img

জীবন বীমার ৬ কোম্পানির কাছে গ্রাহক পাওনা ৩ হাজার কোটি টাকা

প্রকাশিত :  ১৪:০৯, ২৮ মার্চ ২০২৫
সর্বশেষ আপডেট: ১৭:০৬, ২৮ মার্চ ২০২৫

জীবন বীমার ৬ কোম্পানির কাছে গ্রাহক পাওনা ৩ হাজার কোটি টাকা

মোশাহেদ চৌধুরী

দেশের ছয়টি জীবন বীমা কোম্পানির কাছে গ্রাহকের পাওনা ৩ হাজার কোটি টাকা। এ অঙ্ক ২০২৪ খ্রিষ্টাব্দের ৩১ ডিসেম্বর অবধি। এরমধ্যে গ্রাহক প্রায় ২৫০০ কোটি টাকাই পাবে তৃতীয় প্রজন্মের বেসরকারি জীবন বীমা কোম্পানি ফারইষ্ট ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানী লিমিটেড এর কাছে। পাওনা টাকার মধ্যে অধিকাংশই রয়েছে গ্রাহকের বীমা দাবী সংক্রান্ত।

যথাসময়ে বীমা দাবী পরিশোধে ব্যর্থ বাকি ৫টি কোম্পানি হলো গোল্ডেন লাইফ ইনসিওরেন্স লিমিটেড, প্রগ্রেসিভ লাইফ ইনসিওরেন্স কোম্পানী লিমিটেড, বায়রা লাইফ ইনসিওরেন্স কোম্পানী লিমিটেড, পদ্মা ইসলামী লাইফ ইনস্যুরেন্স কোম্পানী লিমিটেড ও সানলাইফ ইনসিওরেন্স কোম্পানী লিমিটেড। খবর বীমা খাতের নিয়ন্ত্রণকারী প্রতিষ্ঠান বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (আইডিআরএ) এর বিশ্বস্ত একটি সূত্রের।

বেশ কয়েক বছর ধরে গ্রাহকের মেয়াদোত্তীর্ণ ও মৃত্যুদাবীসহ বিভিন্ন পাওনা আদায়ের জন্য কোম্পানিগুলোর কাছে ধর্ণা দিচ্ছে গ্রাহক। স্বাভাবিকভাবে পাওনা না পেয়ে গ্রাহক আইডিআরএ’র কার্যালয়ে অভিযোগ পেশ করে আসছে। নিয়ন্ত্রণকারী প্রতিষ্ঠানের কাছে অভিযোগের এ তালিকা দীর্ঘ হচ্ছে।

জানা গেছে, ২০০০ সালে ব্যবসায়িক কার্যক্রমে শুরু করা বেসবকারি জীবন বীমা কোম্পানি গোল্ডেন লাইফ ইনসিওরেন্স লিমিটেড কার্যালয় বন্ধ হয়ে যাওয়ায় আইডিআরএ বিব্রত অবস্থার মধ্যে পড়ে। দেশের তৃতীয় প্রজন্মের জীবন বীমা কোম্পানিটি গ্রাহক পাত্তনা নিয়ে কোম্পানির কর্মকর্তা ও কর্মচারিদের সঙ্গে একাধিকবার বিরোধে জড়ায়। রাজধানীর ৯৯ মহাখালীস্থ এ্যামবন কমপ্লেক্সস্থ গোল্ডেন লাইফ অফিসে কর্মকর্তা ও কর্মচারিরা গ্রাহকদের হাতে হেনস্তা হন। বিক্ষুব্ধ গ্রাহকদের ভয়ে গোল্ডেন লাইফ ইনসিওরেন্স লিমিটেড এ কার্যালয়ে তালা ঝুলিয়ে দেওয়া হয়। সর্বশেষ হিসাব অনুয়ায়ী গ্রাহক ও অন্যান্য পাওনাদার গোল্ডেন লাইফের কাছে পাবে ৩৪ কোটি টাকা; অথচ সম্পদ আছে মাত্র ২১ কোটি টাকার। গোল্ডেন লাইফ ইনসিওরেন্স লিমিটেড নামেই সোনালী সুদিন। গোল্ডেন লাইফের চলছে বেশ দুর্দিন। পাওনা নিয়ে বছরের পর বছর ঘুরানো ও টালবাহানায় ভূক্তভোগী গ্রাহকেরা বেশ অর্থকষ্টের মধ্যে আছেন।

