img

ভারতে করোনা সংক্রমণ ৬ হাজার ছাড়িয়েছে, ৬৫ জনের মৃত্যু

প্রকাশিত :  ০৮:৫৪, ১০ জুন ২০২৫
সর্বশেষ আপডেট: ১০:৫৫, ১০ জুন ২০২৫

ভারতে করোনা সংক্রমণ ৬ হাজার ছাড়িয়েছে, ৬৫ জনের মৃত্যু

ভারতে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে। সোমবার একদিনে ৩৫৮ জন‌ করোনায় আক্রান্ত হয়েছে দেশটিতে। এই মুহূর্তে ভারতে সক্রিয় করোনা রোগীর সংখ্যা ৬৪৯১ জন। 

সোমবার সন্ধ্যা পর্যন্ত ৬৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। ভারত সরকারের স্বাস্থ্য মন্ত্রাণলয় থেকে এই তথ্য জানানো হয়েছে। 

এর মধ্যে কেরালা রাজ্যে সবচেয়ে বেশি মানুষ আক্রান্ত হয়েছেন। সেখানে সক্রিয় আক্রান্তের সংখ্যা ১,৯৫৭ জনে পৌঁছেছে। এরপরেই রয়েছে গুজরাট, পশ্চিমবঙ্গ এবং দিল্লি। 
গত ২৪ ঘন্টায় রাজধানী দিল্লিতে ৪২ জন নতুন করে করোনা আক্রান্তের খবর পাওয়া গেছে। ফলে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৭২৮ জনে দাঁড়িয়েছে 
সোমবার পর্যন্ত পশ্চিমবঙ্গে ৫৪ জন নতুন করোনা আক্রান্তের সন্ধান পাওয়া গেছে। ফলে এ রাজ্যে মোট সক্রিয় আক্রান্তের সংখ্যা ৭৪৭ এ পৌঁছেছে, যা বর্তমানে কেরালা (১,৯৫৭) এবং গুজরাট (৯৮০) এর পরে দেশটির তৃতীয় সর্বোচ্চ। 

এদিকে, সোমবার করোনা নিয়ে পর্যালোচনা বৈঠকে বসেছিলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি সকলকে আতঙ্কিত না হওয়ার আবেদন জানিয়েছেন। তিনি বলেন, কোভিড শব্দটি শুনলেই আমরা ভয় পাই। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। তবে বেসরকারি হাসপাতালের পরিস্থিতি নিয়ে তিনি কিছু বলতে চাননি।

ভারতে করোনা সংক্রমণের নতুন ওমিক্রন উপ-ভেরিয়েন্ট ছড়াচ্ছে। এগুলো হল, জেএন১, এনবি.১.৮.১, এলএফ৭ এবং এক্সএফসি। এগুলোর সংক্রমণ ক্ষমতা বৃদ্ধি পেয়েছে বলে জানা গেছে। তবে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই হালকা লক্ষণ দেখা গেছে। 

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বর্তমানে এগুলোকে "পর্যবেক্ষণাধীন রূপ" হিসেবে শ্রেণীবদ্ধ করেছে। জানানো হয়েছে, এখনও উদ্বেগের কারণ নেই, তবে সতর্কতা প্রয়োজন। 

img

কিছু পুরোনো মিত্র দেশের আচরণে আমি হতাশ : ট্রাম্প

প্রকাশিত :  ০৫:৩৯, ১৭ মার্চ ২০২৬

হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী তেলবাহী জাহাজগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুরোনো মিত্র দেশগুলোর প্রতি যুদ্ধজাহাজ পাঠানোর আহ্বান জানিয়েছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট Donald Trump। তবে তার এই আহ্বানে সাড়া না দিয়ে তা প্রত্যাখ্যান করেছে সংশ্লিষ্ট মিত্র দেশগুলো। এতে হতাশা ও অসন্তোষ প্রকাশ করে তিনি বলেন, কয়েক দশক ধরে যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তা নেওয়ার পরও তারা কৃতজ্ঞতার পরিচয় দিচ্ছে না।

রয়টার্সের খবরে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ইরানের বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধ এখন তৃতীয় সপ্তাহে প্রবেশ করেছে এবং এর শেষ কবে হবে তা স্পষ্ট নয়। বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) যাতায়াতের গুরুত্বপূর্ণ পথ হরমুজ প্রণালি বর্তমানে প্রায় বন্ধ হয়ে আছে। এতে জ্বালানির দাম বেড়ে যাওয়ার পাশাপাশি বৈশ্বিক মুদ্রাস্ফীতির আশঙ্কাও বাড়ছে।

এই সংঘাত ইতোমধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র দেশগুলোর ওপর অর্থনৈতিক চাপ সৃষ্টি করেছে। কারণ, ইরানের ওপর বিমান হামলার আগে তাদের সঙ্গে পরামর্শ করা হয়নি। এছাড়া ক্ষমতায় ফিরে আসার পর থেকেই ট্রাম্প তার মিত্রদের বিরুদ্ধে কঠোর সমালোচনা ও হুমকিমূলক বক্তব্য দিয়ে আসছেন।

মার্কিন মিত্রদের মধ্যে জার্মানি, স্পেন এবং ইতালি জানিয়েছে, কৌশলগত জলপথটি পুনরায় চালু করতে তারা আপাতত কোনো যুদ্ধজাহাজ পাঠানোর পরিকল্পনা করছে না। ইরান ড্রোন ও নৌ-মাইন বসিয়ে কার্যত পথটি বন্ধ করে রেখেছে।

জার্মানির চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মের্জ বার্লিনে বলেন, জার্মান সংবিধান অনুযায়ী এ ধরনের পদক্ষেপ নিতে হলে জাতিসংঘ, ইউরোপীয় ইউনিয়ন অথবা ন্যাটোর অনুমোদন প্রয়োজন। কিন্তু ওয়াশিংটন ও ইসরায়েল যুদ্ধ শুরুর আগে জার্মানির সঙ্গে কোনো আলোচনা করেনি।

ওয়াশিংটনে হোয়াইট হাউসের এক অনুষ্ঠানে ট্রাম্প বলেন, অনেক দেশ আমাকে সহায়তার আশ্বাস দিলেও কিছু পুরোনো মিত্র দেশের আচরণে আমি হতাশ।

তিনি বলেন, কিছু দেশ এতে খুবই আগ্রহী, আবার কিছু নয়। এমন কিছু দেশ আছে যাদের আমরা বহু বছর ধরে সাহায্য করেছি এবং বাইরের ভয়াবহ হুমকি থেকে রক্ষা করেছি। কিন্তু তারা খুব একটা আগ্রহ দেখায়নি। আর সেই আগ্রহের মাত্রা আমার কাছে গুরুত্বপূর্ণ।


আন্তর্জাতিক এর আরও খবর