img

তিস্তা অভিমুখে বিএনপির কর্মসূচি ঘোষণা

প্রকাশিত :  ১৮:৩৭, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

তিস্তা অভিমুখে বিএনপির কর্মসূচি ঘোষণা

তিস্তার নদীর পানি বণ্টন ও নদীর প্রকল্প বাস্তবায়নের দাবিতে কর্মসূচি দিয়েছে তিস্তা নদী রক্ষা আন্দোলন। ১৭ ও ১৮ ফেব্রুয়ারি দিন-রাত তিস্তার তীরবর্তী অঞ্চলে অবস্থান কর্মসূচি পালিত হবে। 

রংপুর বিভাগীয় বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আসাদুল হাবিব দুলু বলেন, এই অবস্থান কর্মসূচি উদ্বোধন করবেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। সমাপনী অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যোগ দেবেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

তিস্তা নদীবর্তী এলাকার বাসিন্দারা বরাবরই অভিযোগ করছেন, নদীটির অন্তত ১১৫ কিলোমিটার এলাকার প্রায় কোথাও পানি নেই। প্রতিবছর বর্ষায় নদীটির ক্ষতি হয় এক লাখ কোটি টাকার উপর। সম্প্রতি রংপুরে স্থানীয়ভাবে প্রতিবাদ কর্মসূচিতেও এ বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে। স্থানীয়রা মনে করেন, ভারত আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করে একতরফাভাবে তিস্তার পানি প্রত্যাহার করে নিচ্ছে। শুষ্ক মৌসুমে উত্তরাঞ্চল মরুভূমিতে পরিণত হয়। তবে কর্মসূচি দলীয়ভাবে না করে নতুন ব্যানারে করার মধ্য দিয়ে বিএনপি কী বার্তা দিতে চায়, সেটিও উঠে আসবে এই কর্মসূচিতে, এমন মনে করছেন কেউ কেউ।

জানা যায়, এর আগে ২০১৪ সালের ২২ এপ্রিল তিস্তা ইস্যুতে ঢাকা থেকে লংমার্চ করেছিল বিএনপি। নীলফামারীর ডালিয়া ব্যারেজ অভিমুখে লংমার্চ যাত্রা শুরু হয়ে ডালিয়ায় তিস্তা ব্যারেজের কাছে সমাবেশের মধ্য দিয়ে ২ দিনের কর্মসূচি শেষ হয়েছিল তখন।


জাতীয় এর আরও খবর

img

ট্রাম্পের জাতীয় নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞের সতর্কবার্তা: ‘যুদ্ধ হেরে যাওয়ার পথে যুক্তরাষ্ট্র’

প্রকাশিত :  ১৫:৪৮, ১৬ মার্চ ২০২৬

ইরানের সাথে চলমান সংঘাতের ভবিষ্যৎ নিয়ে একটি কঠোর সতর্কবার্তা দিয়েছেন ‘আমেরিকা ফার্স্ট’ মতাদর্শের বিশিষ্ট জাতীয় নিরাপত্তা বিশ্লেষক ডেভিড পাইন। তিনি দাবি করেছেন, সামরিক ক্ষয়ক্ষতি যা-ই হোক না কেন, ইরানের সামনে জয়লাভের একটি সহজ পথ খোলা রয়েছে।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পাইন লিখেছেন, “যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে তাদের এই স্বাধীনতা যুদ্ধে জেতার জন্য ইরানকে কেবল টিকে থাকতে হবে এবং যুদ্ধের শেষ পর্যন্ত টিকে থেকে শত্রুদের ওপর সর্বোচ্চ অর্থনৈতিক চাপ প্রয়োগ করতে হবে। এর মাধ্যমে তারা ট্রাম্পকে বাধ্য করবে তার এই ‘অজেয়’ বা অসম্ভব আগ্রাসী যুদ্ধ বন্ধ করতে।”

পাইন তার বিশ্লেষণে অপ্রতিসম যুদ্ধকৌশলের ঝুঁকি নিয়ে সামরিক কৌশলবিদদের সতর্কবার্তার প্রতিধ্বনি করেছেন। তার মতে, বড় ধরনের স্থল আক্রমণ ছাড়া ইরানের সাথে সংঘাতে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক শ্রেষ্ঠত্ব শেষ পর্যন্ত কোনো কাজে আসবে না।

ভিয়েতনাম যুদ্ধের সাথে তুলনা টেনে পাইন বলেন, “যদি যুক্তরাষ্ট্র পাঁচ লাখ সেনা নিয়ে ইরানে স্থল আক্রমণ না করে, তবে তারা হয়তো প্রতিটি ছোটখাটো যুদ্ধে জয়ী হবে, কিন্তু ভিয়েতনামের মতো সামগ্রিক যুদ্ধে তারা হেরে যাবে।”

সাবেক এই ট্রাম্প সমর্থক এরপর প্রেসিডেন্টের সামরিক অভিজ্ঞতা নিয়েও সমালোচনা করেন। পাইন লিখেন, “ট্রাম্প ভিয়েতনাম যুদ্ধ এড়াতে চারবার ড্রাফট (সেনাবাহিনীতে বাধ্যতামূলক নিয়োগ) এড়িয়ে গিয়েছিলেন। মনে হচ্ছে, সেখান থেকে তিনি সেই গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষাটি কখনোই নেননি।”

পাইন-এর এই মন্তব্য ট্রাম্পের নিজস্ব রাজনৈতিক বলয়ের মধ্যেই ইরানের সামরিক অভিযানের কার্যকারিতা নিয়ে ক্রমবর্ধমান সন্দেহের বহিঃপ্রকাশ। ট্রাম্প বারবার যে ধরনের সামরিক সংঘাত এড়িয়ে যাওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, সেই মাত্রায় না গিয়ে লক্ষ্য অর্জন করা বর্তমান প্রশাসনের পক্ষে কতটা সম্ভব, তা নিয়েই প্রশ্ন তুলেছেন তিনি। রাজনৈতিক সংবাদ