বাংলাদেশ এসোসিয়েশন অব ইন্টারন্যাশনাল রিক্রুটিং এজেন্সিজ (রায়রা) এর ২৫৩ সদস্য মিলে ২০০০ খ্রিষ্টাব্দের ২৬ এপ্রিল বায়রা লাইফ ইনসিওরেন্স কোম্পানী লিমিটেড গঠন করে। কদিন পর কোম্পানিটি বীমা কার্যক্রম শুরু করে। অথচ প্রায় ২৫ বছরেও কোম্পানিটি সাফল্য দেখাতে পারেনি। কোম্পানির নির্ভরযোগ্য একটি সূত্র অর্থকাগজকে জানায়, সর্বশেষ হিসাব অনুয়ায়ী বায়রা লাইফ ইনসিওরেন্স কোম্পানী লিমিটেড এর কাছে গ্রাহক ও অন্যান্যদের পাওনা ৭০ কোটি টাকা। সম্পদ ও নগদ তহবিল মিলিয়ে কোম্পানির রয়েছে ১০৫ কোটি টাকা।

এদিকে গোল্ডেন লাইফ ইনসিওরেন্স লিমিটেড এবং বায়রা লাইফ ইনসিওরেন্স কোম্পানী লিমিটেড ২০২৫ সালে বীমা ব্যবসায়ের লাইসেন্স নবায়ন না করায় ক্ষোভ প্রকাশ করে বীমা খাতের নিয়ন্ত্রণকারী প্রতিষ্ঠান বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (আইডিআরএ)। এ জন্য ৫ মার্চ কোম্পানি দুটির মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা ও চেয়ারম্যানের কাছে আইডিআরএ’র পরিচালক (নিবন্ধন ও ব্যবস্থাপনা, লাইফ) আহম্মদ এহসান উল হান্নান স্বাক্ষরিত আলাদা আলাদাভাবে কারণ দর্শানোর চিঠি দেওয়া হয়।

জানা গেছে, আইডিআরএ বীমা গ্রাহকের পাওনা নিষ্পত্তির ব্যাপারে বেশ তৎপর হয়েছে। কোম্পানিগুলোর গ্রাহক পাওনা দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য আইডিআরএ’র চেয়ারম্যান ড. এম আসলাম আলমের নেতৃত্বে কর্তৃপক্ষের প্রশাসন, আইন, লাইফ ও নন লাইফের সদস্যসহ ৬টি কোম্পানির চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান, মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা, প্রধান হিসাব কর্মকর্তা ও কোম্পানি সচিবদের নিয়ে আলাদা আলাদাভাবে ১০ সদস্য বিশিষ্ট দ্বিপাক্ষিক সভা আইডিআরএ কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। আজ ২৩ মার্চ রোববার ছিল বায়রা, সানলাইফ ও পদ্মা ইসলামী লাইফের সভা।

আইডিআরএ’র একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা অর্থকাগজকে জানান, কর্তৃপক্ষ দীর্ঘ সময় ধরে গ্রাহকদের পাওনা সংক্রান্ত অনিষ্পন্ন বিষয়টি কর্তৃপক্ষ বেশ গুরুত্বের সঙ্গে নিয়েছে। কর্মকর্তা দৃঢ়কণ্ঠে বলেন, কোম্পানিগুলোকে গ্রাহকদের পাওনা পরিশোধ করতেই হবে। কোনো মাফ হবে না। কাউকে এ ব্যাপারে ছাড় দেওয়া হবে না। এ জন্য কোম্পানিগুলোকে দ্রুত কার্যকর কর্ম পরিকল্পনা প্রদানের জন্য ৭ দিনের সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছে। পাওনা পরিশোধে ব্যর্থ কটি কোম্পানির পরিচালকগণ আইডিআরএকে জানিয়েছেন জমি ও সম্পদ বিক্রি করে গ্রাহকের পাওনা পরিশোধ করবেন তারা।

