img

ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান নিয়ে পাল্টাপাল্টি বিক্ষোভ

প্রকাশিত :  ০৬:৪৩, ১১ জুলাই ২০২৫

ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান নিয়ে পাল্টাপাল্টি বিক্ষোভ

দেশের পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত বহত্তম ব্যাংক ইসলামী ব্যাংক। গতকাল ইসলামী ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বর্তমান চেয়ারম্যানকে সরিয়ে স্বতন্ত্র পরিচালক অধ্যাপক জোবায়দুর রহমানকে চেয়ারম্যান করার আলোচনার মধ্যে এই কর্মসূচিতে \"বহিরাগতরা\" অংশ নেয় বলে জানা গেছে।

গতকাল বৃহস্পতিবার (১০ জুলাই) ব্যাংকটির পরিচালনা পর্ষদের সভা শুরুর আগে এই ঘটনা ঘটে। বিক্ষোভে এক পক্ষ জোবায়দুর রহমানের অপসারণ দাবি করে, অন্যদিকে আরেক পক্ষ তাকে চেয়ারম্যান করার দাবিতে মিছিল করে।

বিরোধের একপর্যায়ে দুই পক্ষের মধ্যে ধাক্কাধাক্কি শুরু হলে মতিঝিল থানা পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে। পুলিশের অনুরোধে উভয় পক্ষই সরে গেলে বেলা আড়াইটায় ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের সভা অনুষ্ঠিত হয়।

ইসলামী ব্যাংকের বর্তমান চেয়ারম্যান ওবায়েদ উল্লাহ আল-মাসুদ জানিয়েছেন, পরিচালনা পর্ষদের সদস্যদের মধ্যে ঐক্য রয়েছে এবং বিক্ষোভকারীরা সবাই বহিরাগত। বাংলাদেশ ব্যাংক গত ২২ আগস্ট সোনালী ও রূপালী ব্যাংকের সাবেক এমডি ওবায়েদ উল্লাহ আল মাসুদকে চেয়ারম্যান করে পাঁচ সদস্যের পরিচালনা পর্ষদ গঠন করেছিল।

ইসলামী ব্যাংকের এক কর্মকর্তা জানান, গত মে মাসে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিন্যান্স বিভাগের অধ্যাপক জোবায়দুর রহমানকে পরিচালক নিয়োগের পর আগের অনিয়মে সম্পৃক্ত অনেকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া শুরু হয়। এ কারণে একটি পক্ষ তার বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

বৃহস্পতিবারের পর্ষদ সভা থেকে দুটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। প্রথমত, নতুন করে দুটি অডিট ফার্ম নিয়োগের সিদ্ধান্ত হয়েছে, যা কেন্দ্রীয় ব্যাংক নির্ধারিত আগস্টের মধ্যে বার্ষিক রিপোর্ট চূড়ান্ত করবে। দ্বিতীয়ত, ব্যাংকটির আরডিএস প্রকল্পে নিয়োগ পাওয়াদের মধ্য থেকে যোগ্যতার ভিত্তিতে প্রতি বছর একটি অংশকে মূল ব্যাংকিংয়ে স্থানান্তর করা হবে। এই নিয়মটি একসময় প্রচলিত থাকলেও ২০১৭ সালে এস আলম গ্রুপ ব্যাংকটি অধিগ্রহণের পর তা বন্ধ হয়ে গিয়েছিল।

img

৯৪.৭০ শতাংশ পোশাক কারখানায় বোনাস পরিশোধ : বিজিএমইএ

প্রকাশিত :  ০৮:১৬, ২৫ মে ২০২৬

ঢাকা ও চট্টগ্রামে ২ হাজার ১৩৩টি চালু কারখানার মধ্যে ২ হাজার ২১টি পোশাক কারখানা ঈদ বোনাস পরিশোধ করেছে কর্তৃপক্ষ। আজ সোমবার (২৫ মে) এক বার্তায় এ তথ্য জানিয়েছে বিজিএমইএ।

বিজিএমইএ’র দেয়া তথ্যে বলা হয়, ঢাকা ও চট্টগ্রামে চালু রয়েছে মোট ২ হাজার ১৩৩টি কারখানা। যার মধ্যে ঢাকায় ১ হাজার ৭৯৪টি ও চট্টগ্রামে ৩৪০টি।

এপ্রিলের বেতন পরিশোধ করেছে ২ হাজার ১১৭টি কারখানা, যা শতকরা ৯৯ দশমিক ২০ শতাংশ। এর মধ্যে রয়েছে ঢাকার ১ হাজার ৭৮৩টি ও চট্টগ্রামের ৩৩৪টি কারখানা।

ঈদ বোনাস পরিশোধ করেছে মোট ২ হাজার ২১টি কারখানা, যা শতকরা ৯৪ দশমিক ৭০ শতাংশ। এর মধ্যে রয়েছে ঢাকার ১ হাজার ৭০৯টি ও চট্টগ্রামের ৩১২টি কারখানা।

এ ছাড়া মে মাসের অগ্রিম বেতন পরিশোধ করেছে মোট ৭৬৭টি কারখানা, যা শতকরা ৩৫ দশমিক ৯৪ শতাংশ।

এদিকে, ২৪ মে ঢাকা ছেড়েছে ১০৮টি পোশাক কারখানার কর্মীরা।

২৫ ও ২৬ মে ঢাকা ছাড়বে যথাক্রমে ৬৬৪টি ও ৭৭১টি পোশাক কারখানার কর্মী। আর আগামী ২৭ মে ২৫১টি পোশাক কারখানার কর্মীরা ঢাকা ছাড়বে।