img

দেশের ইতিহাসে শিক্ষাখাতে এ বছরই সর্বোচ্চ বাজেট: প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত :  ১৬:৩৩, ০৫ অক্টোবর ২০২৬

দেশের ইতিহাসে শিক্ষাখাতে এ বছরই সর্বোচ্চ বাজেট: প্রধানমন্ত্রী

দেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো জাতীয় বাজেটে শিক্ষাখাতে সর্বোচ্চ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

তিনি বলেন, আগামী পাঁচ বছরে বাজেট ধীরে ধীরে আরও বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের।

সোমবার (৫ অক্টোবর) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে বিশ্ব শিক্ষক দিবসের অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

শিক্ষার্থীরা নতুন সিলেবাসের বই পাচ্ছে এই বছরেই উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমরা এমন শিক্ষাব্যবস্থা গড়তে চাই, যেখানে কোনো শিশু শিক্ষাবঞ্চিত থাকবে না।

কারিগরি ও ব্যবহারিক জ্ঞান অপরিহার্য বলেও মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, শিক্ষাদানের কৌশল পরিবর্তন এখন সময়ের দাবি। প্রযুক্তিকে শিক্ষককের বিকল্প হিসেবে দেখতে চাই না, বরং সহায়ক হিসেবে দেখতে চাই। দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম সম্প্রসারণ এবং ফ্রি ওয়াইফাই সুবিধা বাড়ানোর উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।

তারেক রহমান বলেন, নতুন সিলেবাস অনুযায়ী পাঠ্যপুস্তক পাবে শিক্ষার্থীরা। শিক্ষার্থীরা যেন বই বিমুখ না হয়, সে জন্য শিখন কৌশল হিসেবে আনন্দময় শিক্ষা প্রয়োজন।

সময়ের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় টিচার্স ট্রেনিং কলেজগুলো আধুনিকায়নের প্রয়োজন বলে মনে করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

তিনি বলেন, উপায়হীন বিকল্প পেশা হতে পারে না শিক্ষকতা পেশা। মেধাবীরা যেন শিক্ষকতাকে পছন্দের প্রথম তাকিলায় রাখেন, সেভাবেই শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হবে। আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে।

শিক্ষা এর আরও খবর

img

জানুয়ারিতে নতুন বই, প্রাথমিকে দেওয়া হবে ইউনিফর্ম : শিক্ষামন্ত্রী

প্রকাশিত :  ১৫:০১, ০৩ অক্টোবর ২০২৬

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শিক্ষাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছেন বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেন, ‘শিক্ষাকার্যক্রম নিয়মিত তদারকি করছেন প্রধানমন্ত্রী।

দেশের বিদ্যমান শিক্ষাব্যবস্থা ঢেলে সাজাতে পরিকল্পনা নিয়ে এগোচ্ছে সরকার।’ আজ শনিবার (৩ অক্টোবর) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ‘কচুয়ার উন্নয়নে জনমনের ভাবনা’ শীর্ষক আলোচনা অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন শিক্ষামন্ত্রী।

তিনি জানান, ২০২৭ সালের জানুয়ারিতে প্রাথমিক ও মাধ্যমিকের শিক্ষার্থীদের হাতে নতুন বই তুলে দেওয়া হবে। বইয়ের মান নিশ্চিত করতে এবার ভালোমানের কাগজ ও কালি ব্যবহারের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘নিম্নমানের কারণে প্রকাশকদের কাছ থেকে তিন লাখ বই ফেরত নেওয়া হয়েছে। কোনো প্রকাশকের কাজে মানের ঘাটতি পাওয়া গেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বই বিতরণের পরও কোনো অনিয়ম বা গাফিলতির অভিযোগ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

এ ছাড়া ২০২৭ সালে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে ইউনিফর্মসহ প্রয়োজনীয় শিক্ষা উপকরণ দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে বলেও জানান তিনি।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষার মানোন্নয়ন এবং বিদ্যমান শিক্ষাব্যবস্থাকে আরো কার্যকর করতে শিক্ষা মন্ত্রণালয় বিভিন্ন পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছে।’

শিক্ষা এর আরও খবর