অপর একটি সূত্র জানায়, গ্রাহকদের বীমা দাবী যথাসময়ে পরিশোধে ব্যর্থতার তালিকায় তৃতীয় প্রজন্মের জীবন বীমা কোম্পানি পদ্মা ইসলামী লাইফ ইনস্যুরেন্স কোম্পানী লিমিটেড এর অবস্থান ফারইষ্টের পরেই। শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত পদ্মা ইসলামী লাইফ ইনস্যুরেন্সের ব্যবসা ভালো যাচ্ছে না অনেক বছর ধরেই। এরই মধ্যে কোম্পানিটির লাইফ ইন্স্যুরেন্স ফান্ড ঋণাত্মক হয়ে গেছে। কোম্পানিটির আর্থিক হিসাবে নানা অসঙ্গতি খুঁজে পেয়েছে নিরীক্ষক। কোম্পানিটির ভবিষ্যতে ব্যবসা টিকিয়ে রাখা বা পরিচালনা করার সক্ষমতা নিয়ে শঙ্কা দেখা দিয়েছে। কোম্পানিটির সর্বশেষ ২০২৩ সালের আর্থিক হিসাব নিরীক্ষায় এ তথ্য দেয় নিরীক্ষক। নিরীক্ষকের হিসাব অনুয়ায়ী, বীমা কোম্পানিটির লাইফ ইন্স্যুরেন্স ফান্ড ঋণাত্মক ২৫৪ কোটি ৪১ লাখ টাকা। কোম্পানিটির ২০২৩ সালে পরিচালন নগদ প্রবাহ হয়েছে ঋণাত্মক ১৩ কোটি ৪৬ লাখ টাকা। এই দুই ঋণাত্মক হিসাব কোম্পানিটির ভবিষ্যতে ব্যবসা পরিচালনা করার সক্ষমতাকে শঙ্কার মধ্যে ফেলে দিয়েছে। কোম্পানিটিতে ২০২৩ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত বীমা দাবী দাঁড়িয়েছে ২২৫ কোটি ৬৬ লাখ টাকা। ২০২৪ সালে তা আরো বেশি।

অনিরীক্ষিত হিসাব অনুয়ায়ী সানলাইফের কাছে ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বীমা গ্রাহকদের পাওনা ৪০০ কোটি টাকা। সানফ্লাওয়ার লাইফ এবং হোমল্যান্ড লাইফের অবস্থাও শোচনীয়। প্রতিদিন গ্রাহক কোম্পানি দুটিতে পাওনা অর্থের জন্য ভীড় করছে। কোম্পানি দুটিতেও গ্রাহক পাওনার পরিমাণ দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। গত ডিসেম্বর পর্যন্ত হোমল্যান্ড লাইফ ইনস্যুরেন্স কোম্পানী লিমিটেড এর বীমা গ্রাহকদের অনিষ্পন্ন মেয়াদপূর্ণ দাবীর পরিমাণ ১৫৭ কোটি টাকা।

প্রগ্রেসিভ লাইফ ইনসিওরেন্স কোম্পানী লিমিটেড এর মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা সাইদুল আমিন জানান, নিয়ন্ত্রক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে গ্রাহক দাবী নিষ্পত্তির বিষয়ে আমাদের সভা হয়েছে। সভায় আইডিআরএ কটি নির্দেশনা দিয়েছে আমাদের কোম্পানিকে। এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, ডিসেম্বর পর্যন্ত দাবী বাবদ প্রগ্রেসিভ লাইফের কাছে গ্রাহক পাবে ১৫০ কোটি টাকা। 


img

চীনঘেঁষা মিয়ানমারে রাশিয়ার টাংস্টেন খনি, বাড়ছে উদ্বেগ

প্রকাশিত :  ০৮:৪৬, ০৭ জুন ২০২৬
সর্বশেষ আপডেট: ০৯:০৮, ০৭ জুন ২০২৬

মিয়ানমারের পূর্ব শান রাজ্যে রাশিয়ার প্রথম বিনিয়োগে গড়ে ওঠা খনি প্রকল্পে টাংস্টেন উত্তোলনের প্রস্তুতি চলছে। একই এলাকায় আগে থেকেই একটি বৃহৎ চীনা খনি প্রকল্প কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। এর মধ্যে রুশ প্রতিষ্ঠানের এই প্রবেশ নতুন করে ভূরাজনৈতিক প্রতিযোগিতা ও উত্তেজনার আশঙ্কা তৈরি করেছে বলে জানিয়েছে শান মানবাধিকার ফাউন্ডেশন।

মিয়ানমারের সংবাদমাধ্যম দ্য ইরাবতী এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে। 

গত বৃহস্পতিবার প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এসএইচআরএফ জানায়, মিয়ানমারের সামরিক সরকার রুশ প্রকল্পটিকে কার্যক্রম পরিচালনার অনুমোদন দিয়েছে। খনিটির অবস্থান পূর্ব শান রাজ্যের মংটন টাউনশিপের সর্বোচ্চ পর্বত লই খি লেকের উত্তর দিকে। এলাকাটি থাইল্যান্ড সীমান্ত থেকে প্রায় ২০ কিলোমিটার দূরে।

