img

এবার দাখিল পরীক্ষার সূচি পরিবর্তন, নতুন রুটিন প্রকাশ

প্রকাশিত :  ১০:২২, ২৬ মার্চ ২০২৫
সর্বশেষ আপডেট: ১০:২৪, ২৬ মার্চ ২০২৫

এবার দাখিল পরীক্ষার সূচি পরিবর্তন, নতুন রুটিন প্রকাশ

এসএসসির পর এবার ২০২৫ সালের দাখিল পরীক্ষার সময়সূচি পরিবর্তন করা হয়েছে। এরইমধ্যে সময়সূচি পরিবর্তন করে নতুন রুটিন প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড। সংশোধিত সময়সূচি অনুযায়ী, আগামী ১০ এপ্রিল থেকে দাখিল পরীক্ষা শুরু হবে।

আজ বুধবার (২৬ মার্চ) মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ কামরুল আহসানের স্বাক্ষরিত নতুন সময়সূচি প্রকাশ করা হয়।

পরীক্ষার নতুন রুটিন বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, আগের সূচির তুলনায় কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনা হয়েছে।

১. বাংলা প্রথম পত্র: পূর্বনির্ধারিত ২০ এপ্রিলের পরীক্ষা এক দিন পিছিয়ে ২১ এপ্রিল অনুষ্ঠিত হবে।

২. উচ্চতর গণিত (তত্ত্বীয়): পূর্বনির্ধারিত ১২ মে’র পরিবর্তে এখন ১৫ মে অনুষ্ঠিত হবে।

এ দুটি পরিবর্তন ছাড়া আগের রুটিনের অন্যান্য তারিখ ও সময় অপরিবর্তিত রয়েছে।

তত্ত্বীয় পরীক্ষা শেষ হওয়ার পর ১৬ মে থেকে ব্যবহারিক পরীক্ষা শুরু হবে। শিক্ষার্থীদের অবশ্যই ২০ মের মধ্যে ব্যবহারিক পরীক্ষা সম্পন্ন করতে হবে।

২০২৫ সালের দাখিল পরীক্ষা ১০ এপ্রিল শুরু হবে, যেদিন এসএসসি পরীক্ষাও শুরু হবে। প্রথম দিনে পরীক্ষার্থীরা কুরআন মাজিদ ও তাজভিদ বিষয়ের পরীক্ষা দেবে।

মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এবার মোট ২ লাখ ৯৪ হাজার ৭২৬ জন শিক্ষার্থী দাখিল পরীক্ষায় অংশ নেবে। একই সঙ্গে কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এসএসসি (ভোকেশনাল) ও দাখিল (ভোকেশনাল) পরীক্ষায় ১ লাখ ৪৩ হাজার ৩১৩ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করবে।

পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষার নতুন রুটিন সম্পর্কে সচেতন থাকতে হবে এবং সংশোধিত তারিখ অনুযায়ী প্রস্তুতি নিতে হবে। বোর্ড কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, পরীক্ষায় শৃঙ্খলা বজায় রাখতে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং সকল পরীক্ষার্থীকে পরীক্ষার হলে যথাসময়ে উপস্থিত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড সুষ্ঠুভাবে পরীক্ষা পরিচালনার জন্য ইতিমধ্যে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে। প্রশ্নফাঁসসহ যেকোনো অনিয়ম রোধে বিশেষ নজরদারি থাকবে। শিক্ষার্থীদেরও সতর্কতার সঙ্গে পরীক্ষায় অংশগ্রহণের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

পরীক্ষার সর্বশেষ আপডেট ও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জানতে শিক্ষার্থীদের বোর্ডের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট নিয়মিত পরিদর্শনের অনুরোধ করা হয়েছে।

