img

বিবিসিসিআই ইয়ুথ ফোরামের কমিটি গঠন সম্পন্ন

প্রকাশিত :  ১২:১০, ১০ জুলাই ২০২৫
সর্বশেষ আপডেট: ১২:২৪, ১০ জুলাই ২০২৫

বিবিসিসিআই ইয়ুথ ফোরামের কমিটি গঠন সম্পন্ন

ব্রিটিশ বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (বিবিসিসিআই)–এর ইয়ুথ ফোরামের নতুন কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। গত ০৯ই আগস্ট বুধবার লন্ডনের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত এক সভায় এ কমিটির আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়।  

উক্ত সভায় সভাপতিত্ব করেন সংগঠনটির সভাপতি রফিক হায়দার এবং সঞ্চালনা করেন ডাইরেক্টর জেনারেল ব্যারিষ্টার দেওয়ান মাহদি। প্রগ্রামের শুরুতেই পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত করেন সৈয়দ ফোরকান হোসাইন। সভায় বক্তব্য রাখেন সাবেক সভাপতি প্রফেসর শাহগীর বখত ফারুক, সাবেক সভাপতি এম আর চৌধুরী মাহতাব, সংগঠনটির ডিরেক্টর আহমেদ উস সামাদ চৌধুরী জেপি, মুহিব চৌধুরী, ডক্টর সানাওয়ার চৌধুরী, কাউন্সিলর জাহাঙ্গীর হক, ফাইন্যান্স ডিরেক্টর হেলাল উদ্দিন খান, লন্ডন রিজিয়ন এর প্রেসিডেন্ট মনির আহমেদ, ইস্ট অব ইংল্যান্ড এর প্রেসিডেন্ট ডক্টর শাহানুর খান।

ইয়ুথ ফোরামের নতুন কমিটিতে সভাপতি মনোনীত হয়েছেন মোঃ রাসেল হোসাইন, সেক্রেটারি জেনারেল পদে মোস্তাক নাদিম সানি, ট্রেজারার পদে মাহিদ রাজা চৌধুরী এবং সাংগঠনিক পদে মনোনীত হয়েছেন নাজমুল হুদা। 

কমিটির অন্যান্য দায়িত্বপ্রাপ্তরা হলেন: ভাইস প্রেসিডেন্ট সৈয়দ ফোরকান হোসাইন, ভাইস প্রেসিডেন্ট ইফতেখার আহমেদ সিদ্দিকী, জয়েন্ট সেক্রেটারি আব্দুল কারিম, প্রেস সেক্রেটারি আসাদুজ্জামান সাফি, মেম্বারশীপ সেক্রেটারি ওয়ারকান হাসান, স্পোর্টস সেক্রেটারি খন্দকার হোসাইন আহমেদ ইমন, এক্সিকিউটিভ সদস্যবৃন্দরা হলেন, মোঃ তওফিকুল আলম, হাসনাত চৌধুরী, ইফতেখার জিসান, আকমল রনি। 

সভা থেকে বিবিসিসিআই এর সাবেক সভাপতি এম আর চৌধুরী মাহতাব-কে ইয়ুথ ফোরামের উপদেষ্টা হিসেবে ঘোষণা করা হয়।

সভায় বক্তারা বলেন, টেকনোলজি যেভাবে এগিয়ে যাচ্ছে, তাতে তরুণরা ব্যবসা ও উদ্যোক্তা জগতে আরও বেশি করে যুক্ত হচ্ছে। নতুন নতুন উদ্ভাবন ও ডিজিটাল দক্ষতা কাজে লাগিয়ে তারা নিজস্ব ব্যবসা গড়ে তুলছে, কর্মসংস্থান তৈরি করছে এবং বিশ্ববাজারে নিজেদের অবস্থান তৈরি করছে।

তরুনদের নিয়ে বিবিসিসিআই এর নতুন উদ্যোগ ইতিহাসের এক মাইলফলক হয়ে থাকবে। ইয়ুথ ফোরামের নতুন এই নেতৃত্বের মাধ্যমে ব্যাপকহারে তরুণদের ব্যবসা বানিজ্যে সম্পৃক্ত, নতুন নতুন উদ্যোক্তা তৈরি এবং ব্রিটিশ বাংলাদেশি তরুণদের সোসাইটির মূলধারার ব্যবসায় সম্পৃক্ত করতে তাৎপর্যপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