অন্যদিকে পর্বতটির দক্ষিণে মং জাউদ গ্রামাঞ্চলে একটি বৃহৎ চীনা টাংস্টেন খনি ইতোমধ্যে উৎপাদন শুরু করেছে। এসএইচআরএফের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে প্রকল্পটির কার্যক্রম শুরু হয়। সেখানে উৎপাদিত টাংস্টেন ইউনাইটেড ওয়া স্টেট আর্মির (ইউডব্লিউএসএ) সহযোগিতায় চীনে পাঠানো হচ্ছে। মং জাউদ এলাকা যৌথভাবে নিয়ন্ত্রণ করে ইউডব্লিউএসএ এবং মিয়ানমার সেনাবাহিনী।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, স্থানীয় বাসিন্দারা প্রথম রুশ প্রকল্পটির বিষয়ে জানতে পারেন ২০২৫ সালের মে মাসে। সে সময় একটি রুশ খনিজ জরিপকারী দল এলাকায় আসে। তাদের সঙ্গে ছিল জান্তা সরকারের সেনাসদস্য, পুলিশ ও স্থানীয় মিলিশিয়া সদস্যরা। পরে চলতি বছরের জানুয়ারিতে দলটি দ্বিতীয়বার সেখানে যায় এবং জমি পরিমাপের কাজ করে। তখন কয়েকজন গ্রামবাসীকে জানানো হয় যে, নেপিডো কর্তৃপক্ষ ইতোমধ্যে খনিজ উত্তোলনের অনুমতিপত্র দিয়ে দিয়েছে।

এসএইচআরএফের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পরে ইউডব্লিউএসএর এক প্রশাসক স্থানীয় গ্রামবাসীদের রুশ টাংস্টেন খনি প্রকল্পের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতে উৎসাহিত করেন। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পূর্ব শান রাজ্যে এটি রাশিয়ার প্রথম খনি উদ্যোগ হলেও রাজ্যের দক্ষিণাঞ্চলে লৌহ আকরিক খাতে দেশটির সম্পৃক্ততা আগে থেকেই রয়েছে। রুশ খনি কোম্পানিগুলো মিয়ানমারের সামরিক মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান মিয়ানমার ইকোনমিক কো-অপারেশনের (এমইসি) সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করেছে এবং হোপং টাউনশিপে একটি ইস্পাত কারখানা স্থাপন করেছে।

স্থানীয় জনগণের বিরোধিতা সত্ত্বেও ওই প্রকল্প এখনো চালু রয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

এসএইচআরএফ জানায়, মং জাউদের চীনা টাংস্টেন খনিটি ফেব্রুয়ারিতে উৎপাদন শুরু করে। বর্তমানে সেখানে প্রায় ১০০ জন চীনা কর্মী কাজ করছেন, যাদের বেশিরভাগই ব্যবস্থাপক ও প্রযুক্তিবিদ। এ ছাড়া প্রায় ২৫০ জন মিয়ানমার নাগরিক শ্রমিকও সেখানে কর্মরত আছেন। প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৫ সালে খনির বর্জ্যে দূষিত পাক গুট ঝরনার পানির সংস্পর্শে এসে আশপাশের গ্রামের মানুষ চর্মরোগে আক্রান্ত হন।

এ ছাড়া খনি থেকে আসা বালুমিশ্রিত পলির কারণে স্থানীয়দের ধানক্ষেত ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। খনিতে পানি সরবরাহের জন্য ঝরনার প্রবাহ আটকে দেওয়ায় গ্রামবাসীদের গৃহস্থালি ও কৃষিকাজের জন্য ব্যবহৃত পানির উৎসও শুকিয়ে গেছে।

এসএইচআরএফ আরও বলেছে, পূর্ব শান রাজ্যের খনিজ উত্তোলন শিল্প, বিশেষ করে রেয়ার আর্থ খনিজ ও স্বর্ণখনি কার্যক্রম দীর্ঘদিন ধরে চীনা কোম্পানিগুলোর নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠান সাধারণত চীনঘনিষ্ঠ সশস্ত্র গোষ্ঠী ইউডব্লিউএসএ এবং মিয়ানমার ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক অ্যালায়েন্স আর্মির সহযোগিতায় কাজ করে থাকে। এর আগে সংস্থাটি জানিয়েছিল, থাইল্যান্ড-মিয়ানমার সীমান্তজুড়ে রেয়ার আর্থ ও স্বর্ণখনি প্রকল্প দ্রুত সম্প্রসারিত হচ্ছে। এর ফলে সীমান্তের উভয় পাশে বসবাসকারী স্থানীয় জনগোষ্ঠী গুরুতর সামাজিক ও পরিবেশগত ক্ষতির মুখে পড়ছে।


অর্থনীতি এর আরও খবর