প্রকাশিত :
১১:৪৪, ৩১ জুলাই ২০২৫ সর্বশেষ আপডেট: ১১:৫১, ৩১ জুলাই ২০২৫
বাংলাদেশের নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্তের জন্য আগামী পাঁচ-ছয়দিন অন্তর্বর্তী সরকারের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।
আজ বৃহস্পতিবার (৩১ জুলাই) সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।
প্রেস সচিব বলেন, আগামী পাঁচ-ছয়দিনে আমরা বুঝব, আমরা কোথায় যাচ্ছি। তবে যাই কিছু হোক না কেন, নির্বাচনে দেরি হবে না। এ বিষয়ে প্রধান উপদেষ্টা দৃঢ় অবস্থানে আছেন। জনগণের অংশগ্রহণ থাকলে সুষ্ঠু নির্বাচনে কোনো বাধা থাকবে না।
এ সময় শান্তিপূর্ণ পরিবেশে নির্বাচন হবে বলেও আশাপ্রকাশ করেন তিনি।
শফিকুল আলম বলেন, এই সরকার ক্ষতিগ্রস্ত অবস্থায় দেশ পরিচালনার দায়িত্ব পায়। সেখান থেকে দেখলে অন্তর্বর্তী সরকার ভালো কাজ দেখাতে পেরেছে বলা যায়।
চাঁদাবাজির বিষয়ে প্রেস সচিব বলেন, এ বিষয়ে সরকারের জিরো টলারেন্স। প্রমাণ পেলে যে কারও বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
স্বাধীনতার ৫৪ বছরেও রাজনৈতিক দলগুলোর ফান্ড রেইজিং-এর বিষয়ে স্বচ্ছতা নেই, যেটি দুঃখজনক বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
হাদির খুনির সঙ্গে সেলফি, মুখ খুললেন ডাকসু নেত্রী জুমা
প্রকাশিত :
১১:৫৬, ০৯ মার্চ ২০২৬
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরীফ ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডের প্রধান আসামি ফয়সাল করিম মাসুদের সঙ্গে ডাকসুর মুক্তিযুদ্ধ ও গণতান্ত্রিক আন্দোলন সম্পাদক ফাতেমা তাসনিম জুমার ছবি জড়িয়ে একটি ফটোকার্ড ছড়িয়ে পড়েছে। এ ঘটনায় বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে বলে দাবি করে গণমাধ্যমে কথা বলেছেন জুমা। তিনি বলেন, উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তার ছবি ব্যবহার করে ভুল বার্তা দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে এবং বিষয়টি নিয়ে তিনি পরিষ্কার ব্যাখ্যা দিয়েছেন।
দেশের এক বেসরকারি টেলিভিশনকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ফাতেমা তাসনিম জুমা বলেন, ‘আমার যদি কোনো দোষ থাকে, তাহলে প্রশাসনের প্রতি আমার অনুরোধ থাকবে যাতে আমাকে গ্রেপ্তার করে। এরপর যাতে ইন্টারোগেশন (তদন্ত) করে। ইন্টারোগেশনের পর যদি কিছু পায় তারা যাতে সেটা সঠিকভাবে ব্যবহার করে।
তিনি বলেন, ‘যদি মনে করেন, আমাকে কেউ দোষী বানাতে চায়; ফাঁসাতে চায়। আলটিমেটলি সত্য তো কখনো গোপন থাকে না; সত্য তো একদিন না একদিন সামনে আসবেই। হয়তো আমাকে গ্রেপ্তার করবে বা রিমান্ডে নেবে; যেভাবে তারা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আওয়াজ তুলছে। এটা মূলত এখন শুরু হয়নি; এটি সেদিন থেকে শুরু হয়েছে যেদিন ওসমান হাদিকে গুলি করে হত্যা করা হয়।’
জুমা বলেন, ‘তাদের ভয়ের জায়গা হচ্ছে, যদি শহীদ ওসমান হাদি হত্যার বিচার হয়, সেই বিচারটা হলে আসলে অনেকেই ফেঁসে যাবেন। যদি কেউ মনে করে আমাকে বা জাবের ভাইকে ফাঁসিয়ে অথবা ইনকিলাব মঞ্চকে চুপ করিয়ে তারা যদি ভাবে হাদি হত্যার বিচার ধামা চাপা দেওয়া যাবে- তাদের আসলে সেই আশা গুড়ে বালি। কারণ বাংলাদেশের আট লাখ মানুষ একটি মানুষের জানাজায় অংশ নিয়েছিল, পুরো বাংলাদেশের মানুষ বার বার তার কবর জিয়ারত করছে। সারা বাংলাদেশের মানুষ হাদি হত্যার বিচার দাবি করছে, সেখানে জুমা বা জাবেরকে দমিয়ে বিচার বন্ধ করা যাবে না।’
এদিকে, প্রচারিত ফটোকার্ডে দেখা যায়, ফয়সাল করিম মাসুদ এবং ফাতেমা তাসনিম জুমা পাশাপাশি হাস্যোজ্জ্বল ভঙ্গিতে বসে আছেন। ক্যাপশনে লেখা রয়েছে, ‘হাদি হত্যার প্রধান আসামি ফয়সাল করিম মাসুদের সঙ্গে জুমার ছবি ভাইরাল।’
দ্য ডিসেন্টের যাচাইয়ে দেখা গেছে, ছবিটি এআই নির্মিত।
ছবিটি রিভার্স ইমেজ সার্চ করে অনলাইন সংবাদমাধ্যম বার্তা বাজারে গত ১৫ ডিসেম্বর প্রকাশিত ফয়সাল করিম মাসুদ এবং হত্যা মামলার আরেক আসামি আলমগীর হোসেনের একই ধরনের একটি ছবি পাওয়া যায়। তবে, দিগন্ত টিভি নামে ফেসবুক পেজটি দিগন্ত টিভির অফিসিয়াল ফেসবুক পেজ কি না সেটা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।