img

জবির দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের সংশোধিত প্রকল্প অনুমোদন

প্রকাশিত :  ০৯:১৯, ২৯ মে ২০২৫

জবির দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের সংশোধিত প্রকল্প অনুমোদন

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের সংশোধিত প্রকল্প প্রস্তাব (আরডিপিপি) অনুমোদিত হয়েছে।

 বুধবার (২৮ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ, তথ্য ও প্রকাশনা দপ্তর থেকে প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সংশোধিত দ্বিতীয় ক্যাম্পাস প্রকল্প অনুমোদিত হয়েছে। পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় প্রকল্পের সরকারি আদেশ (জিও) ইস্যু করেছে। এটি বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য একটি ঐতিহাসিক অর্জন এবং যুগান্তকারী অগ্রগতি।

সংশ্লিষ্টদের ধন্যবাদ জানিয়ে বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এই দীর্ঘপথে নিরলস সমর্থন দেওয়ায় সকল শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীর প্রতি আন্তরিক ধন্যবাদ এবং অভিনন্দন জানাচ্ছে।

এ বিষয়ে দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের প্রকল্প পরিচালক (বিশ্ববিদ্যালয় হতে নিযুক্ত) ইঞ্জিনিয়ার আমিরুল ইসলাম বলেন, শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে জিও এর মাধ্যমে লিখিতভাবে বিস্তারিত জানানো হবে। আরডিপিপি পাস হয়েছে। তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে আর্মির সমঝোতা চুক্তি সম্পন্ন হলেই সেনাবাহিনী কাজ শুরু করবে।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রেজাউল করিম বলেন, আমাদের প্রত্যাশিত দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের আরডিপিপি অনুমোদিত হয়েছে। এটি জবির একটি বিশাল অর্জন এবং অগ্রগতি। শিক্ষার্থীদের অক্লান্ত শ্রম, শিক্ষকদের সমর্থন ও প্রচেষ্টা এই কৃতিত্বের দাবিদার। আমরা চেষ্টা করেছি এবং সফল হয়েছি। ভবিষ্যতে বিশ্ববিদ্যালয়ের যেসব ছাত্রছাত্রী আসবে, তাদের জন্য এটি একটি বড় অর্জন এবং মাইলফলক হয়ে থাকবে।

এর আগে, গত ১৬ জানুয়ারি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপসচিব আহমেদ শিবলী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে ‘জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন ক্যাম্পাস স্থাপন: ভূমি অধিগ্রহণ ও উন্নয়ন’ শীর্ষক প্রকল্পের কাজ ‘অর্পিত ক্রয় কার্য’ হিসেবে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কাছে হস্তান্তর এবং বাস্তবায়নের নির্দেশনা দেওয়া হয়।


শিক্ষা এর আরও খবর

img

ছাত্রীর আত্মহত্যা: ঢাবি শিক্ষক সুদীপকে একাডেমিক কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি

প্রকাশিত :  ০৯:৫৯, ২৮ এপ্রিল ২০২৬

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) থিয়েটার অ্যান্ড পারফরম্যান্স স্টাডিজ বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. সুদীপ চক্রবর্তীকে বিভাগের সব ধরনের একাডেমিক দায়িত্ব ও কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

বিভাগের শিক্ষার্থী মুনিরা মেহজাবিনের আত্মহত্যা এবং এ ঘটনায় ড. সুদীপের গ্রেপ্তারকে ঘিরে উদ্ভূত পরিস্থিতির পরিপ্রেক্ষিতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

গতকাল সোমবার (২৭ এপ্রিল) বিভাগটির চেয়ারম্যান কাজী তামান্না হক সিগমার সই করা  এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বিভাগের ২০২৪ সালের এমএ ২য় সেমিস্টারের মেধাবী শিক্ষার্থী মুনিরা মেহজাবিন অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে আমাদের সবাইকে শোকে স্তব্ধ করে দিয়ে চলে গেছেন। ওই ঘটনার পর বিভাগের শিক্ষক সহযোগী অধ্যাপক ড. সুদীপ চক্রবর্তীকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী গ্রেফতার করেছে। মামলা হওয়ায় তাকে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।

উদ্ভূত পরিস্থিতিতে ২৬ এপ্রিল তারিখ বিশেষ একাডেমিক কমিটির সভায় এই সিদ্ধান্ত হয় যে, আইন প্রক্রিয়া নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত বিভাগের সব ধরনের একাডেমিক কার্যক্রম, ক্লাস এবং সব পরীক্ষা কমিটি থেকে ড. সুদীপ চক্রবর্তীকে অব্যাহতি দেওয়া হলো।

এর আগে গত রোববার ভোরে উত্তর বাড্ডার একটি বাসা থেকে ঢাবি ছাত্রী মুনিরা মাহজাবিন মিমোর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় নিহতের বাবা বাদী হয়ে বাড্ডা থানায় মামলা করেন। মামলার পর ওই দিনই বিকেলে রাজধানীর উদয় ম্যানসন এলাকা থেকে সুদীপ চক্রবর্তীকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

মিমোর পরিবার সূত্রে জানা গেছে, মিমো সচরাচর দরজা খোলা রেখে ঘুমাতেন। তবে ঘটনার দিন ফজরের আজানের পর দরজা বন্ধ দেখে পরিবারের সদস্যরা ধাক্কাধাক্কি করেন। তবে কোনো সাড়া না পেয়ে দরজা ভেঙে ঝুলন্ত লাশ দেখতে পান। তার সহপাঠীরা জানিয়েছেন, রোববার সকাল ৯টার দিকে তারা খবর পেয়ে বাড্ডা এলাকায় তার বাসভবনে আসেন। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার হওয়া সুইসাইড নোটে সুদীপ চক্রবর্তী ও আরেক ছাত্রীর নাম থাকায় তাদের হেফাজতে নেয় পুলিশ।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার হওয়া সুইসাইড নোটে লেখা ছিল— ‘সুদীপ স্যারকে ৫০ হাজার টাকা দিতে হবে। ... (সহপাঠী) আর সুদীপ স্যার ভালো থাকো, স্যারের দেওয়া গিফটগুলো ফেরত দেয়া...।’