img

মুগ্ধর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হলেন সাবেক ছাত্রলীগ নেত্রী

প্রকাশিত :  ০৮:৫৯, ০৬ মে ২০২৫

মুগ্ধর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হলেন সাবেক ছাত্রলীগ নেত্রী

বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালস-বিইউপিতে সম্প্রতি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাবেক সহসভাপতি মৌমিতা রহমান ঈপ্সিতাকে আইন বিভাগের শিক্ষিকা হিসাবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষার্থীদের মাঝে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। 

মৌমিতা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন-৪৫ ব্যাচের শিক্ষার্থী। তিনি ২০২২ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সহসভাপতি ছিলেন। তার বাবা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও চেয়ারম্যান ছিলেন। জুলাই আন্দোলনে মিরপুরে বিইউপি শিক্ষার্থীদের নেতৃত্বে সর্বপ্রথম আন্দোলন হয়। আন্দোলনে বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই শিক্ষার্থী মীর মুগ্ধ ও আইন বিভাগের জোবায়ের শহিদ হন। 

সাবেক ছাত্রলীগ নেত্রী মৌমিতার নিয়োগ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিইউপি ক্যাম্পাসে আলোচনা-সমালোচনা চলছে। ফেসবুকে এনসিপির নেতাসহ বিইউপির বর্তমান ও সাবেক শিক্ষার্থীরা তাদের প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। এই ঘটনার প্রতিবাদে সোমবার এনসিপির সংগঠক ও বিইউপির সাবেক শিক্ষার্থী আবদুল্লাহ আল মনসুর ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দেন। সেখানে তিনি লেখেন, ৫ আগস্ট এ দেশের জনগণ রায় দিয়েছিল এ দেশে কোনো লীগের অস্তিত্ব থাকবে না। কিন্তু দুঃখের বিষয় হলো, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সহসভাপতি মৌমিতা রহমান ঈপ্সিতাকে পুনর্বাসন করা হয়েছে বিইউপির আইন বিভাগের শিক্ষক হিসাবে।


শিক্ষা এর আরও খবর

img

ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির অধ্যাদেশ চূড়ান্ত, অনুমোদনের অপেক্ষায়

প্রকাশিত :  ১১:৫৮, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬

ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি অধ্যাদেশের চূড়ান্ত খসড়া প্রস্তুত হয়েছে। শিক্ষা অধিদপ্তরের তথ্যমতে, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ পর্যায়ের সব প্রক্রিয়া শেষ করে আজ রোববার খসড়াটি মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে পাঠানো হয়েছে।

ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি অধ্যাদেশ চূড়ান্ত করা হয়েছে বলে জানিয়েছে শিক্ষা অধিদপ্তর। মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ পর্যায়ের সব প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে চূড়ান্ত খসড়া আজ রবিবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে পাঠানো হয়েছে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ বিভাগের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। দ্রুততম সময়ে অধ্যাদেশটি যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদন হবে বলে জানা গেছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি অধ্যাদেশ চূড়ান্তকরণের পূর্বে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগকে সম্পৃক্ত মন্ত্রণালয়/বিভাগ এর মতামত সংগ্রহ, ওয়েবসাইটে প্রকাশের মাধ্যমে সর্বসাধারণের মতামত গ্রহণ, শিক্ষক-শিক্ষাথী-সুশীল সমাজের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠান, বিশেষজ্ঞদের অভিমত গ্রহণ এর মত বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ অতিক্রম করতে হয়েছে।

অধ্যাদেশ এর খসড়া চূড়ান্ত করার ক্ষেত্রে সকলের যৌক্তিক প্রত্যাশার প্রতিফলন ঘটিয়ে এবং উদ্বেগসমূহকে বিবেচনায় নিয়ে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পর্যায়ে মানসম্পন্ন শিক্ষা নিশ্চিত করার উপযোগী কাঠোমা নির্ধারণ করাই ছিল মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ এর মূল লক্ষ্য। সকলের ধৈর্যশীল সহযোগিতা এবং গঠনমূলক ভূমিকার কারণেই শিক্ষা মন্ত্রণালয় জটিল এ প্রক্রিয়া চূড়ান্ত পর্যায়ে নিয়ে আসতে সক্ষম হয়েছে। মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ সময়ে সময়ে প্রেস রিলিজের মাধ্যমে ধারাবাহিক অগ্রগতির তথ্য সর্বসাধারণকে অবহিত করেছে।

টেকসই ও বিশ্বমানের বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে মৌলিক ও উপরিকাঠামোগত সংস্কারের কাজগুলো সুশৃঙ্খলভাবে ধাপে ধাপে এবং যথাযথভাবে সম্পন্ন করতে হয়। যে কোন পর্যায়ে যেকোনো ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি বা বিশৃঙ্খলা পুরো উদ্যোগকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে। 

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা খালিদ মাহমুদ স্বাক্ষরিত ওই প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, শিক্ষা মন্ত্রণালয় অধ্যাদেশটি যেহেতু এখন সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায়ে অনুমোদনের অপেক্ষায় আছে, সেহেতু জনদুর্ভোগ সৃষ্টি হয় বা স্বাভাবিক জনজীবন ব্যাহত হয় এমন কোনো কর্মসূচি বা কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকার জন্য সংশ্লিষ্ট সকলকে আহ্বান করা যাচ্ছে। যেকোনো আবেগপ্রসূত বা অস্থিতিশীল পরিস্থিতি দীর্ঘদিনের এই অর্জন ও শ্রমকে নসাৎ করে দিতে পারে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় বিশ্বাস করে, দীর্ঘদিনের ধৈর্য্য ও পারস্পরিক সহযোগিতার এই ধারা অব্যাহত রেখে আমরা অতি দ্রুত ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির আনুষ্ঠানিক যাত্রা নিশ্চিত করতে পারব, যা বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষার প্রসারে এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে বলে মনে করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।