img

১৮ অক্টোবরের আগেই এইচএসসির ফল

প্রকাশিত :  ০৮:৪৭, ০৭ অক্টোবর ২০২৫

১৮ অক্টোবরের আগেই এইচএসসির ফল

আগামী ১৮ অক্টোবরের আগেই ২০২৫ সালের উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হবে। খাতা দেখা শেষ হয়েছে। এখন চলছে ফল প্রকাশের প্রস্তুতি।

আজ মঙ্গলবার (৭ অক্টোবর) সকালে এসব তথ্য জানিয়েছেন আন্তঃশিক্ষা বোর্ড পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক কমিটির আহ্বায়ক ও ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক এস এম কামাল উদ্দিন হায়দার।

তিনি জানান, দেশের সব শিক্ষা বোর্ডেই খাতা মূল্যায়ন সম্পন্ন হয়েছে। বর্তমানে ফল প্রস্তুতের কারিগরি কাজ চলছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই ফল প্রকাশের জন্য প্রয়োজনীয় সব প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

অধ্যাপক কামাল উদ্দিন বলেন, ‘১৮ অক্টোবর ৬০ দিন পূর্ণ হবে। আমরা এর আগেই ফল প্রকাশ করব। তবে ফল প্রকাশের নির্দিষ্ট তারিখ এখনো চূড়ান্ত হয়নি। তারিখ চূড়ান্ত হলে জানানো হবে।’

চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমানের লিখিত পরীক্ষা শেষ হয়েছে ১৯ আগস্ট। এরপর ২১ থেকে ৩১ আগস্ট অনুষ্ঠিত হয় ব্যবহারিক পরীক্ষা। এবার মোট ১২ লাখ ৫১ হাজার ১১১ জন শিক্ষার্থী এ পরীক্ষায় অংশ নেয়। তাদের মধ্যে ছাত্র ৬ লাখ ১৮ হাজার ১৫ জন এবং ছাত্রী ৬ লাখ ৩৩ হাজার ৯৬ জন।

দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে অনুষ্ঠিত এ পরীক্ষা সারাদেশের ২ হাজার ৭৯৭টি কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হয়। ঢাকা বোর্ডে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি ২ লাখ ৯১ হাজার ২৪১ জন। এরপর রাজশাহীতে ১ লাখ ৩৩ হাজার ২৪২, কুমিল্লায় ১ লাখ ১ হাজার ৭৫০, যশোরে ১ লাখ ১৬ হাজার ৩১৭, চট্টগ্রামে ১ লাখ ৩৫ জন, বরিশালে ৬১ হাজার ২৫, সিলেটে ৬৯ হাজার ৬৮৩, দিনাজপুরে ১ লাখ ৩ হাজার ৮৩২ এবং ময়মনসিংহ বোর্ডে ৭৮ হাজার ২৭৩ জন পরীক্ষা দিয়েছেন।

এছাড়া, মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে আলিম পরীক্ষার্থী রয়েছেন ৮৬ হাজার ১০২ জন এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে ১ লাখ ৯ হাজার ৬১১ জন।

পাবলিক পরীক্ষা আইনে বলা আছে, লিখিত পরীক্ষা শেষ হওয়ার ৬০ দিনের মধ্যে ফল প্রকাশ করতে হয়। সেই হিসাবে আগামী ১৮ অক্টোবরের মধ্যেই ফল প্রকাশের বাধ্যবাধকতা রয়েছে। 

শিক্ষা এর আরও খবর

img

দেশের ইতিহাসে শিক্ষাখাতে এ বছরই সর্বোচ্চ বাজেট: প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত :  ১৬:৩৩, ০৫ অক্টোবর ২০২৬

দেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো জাতীয় বাজেটে শিক্ষাখাতে সর্বোচ্চ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

তিনি বলেন, আগামী পাঁচ বছরে বাজেট ধীরে ধীরে আরও বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের।

সোমবার (৫ অক্টোবর) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে বিশ্ব শিক্ষক দিবসের অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

শিক্ষার্থীরা নতুন সিলেবাসের বই পাচ্ছে এই বছরেই উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমরা এমন শিক্ষাব্যবস্থা গড়তে চাই, যেখানে কোনো শিশু শিক্ষাবঞ্চিত থাকবে না।

কারিগরি ও ব্যবহারিক জ্ঞান অপরিহার্য বলেও মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, শিক্ষাদানের কৌশল পরিবর্তন এখন সময়ের দাবি। প্রযুক্তিকে শিক্ষককের বিকল্প হিসেবে দেখতে চাই না, বরং সহায়ক হিসেবে দেখতে চাই। দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম সম্প্রসারণ এবং ফ্রি ওয়াইফাই সুবিধা বাড়ানোর উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।

তারেক রহমান বলেন, নতুন সিলেবাস অনুযায়ী পাঠ্যপুস্তক পাবে শিক্ষার্থীরা। শিক্ষার্থীরা যেন বই বিমুখ না হয়, সে জন্য শিখন কৌশল হিসেবে আনন্দময় শিক্ষা প্রয়োজন।

সময়ের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় টিচার্স ট্রেনিং কলেজগুলো আধুনিকায়নের প্রয়োজন বলে মনে করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

তিনি বলেন, উপায়হীন বিকল্প পেশা হতে পারে না শিক্ষকতা পেশা। মেধাবীরা যেন শিক্ষকতাকে পছন্দের প্রথম তাকিলায় রাখেন, সেভাবেই শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হবে। আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে।

শিক্ষা এর আরও খবর