শিক্ষা এর আরও খবর

img

অ্যাকাডেমিক ক্যালেন্ডারে বড় পরিবর্তন, এইচএসসি পরীক্ষাও হবে ডিসেম্বরে

প্রকাশিত :  ১১:০৬, ০২ মে ২০২৬

সরকার এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা ডিসেম্বরের মধ্যে শেষ করে দ্রুততম সময়ে ফল প্রকাশের পরিকল্পনা নিয়েছে । একইসঙ্গে সংশোধন করা হচ্ছে কারিকুলামও। শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক জানিয়েছেন, সম্ভব হলে ২০২৭ সাল থেকেই নতুন এই ব্যবস্থা কার্যকর করা হবে।

বর্তমান অ্যাকাডেমিক ক্যালেন্ডার অনুযায়ী এসএসসি পরীক্ষা ফেব্রুয়ারিতে এবং এইচএসসি পরীক্ষা এপ্রিলে শুরু হয়। তবে বৈরী আবহাওয়া ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে এই পরীক্ষাগুলো প্রায়ই পিছিয়ে যায়। এছাড়া উচ্চ মাধ্যমিক শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি প্রক্রিয়ায় দীর্ঘ বিরতি তৈরি হওয়ায় অনেক শিক্ষার্থী পড়াশোনার ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে পারে না। এই বাস্তবতাকে সামনে রেখেই সরকার অ্যাকাডেমিক ক্যালেন্ডারে পরিবর্তন আনার উদ্যোগ নিয়েছে।

নতুন কারিকুলাম প্রসঙ্গে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, \'আমরা যদি ডিসেম্বরের মধ্যে পরীক্ষা নিতে পারি, তাহলে সিলেবাস, কারিকুলাম, ক্লাস টেস্ট এবং বোর্ড পরীক্ষা—সবই শেষ হবে। এরপর তারা জানুয়ারিতে সঙ্গে সঙ্গেই উচ্চ মাধ্যমিকে ভর্তি হবে। এতে দুই বছরের মধ্যেই তাদের কারিকুলাম ও সিলেবাস সম্পন্ন হবে।\'

তিনি আরও জানান, ডিসেম্বর হবে অ্যাকাডেমিক ক্যালেন্ডারের শেষ মাস, যা পরীক্ষার জন্য নির্ধারিত থাকবে। এই সময়ের মধ্যে বোর্ডগুলোকে পরীক্ষা নিতে হবে এবং দ্রুততার সঙ্গে ফল প্রকাশ করতে হবে। ফল প্রকাশের পরপরই শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পাবে।

নতুন কারিকুলাম কবে থেকে কার্যকর হবে— এ প্রশ্নে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, \'শিক্ষার্থীরা ১৬ বছর বয়সে এসএসসি পাস করবে, ১৮ বছর বয়সে এইচএসসি পাস করবে এবং কোনো সেশন জট ছাড়াই বিশ্ববিদ্যালয়ে যাবে। আমরা কারিকুলাম নিয়ে কাজ করছি। যদি সম্ভব হয়, ২০২৭ সাল থেকেই এটি কার্যকর করা হবে।\'

তবে নতুন সময়সূচি ২০২৭ সালের এসএসসি থেকে কার্যকর হবে কি না, তা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সিলেবাস শেষ করার ওপর নির্ভর করবে বলে জানান তিনি। এহছানুল হক বলেন, \'এখন ২০২৬, ২০২৭, ২০২৮ কিংবা ২০২৯—এসব পরের বিষয়। আগে আমাদের পরিকল্পনা করতে হবে আমরা কী চাই। ডিসেম্বরেই অ্যাকাডেমিক বছর শেষ হবে, এবং আমরা ডিসেম্বরেই সব সম্পন্ন করব।\'

দেশের আবহাওয়া ও ভৌগোলিক বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়ে পাবলিক পরীক্ষার সময় নির্ধারণ করে একটি নতুন অ্যাকাডেমিক ক্যালেন্ডার প্রণয়ন করা উচিত বলে মনে করছেন শিক্ষাবিদরা।