img

চার ফিলিস্তিনি সাংবাদিক নোবেল শান্তি পুরস্কারের জন্য মনোনয়ন পেলেন

প্রকাশিত :  ০৮:৪৭, ২৯ আগষ্ট ২০২৪

চার ফিলিস্তিনি সাংবাদিক নোবেল শান্তি পুরস্কারের জন্য মনোনয়ন পেলেন

 প্রায় ১০ মাস যাবৎ অবরুদ্ধ উপত্যকায়  একের পর এক বর্বরতা চালিয়ে যাচ্ছে দখলদার ইসরাইল। যেখানে রেহাই পাচ্ছে না সাংবাদিক, স্বাস্থকর্মী এমনকি জাতিসংঘের ত্রাণকর্মীরাও। 

ইসরাইলি আগ্রাসনে যুদ্ধবিধ্বস্ত পরিস্থিতিতে সাহসী সাংবাদিকতার জন্য ২০২৪ সালের শান্তিতে নোবেল পুরস্কারের জন্য মনোননয়ন পেয়েছেন চার ফিলিস্তিনি সাংবাদিক। বুধবার (২৮ আগস্ট) এক্সপ্রেস ট্রিবিউনের এক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা যায়।

প্রতিবেদনে প্রকাশিত ফিলিস্তিনি এই চার সাংবাদিক হলেন আলোকচিত্রী মোতাজ আজাইজা, টিভি সাংবাদিক হিন্দ খৌদারি, সাংবাদিক ও অধিকারকর্মী বিশাস ওউদা এবং বর্ষীয়ান সাংবাদিক ওয়ায়েল আল–দাহদৌহ।

গাজায় এরই মধ্যে অনেক সাংবাদিককে হত্যা করেছে ইসরাইলি সেনারা। তাদের অভিযোগ, ওই সাংবাদিকেরা হামাস বা ইসলামিক জিহাদের সশস্ত্র শাখার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।

১৯৯২ সাল থেকে বিশ্বজুড়ে সাংবাদিক হত্যার তথ্য নথিভুক্ত করে আসছে নিউইয়র্কভিত্তিক সংস্থা ‘ইন্টারন্যাশনাল কমিটি টু প্রটেক্ট জার্নালিস্ট’।সংস্থাটির মতে, ১৯৯২ সাল থেকে এখন পর্যন্ত পৃথিবীতে যত সংঘাত হয়েছে, গাজার যুদ্ধ সাংবাদিকদের জন্য সবচেয়ে রক্তক্ষয়ী।

কমিটি টু প্রটেক্ট জার্নালিস্টস আরো জানিয়েছে, গত বছরের ৭ অক্টোবর গাজার স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাস ও ইসরাইলের মধ্যে যুদ্ধ শুরুর পর থেকে এ পর্যন্ত অন্তত ১১৩ সাংবাদিক ও মিডিয়া কর্মী নিহত হয়েছেন।

জানা গেছে, চলতি বছরের শান্তিতে নোবেল পুরস্কারের জন্য ২৮৫টি মনোনয়ন জমা পড়েছে  নরওয়েজিয়ান নোবেল কমিটির কাছে। এর মধ্যে ১৯৬ ব্যক্তি ও ৮৯টি সংগঠন।

img

কিছু পুরোনো মিত্র দেশের আচরণে আমি হতাশ : ট্রাম্প

প্রকাশিত :  ০৫:৩৯, ১৭ মার্চ ২০২৬

হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী তেলবাহী জাহাজগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুরোনো মিত্র দেশগুলোর প্রতি যুদ্ধজাহাজ পাঠানোর আহ্বান জানিয়েছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট Donald Trump। তবে তার এই আহ্বানে সাড়া না দিয়ে তা প্রত্যাখ্যান করেছে সংশ্লিষ্ট মিত্র দেশগুলো। এতে হতাশা ও অসন্তোষ প্রকাশ করে তিনি বলেন, কয়েক দশক ধরে যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তা নেওয়ার পরও তারা কৃতজ্ঞতার পরিচয় দিচ্ছে না।

রয়টার্সের খবরে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ইরানের বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধ এখন তৃতীয় সপ্তাহে প্রবেশ করেছে এবং এর শেষ কবে হবে তা স্পষ্ট নয়। বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) যাতায়াতের গুরুত্বপূর্ণ পথ হরমুজ প্রণালি বর্তমানে প্রায় বন্ধ হয়ে আছে। এতে জ্বালানির দাম বেড়ে যাওয়ার পাশাপাশি বৈশ্বিক মুদ্রাস্ফীতির আশঙ্কাও বাড়ছে।

এই সংঘাত ইতোমধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র দেশগুলোর ওপর অর্থনৈতিক চাপ সৃষ্টি করেছে। কারণ, ইরানের ওপর বিমান হামলার আগে তাদের সঙ্গে পরামর্শ করা হয়নি। এছাড়া ক্ষমতায় ফিরে আসার পর থেকেই ট্রাম্প তার মিত্রদের বিরুদ্ধে কঠোর সমালোচনা ও হুমকিমূলক বক্তব্য দিয়ে আসছেন।

মার্কিন মিত্রদের মধ্যে জার্মানি, স্পেন এবং ইতালি জানিয়েছে, কৌশলগত জলপথটি পুনরায় চালু করতে তারা আপাতত কোনো যুদ্ধজাহাজ পাঠানোর পরিকল্পনা করছে না। ইরান ড্রোন ও নৌ-মাইন বসিয়ে কার্যত পথটি বন্ধ করে রেখেছে।

জার্মানির চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মের্জ বার্লিনে বলেন, জার্মান সংবিধান অনুযায়ী এ ধরনের পদক্ষেপ নিতে হলে জাতিসংঘ, ইউরোপীয় ইউনিয়ন অথবা ন্যাটোর অনুমোদন প্রয়োজন। কিন্তু ওয়াশিংটন ও ইসরায়েল যুদ্ধ শুরুর আগে জার্মানির সঙ্গে কোনো আলোচনা করেনি।

ওয়াশিংটনে হোয়াইট হাউসের এক অনুষ্ঠানে ট্রাম্প বলেন, অনেক দেশ আমাকে সহায়তার আশ্বাস দিলেও কিছু পুরোনো মিত্র দেশের আচরণে আমি হতাশ।

তিনি বলেন, কিছু দেশ এতে খুবই আগ্রহী, আবার কিছু নয়। এমন কিছু দেশ আছে যাদের আমরা বহু বছর ধরে সাহায্য করেছি এবং বাইরের ভয়াবহ হুমকি থেকে রক্ষা করেছি। কিন্তু তারা খুব একটা আগ্রহ দেখায়নি। আর সেই আগ্রহের মাত্রা আমার কাছে গুরুত্বপূর্ণ।


আন্তর্জাতিক এর আরও খবর