কমিউনিটি এর আরও খবর

img

ইতালিতে একই পরিবারের তিন বাংলাদেশিকে ছুরিকাঘাতে হত্যা

প্রকাশিত :  ০৬:৫০, ২৭ জুন ২০২৬

ইতালির রাজধানী রোমে একই পরিবারের তিন বাংলাদেশি নাগরিককে ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়েছে। শুক্রবার (২৬ জুন) স্থানীয় সময় রাত প্রায় ৯টার দিকে শহরের পশ্চিমাঞ্চলের কাসালোত্তি এলাকার ভিয়া মন্তিলিও সড়কের একটি অ্যাপার্টমেন্টে এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন নোয়াখালীর বসুরহাটের বাসিন্দা কামাল, তার স্ত্রী এবং তাদের পাঁচ বছর বয়সী মেয়ে। হামলায় তাদের ১৮ বছর বয়সী ছেলে গুরুতর আহত হয়েছেন। তাকে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসকরা জানান, তার অবস্থা বর্তমানে স্থিতিশীল এবং তিনি আশঙ্কামুক্ত।

স্থানীয় গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, এক অজ্ঞাত ব্যক্তি ধারালো অস্ত্র নিয়ে পরিবারের সদস্যদের ওপর হামলা চালায়।

হামলায় অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে কামাল, তার স্ত্রী ও ছোট মেয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান। এ সময় প্রাণ বাঁচাতে বাসা থেকে বেরিয়ে আশপাশের লোকজনের কাছে সাহায্য চাইতে যান পরিবারের ১৮ বছর বয়সী ছেলে। কিন্তু হামলাকারী তাকেও ছুরিকাঘাত করে দ্রুত ঘটনাস্থল ছেড়ে পালিয়ে যায়। প্রতিবেশীরা বিষয়টি টের পেয়ে জরুরি সেবায় খবর দিলে পুলিশ, অ্যাম্বুলেন্স এবং ইতালির কারাবিনিয়েরি বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছান।

পরে নিহত তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয় এবং আহত তরুণকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তার শরীরেও ছুরির আঘাত ছিল। তবে সেই আঘাত প্রাণঘাতী ছিল না। 

ঘটনার পর পুরো এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করেছে রোম পুলিশ। হত্যাকাণ্ডে জড়িত ব্যক্তিকে শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।

পাশাপাশি ঘটনার প্রকৃত কারণ জানতে তদন্ত শুরু করেছেন আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর সদস্যরা।

তদন্ত কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, কী কারণে এই হত্যাকাণ্ড ঘটেছে তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। এটি ব্যক্তিগত বিরোধ, ডাকাতির চেষ্টা নাকি অন্য কোনো উদ্দেশ্যে সংঘটিত হয়েছে- সব সম্ভাবনা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ইতালির সংবাদ সংস্থা আনসা ও এজিআই জানিয়েছে, তিনজনই বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ছিলেন। তাদের প্রত্যেকের শরীরে ছুরির আঘাত ছিল এবং সেই আঘাতেই তাদের মৃত্যু হয়েছে। এই পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ডের কারণ এখনো পুরোপুরি অজানা। এতে তদন্তকারীরা দ্বন্দ্বে পড়েছেন। স্থানীয় পুলিশ জানিয়েছে, পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে আগে কোনো অপরাধের রেকর্ড ছিল না।

এদিকে ফরেনসিক বিশেষজ্ঞরা ঘটনাস্থল থেকে বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করছেন। তদন্তের স্বার্থে ফ্ল্যাটটি ঘিরে রাখা হয়েছে। আশপাশের সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজও সংগ্রহ করা হচ্ছে, যাতে হামলাকারীর পরিচয় শনাক্ত করা যায়।

রোম পুলিশের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বলেন, ঘটনাটি অত্যন্ত নৃশংস। অপরাধীকে দ্রুত আইনের আওতায় আনতে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত ও অভিযান চালানো হচ্ছে। স্থানীয় সংবাদমাধ্যম ইল মেসাজ্জেরোর তথ্য অনুযায়ী, পুলিশ প্রথমে সন্দেহ করছে যে ঘটনায় পরিবারের পরিচিত কেউ বা কোনো পারিবারিক বন্ধু জড়িত থাকতে পারেন। তবে কর্তৃপক্ষ বলেছে, এটি এখনো নিশ্চিত নয়, শুধু তদন্তের একটি সম্ভাব্য দিক। আর হত্যাকারী এখনো ধরা পড়েনি বলে তদন্তের বিস্তারিত তথ্য গোপন রাখা হচ্ছে।


কমিউনিটি এর আরও খবর