাসে বাংলাদেশ অতিরিক্ত জ্বালানি সরবরাহের জন্য ভারতের কাছে অনুরোধ জানিয়েছিল। এর পরিপ্রেক্ষিতেই নতুন এই চালান এসেছে।

জাতীয় এর আরও খবর