img

দেশের বাজারে কমল সোনার দাম

প্রকাশিত :  ১৬:০৪, ০৩ মে ২০২৫

দেশের বাজারে কমল সোনার দাম

দেশের বাজারে কিছুটা কমেছে সোনার দাম। এবার প্রতি ভরিতে ভালো মানের সোনার (২২ ক্যারেট) দাম কমেছে তিন হাজার ৫৬৯ টাকা। এখন থেকে দেশের বাজারে প্রতি ভরি ২২ ক্যারেটের সোনা বিক্রি হবে এক লাখ ৬৮ হাজার ৯৭৬ টাকায়। আগামীকাল রবিবার থেকে সারা দেশে নতুন এ দর কার্যকর হবে।

আজ শনিবার (৩ মে) বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সোনার এ দাম কমার তথ্য জানায়।

এতে বলা হয়, স্থানীয় বাজারে তেজাবী (পিওর গোল্ড) সোনার মূল্য হ্রাস পেয়েছে। সে কারণে সোনার দাম সমন্বয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাজুস।

নতুন মূল্য অনুযায়ী ২১ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম কমিয়ে এক লাখ ৬১ হাজার ৩০১ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

এ ছাড়া ১৮ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম এক লাখ ৩৮ হাজার ২৫৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। আর সনাতন পদ্ধতির এক ভরি সোনার দাম এক লাখ ১৪ হাজার ২৯৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

অপরিবর্তিত আছে রুপার দাম। ক্যাটাগরি অনুযায়ী ২২ ক্যারেটের রুপার দাম ভরি দুই হাজার ৮৪৬ টাকা।

২১ ক্যারেটের রুপার দাম ভরি দুই হাজার ৭১৮ টাকা এবং ১৮ ক্যারেটের রুপার দাম ভরি দুই হাজার ৩৩৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়।

আর সনাতন পদ্ধতির এক ভরি রুপার দাম এক হাজার ৭৫০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

অর্থনীতি এর আরও খবর

img

একীভূত পাঁচ ব্যাংকের ক্ষেত্রে নতুন সিদ্ধান্ত বাংলাদেশ ব্যাংকের

প্রকাশিত :  ০৫:৫৭, ০২ মে ২০২৬

দেশের একীভূত পাঁচটি শরিয়াহভিত্তিক ব্যাংকে অন্যান্য ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের বিপুল পরিমাণ অর্থ আটকে রয়েছে, যা এই খাতে চাপ তৈরি করেছে। সে চাপ কমাতে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। তা হলো আটকে থাকা এসব অর্থের বিপরীতে প্রভিশন বা নিরাপত্তা সঞ্চিতি রাখার বাধ্যবাধকতা তুলে দিয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট বিভাগ বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) এ সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছে । এতে সংশ্লিষ্ট ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো আপাতত অতিরিক্ত আর্থিক চাপ থেকে কিছুটা স্বস্তি পাবে।

একীভূত হওয়া ব্যাংকগুলো হলো- ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী, গ্লোবাল ইসলামী, ইউনিয়ন, সোশ্যাল ইসলামী ও এক্সিম ব্যাংক। আর্থিক সংকটের কারণে এসব ব্যাংককে একীভূত করে একটি কাঠামোর আওতায় আনা হয়েছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, অনেক আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও ব্যাংকের আমানত একীভূত ব্যাংকে রয়েছে। এসব অর্থ সেসব প্রতিষ্ঠানের বিনিয়োগ, তাই এসব বিনিয়োগের বিপরীতে প্রভিশন রাখার বাধ্যবাধকতা তুলে দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। 

বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, এই পাঁচ ব্যাংকের কাছে অন্যান্য ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ১৫ হাজার কোটি টাকার বেশি অর্থ আটকে ছিল। এর মধ্যে একটি ইসলামী ব্যাংকেরই প্রায় ৮ হাজার ৪২৫ কোটি টাকা। তা থেকে আংশিক ফেরত মিললেও এখনো প্রায় ৮ হাজার ২৭৯ কোটি টাকা আটকে রয়েছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের একজন কর্মকর্তা বলেন, শুরুতে ব্যাংক সুপারভিশন বিভাগ (বিএসডি) ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও বাজার বিভাগ (ডিএফআইএম) থেকে আটকে থাকা অর্থের বিপরীতে প্রভিশন রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল। তবে পরে ব্যাংক রেজোল্যুশন বিভাগ (বিআরডি) জানায়, এ ধরনের অর্থের ক্ষেত্রে প্রভিশন রাখার প্রয়োজন নেই।

আটকে থাকা অর্থ একটি বিশেষ স্কিমের আওতায় রয়েছে জানিয়ে ওই কর্মকর্তা আরও বলেন, ভবিষ্যতে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলো হয় সরাসরি অর্থ ফেরত পাবে, নয়তো দীর্ঘমেয়াদি আমানত (এফডিআর) বা শেয়ারের মাধ্যমে সমপরিমাণ মূল্য পাবে। ফলে অর্থ পুরোপুরি ক্ষতির মুখে পড়ার ঝুঁকিতে নেই।

এ বিষয়ে খাতসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের এ সিদ্ধান্তে স্বল্প মেয়াদে চাপ কমলেও দীর্ঘ মেয়াদে আটকে থাকা অর্থ পুরোপুরি আদায় করা এখনো বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবেই রয়ে গেছে।