img

এইচএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশ ২৯ অক্টোবর

প্রকাশিত :  ১৯:২০, ২৪ অক্টোবর ২০২৬

এইচএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশ ২৯ অক্টোবর

চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল আগামী ২৯ অক্টোবর (বৃহস্পতিবার) প্রকাশ করা হবে। আন্তশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে শিক্ষা বোর্ডগুলোর পক্ষ থেকে ২৫ থেকে ২৯ অক্টোবরের মধ্যে ফল প্রকাশের জন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব পাঠিয়েছিল বাংলাদেশ আন্ত শিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি। সেই অনুযায়ী ২৯ অক্টোবর ফল প্রকাশের তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে।

সারা দেশে একযোগে ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ড, বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড এবং বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হয় ২ জুলাই। ৮ আগস্ট পরীক্ষা শেষ হওয়ার কথা থাকলেও বন্যার কারণে চট্টগ্রামসহ কয়েকটি বোর্ডের পরীক্ষা শেষ করতে আরো সময় লাগে।

এইচএসসি-আলিম-এইচএসসি (বিএম-বিএমটি) বা এইচএসসি (ভোকেশনাল) বা ডিপ্লোমা-ইন-কমার্স পরীক্ষায় ১১টি বোর্ডে মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ১২ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৩ জন। মোট কেন্দ্রের সংখ্যা ছিল ২ হাজার ৬৯৭টি এবং পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ছিল ৯ হাজার ৪৩৯টি।

এ বছর ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে অভিন্ন প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। ২০২৬ সালের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা ২ জুলাই শুরু হয়েছিল এবং ৮ আগস্ট শেষ হয়েছে।

শিক্ষা এর আরও খবর

img

সংশোধন হচ্ছে দাঁড়িপাল্লার ছবি থাকা ৩৮ লাখ বই

প্রকাশিত :  ০৫:২৩, ২৫ অক্টোবর ২০২৬

জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) ষষ্ঠ শ্রেণির তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) পাঠ্যবইয়ে ‘দাঁড়িপাল্লা’র ছবি নিয়ে বিতর্কের মধ্যে ৩৮ লাখ বইয়ের সংশ্লিষ্ট পৃষ্ঠা সংশোধনের উদ্যোগ নিয়েছে । এর মধ্যে ১৮ লাখ বই ইতিমধ্যে স্কুল পর্যায়ে সরবরাহ করা হয়েছে।

বাকি ২০ লাখ বইয়ের ছাপার কাজ চলছে। সরবরাহ করা বই ফিরিয়ে এনে সংশ্লিষ্ট পৃষ্ঠা বাদ দিয়ে নতুন করে সংশোধিত পৃষ্ঠা যুক্ত করা হবে।

তবে প্রাথমিকের প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় শ্রেণির বাংলা বইয়ে অপ্রাসঙ্গিকভাবে ব্যবহার করা ৮২টি নৌকার ছবি নিয়ে বিতর্ক থাকলেও এ বছর আর সংশোধনের সুযোগ নেই। এসব বইয়ের ছাপার কাজ প্রায় শেষ।

এনসিটিবি জানিয়েছে, ২০২৮ শিক্ষাবর্ষের বইয়ে বড় ধরনের পরিবর্তন আনা হবে।

পাঠ্যবই পর্যালোচনায় দেখা গেছে, ২০২৭ শিক্ষাবর্ষের প্রথম শ্রেণির ‘আমার বাংলা বই’-এ ৩৪টি, দ্বিতীয় শ্রেণিতে ২৩টি এবং তৃতীয় শ্রেণিতে ২৫টি নৌকার ছবি রয়েছে। নদীমাতৃক বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে নৌকার ছবি প্রাসঙ্গিক হলেও বিভিন্ন পাঠের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্ক না থাকা সত্ত্বেও একাধিক জায়গায় এসব ছবি ব্যবহার করা হয়েছে।

অন্যদিকে ষষ্ঠ শ্রেণির আইসিটি বইয়ের প্রথম অধ্যায়ে ‘উপাত্ত ও তথ্য’ আলোচনায় ‘নলেজ পিরামিড’ বা জ্ঞানের পিরামিডে ‘প্রজ্ঞা’ বোঝাতে দাঁড়িপাল্লার ছবি ব্যবহার করা হয়েছে।

অথচ ২০২৬ শিক্ষাবর্ষের বইয়ে একই ধারণা বোঝাতে ‘বুদ্ধি’ শব্দের সঙ্গে মানুষের মস্তিষ্কের ছবি রাখা হয়েছিল। ২০২৫ সালের বইয়েও ‘উইজডম’ বা প্রজ্ঞা বোঝাতে দাঁড়িপাল্লার প্রতীক ছিল।

এনসিটিবির সদস্য (প্রাথমিক শিক্ষাক্রম) অধ্যাপক ড. মো. ইকবাল হায়দার বলেন, প্রাথমিকের বইয়ে ব্যবহৃত ছবিগুলো বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিলিয়ে শিল্পীরা এঁকেছেন। কনটেন্ট পরিবর্তন না হলে ছবি পরিবর্তন করা কঠিন। তবে ২০২৮ শিক্ষাবর্ষের বইয়ে বড় পরিবর্তন আনা হবে।

দাঁড়িপাল্লার ছবি থাকা আইসিটি বইয়ের পৃষ্ঠা সংশোধনের বিষয়ে এনসিটিবি জানিয়েছে, উপজেলা পর্যায়ে পাঠানো বই ঢাকায় ফিরিয়ে এনে সংশ্লিষ্ট পৃষ্ঠা পরিবর্তন করা হবে।