দেশব্যাপী ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী
প্রকাশিত :
১১:০৮, ১৩ জুন ২০২৬
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশব্যাপী ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেছেন।
আজ শনিবার (১৩ জুন) দুপুরে কক্সবাজারের পিএমখালীর ডুলাহাজারার মালুমঘাট সংরক্ষিত বনে একটি চারা রোপণের মাধ্যমে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন তিনি।
আগামী পাঁচ বছরে বাস্তবায়িত হতে যাওয়া কর্মসূচিটির মাধ্যমে পরিবেশ সংরক্ষণ ও কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে সরকার।
সরকারি সূত্রে জানা গেছে, আগামী পাঁচ বছরে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে মোট ২৫ কোটি গাছের চারা রোপণ করা হবে। এ কর্মসূচির মাধ্যমে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে প্রায় সাড়ে তিন লাখ মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য কর্মসূচির আওতায় ২৫ হাজার ৯৬০ হেক্টর ব্লক বাগানে ৪ কোটি ২৮ লাখ ৯৭ হাজার চারা, ৩ হাজার ৭২৭ কিলোমিটার স্ট্রিপ বাগানে ৩৭ লাখ ২৭ হাজার চারা এবং ৪ হাজার হেক্টর ম্যানগ্রোভ বাগানে ১ কোটি ৭৭ লাখ ৭৬ হাজার চারা রোপণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। পাশাপাশি বসতবাড়ি বনায়নের জন্য আরও ৫৬ লাখ চারা বিতরণ ও রোপণের পরিকল্পনা রয়েছে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন- স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, বন, পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী আব্দুল আউয়াল মিন্টু, প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলামসহ অন্য মন্ত্রী ও সংসদ সদস্যরা ১১ প্রজাতির গাছের চারা রোপণ করেন।
টাওয়ার হ্যামলেটসে নির্মাণ শিল্পে ক্যারিয়ার মেলায় তরুণ-তরুণীদের ব্যাপক সাড়া
প্রকাশিত :
১৪:৪১, ১২ জুলাই ২০২৬
ছবির ক্যাপশন: ক্যারিয়ার মেলায় (বাম থেকে ডানে) ওজেল গ্রুপ লিমিটেড এর প্রজেক্ট ম্যানেজার পিওতর ই
গত সপ্তাহে টাওয়ার হ্যামলেটসে অনুষ্ঠিত হওয়া \"কনস্ট্রাকশন ক্যারিয়ার্স শোকেস ২০২৬\" শীর্ষক এক বিশেষ অনুষ্ঠানে নির্মাণ শিল্পে হাতে-কলমে অভিজ্ঞতা অর্জনের এক বিশেষ সুযোগ পেলেন টাওয়ার হ্যামলেটসের শত শত চাকরি প্রত্যাশী।
জনসংখ্যা ও উন্নয়নের দিক থেকে টাওয়ার হ্যামলেটস বর্তমানে দেশের দ্রুততম বর্ধনশীল এলাকা। ২০১১ সাল থেকে এই বরা লন্ডনের যেকোনো বরার তুলনায় সর্বাধিক - ৩৮ হাজারেরও বেশি নতুন বাড়ি নির্মাণ করেছে, এবং গত এক বছরে আরও ৯ হাজারের অধিক নতুন বাড়ি নির্মাণের অনুমোদন দিয়েছে।
এত বড় পরিসরে উন্নয়নকাজ চলমান থাকায়, তরুণ প্রজন্ম এবং যারা নতুন ক্যারিয়ারের সন্ধানে আছেন - উভয়ের জন্যই নির্মাণ শিল্প একটি শক্তিশালী পেশাগত বিকল্প হয়ে উঠছে।
গত বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) টাওয়ার হ্যামলেটস টাউন হলে অনুষ্ঠিত এই \"কনস্ট্রাকশন ক্যারিয়ার্স শোকেস ২০২৬\" সব বয়সের চাকরি প্রত্যাশীদের জন্য উন্মুক্ত ছিল। অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারীরা নির্মাণ শিল্পের বিভিন্ন ক্ষেত্রে কর্মরত ডেভেলপার ও ঠিকাদারদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলার সুযোগ পান, পাশাপাশি ড্রিলিং ও প্লাস্টারিংয়ের মতো বিভিন্ন কারিগরি দক্ষতা হাতে-কলমে প্রয়োগ করে দেখার সুযোগও পান।
টাওয়ার হ্যামলেটস কাউন্সিলের কর্মসংস্থান, উদ্যোগ, দক্ষতা ও প্রবৃদ্ধি বিষয়ক ক্যাবিনেট সদস্য, কাউন্সিলর শেনালি মিয়া এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। তিনি বলেন, \"এটি ছিল মানুষের জন্য নির্মাণ শিল্পের বিভিন্ন ধরনের কাজের অভিজ্ঞতা নেওয়ার এক দুর্দান্ত সুযোগ। এই খাত শুধু ইট গাঁথার কাজেই সীমাবদ্ধ নয়, আমাদের এই অনুষ্ঠান প্রমাণ করেছে যে অফিসে বসেও অনেক কাজ রয়েছে, আবার সরাসরি নির্মাণস্থলেও রয়েছে বিভিন্ন কাজ। নির্মাণ শিল্পে প্রচুর সুযোগ ও উন্নতির সুযোগ রয়েছে, এবং টাওয়ার হ্যামলেটসে তা বিশেষভাবে সত্য।\"
অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে ছিল ওজেল গ্রুপ লিমিটেড, যা টাওয়ার হ্যামলেটসের হাউজবিল্ডিং বা গৃহনির্মাণ প্রকল্পে কর্মরত একটি বিশেষায়িত ড্রাইলাইনিং ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান। প্রতিষ্ঠানের প্রজেক্ট ম্যানেজার পিওতর ইয়ারোশ বলেন, \"আমাদের এই ট্রেড সম্পর্কে আগ্রহী এত তরুণ-তরুণীর সঙ্গে পরিচিত হওয়া এবং অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়া ছিল আমাদের জন্য এক আনন্দদায়ক ও চমৎকার অভিজ্ঞতা।\"
এই কনস্ট্রাকশন ক্যারিয়ার্স শোকেস আয়োজন করে কাউন্সিলের কর্মসংস্থান ও দক্ষতা উন্নয়ন বিষয়ক সেবা \"ওয়ার্কপাথ\" (WorkPath)। এই সেবাটি বাসিন্দাদের কর্মজীবনের প্রতিটি ধাপে সহায়তা প্রদান করে এবং নিয়মিতভাবে বিভিন্ন ক্যারিয়ার ইভেন্টের আয়োজন করে থাকে।
ওয়ার্কপাথ সেবায় কীভাবে নিবন্ধন করবেন, কোনো পরামর্শদাতার (অ্যাডভাইজার) সঙ্গে কথা বলবেন, অথবা তাদের নিউজলেটারে সাইন আপ করবেন, তা জানতে ভিজিট করুন: www.towerhamlets.gov.uk/workpath
উল্লেখ্য টাওয়ার হ্যামলেটস লন্ডনের সেরা বৈশিষ্ট্যগুলো এক বরোতে ধারণ করে। এর উখযোগ্য দিকগুলো হলা, এটি দেশের মধ্যে সবচেয়ে দ্রুত বর্ধনশীল এবং সবচেয়ে ঘনবসতিপূর্ণ এলাকা এটি এবং যুক্তরাজ্যের অর্থনীতিতে তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনৈতিক অবদান রাখে এই বারা। এছাড়া টাওয়ার অব লন্ডন ও ভিক্টোরিয়া পার্ক থেকে শুরু করে ক্যানারি ওয়ার্ফ ও স্পিটালফিল্ডস পর্যন্ত, এটি দেশের অন্যতম বৃহৎ পর্যটন গন্তব্য হিসেবে বিবেচিত হয়, কারন, লন্ডনের সবচেয়ে বৈচিত্র্যময় ও ঐতিহাসিক এলাকাগুলোর একটি এই টাওয়ার হ্যামলেটস।