img

এক দিনের ব্যবধানে আরও বাড়ল স্বর্ণের দাম

প্রকাশিত :  ১৭:১৪, ০৭ অক্টোবর ২০২৫
সর্বশেষ আপডেট: ১৮:৪১, ০৭ অক্টোবর ২০২৫

এক দিনের ব্যবধানে আরও বাড়ল স্বর্ণের দাম

২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম আবারও বাড়ানো হয়েছে । এবার ভরিতে ১ হাজার ৪৬৯ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ২ হাজার ১৯৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এটাই দেশের বাজারে সর্বশেষ সর্বোচ্চ দাম।

মঙ্গলবার (৭ অক্টোবর) রাতে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। বুধবার (৮ অক্টোবর) থেকেই নতুন এ দাম কার্যকর হবে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) দাম বেড়েছে। ফলে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।

নতুন দর অনুযায়ী, দেশের বাজারে প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ২ হাজার ১৯৫ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৯৩ হাজার ৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৬৫ হাজার ৪৩১ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৩৭ হাজার ৪৭২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

বাজুস আরও জানায়, স্বর্ণের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে আবশ্যিকভাবে সরকার-নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট ও বাজুস-নির্ধারিত ন্যূনতম মজুরি ৬ শতাংশ যুক্ত করতে হবে। তবে গহনার ডিজাইন ও মানভেদে মজুরির তারতম্য হতে পারে।

এর আগে সবশেষ গত ৬ অক্টোবর দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম সমন্বয় করেছিল বাজুস। সেদিন ভরিতে ৩ হাজার ১৫০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৭২৬ টাকা নির্ধারণ করেছিল সংগঠনটি। যা এতদিন ছিল দেশের বাজারে মূল্যবান এই ধাতুর সর্বোচ্চ দাম।

এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৯১ হাজার ৬০৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৬৪ হাজার ২২৯ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৩৬ হাজার ৪৪৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল। যা কার্যকর হয়েছিল ৭ অক্টোবর থেকে।

এ নিয়ে চলতি বছর মোট ৬২ বার দেশের বাজারে সমন্বয় করা হলো স্বর্ণের দাম। যেখানে দাম বাড়ানো হয়েছে ৪৪ বার, আর কমেছে মাত্র ১৮ বার। আর ২০২৪ সালে দেশের বাজারে মোট ৬২ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৩৫ বার দাম বাড়ানো হয়েছিল, আর কমানো হয়েছিল ২৭ বার।

স্বর্ণের দাম বাড়ানোর সঙ্গে এবার বাড়ানো রয়েছে রুপার দামও। ভরিতে ১ হাজার ২৬ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৪ হাজার ৬৫৪ টাকা। যা দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ।

এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৪ হাজার ৪৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৩ হাজার ৮০২ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ হাজার ৮৫৮ টাকা।


img

টেকসই শেয়ারবাজার গঠনে ডিএসই ও সুইসকন্ট্যাক্ট বাংলাদেশের চুক্তি

প্রকাশিত :  ১৪:০১, ১৭ মে ২০২৬

দেশের পুঁজিবাজার ব্যবস্থার মাধ্যমে টেকসই ও অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনৈতিক উন্নয়নকে গতিশীল করতে একজোটে কাজ করবে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) পিএলসি এবং সুইসকন্ট্যাক্ট বাংলাদেশ। এই লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠান দুটির মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে।

আজ রোববার (১৭ মে) ডিএসই’র পক্ষ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

সমঝোতা স্মারক অনুষ্ঠানে ডিএসই’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক নুজহাত আনোয়ার এবং সুইসকন্ট্যাক্ট বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর হেলাল হোসেনসহ উভয় প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে ডিএসই’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক নুজহাত আনোয়ার বলেন, পারস্পরিক সমন্বয় ও সুস্পষ্ট পরিকল্পনার ফলে উদ্যোগটি দ্রুত বাস্তবায়ন সম্ভব হয়েছে, যা ক্ষুদ্র ও মাঝারি খাতের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তিনি আরও উল্লেখ করেন, পুঁজিবাজারে এসএমই-দের অংশগ্রহণ বাড়াতে সক্ষমতা উন্নয়ন, কর্পোরেট গভর্ন্যান্স ও কমপ্লায়েন্স বিষয়ে প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করা হবে।

সুইসকন্ট্যাক্ট বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর হেলাল হোসেন বলেন, এসএমই কোম্পানিগুলো বাংলাদেশের অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ চালিকাশক্তি হলেও তারা অর্থায়ন, প্রতিযোগিতা সক্ষমতা ও কমপ্লায়েন্সসংক্রান্ত নানা চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হচ্ছে। বর্তমান প্রেক্ষাপটে এসএমই-দের জন্য বিকল্প অর্থায়ন ও ইকুইটি ভিত্তিক মূলধন সংগ্রহের সুযোগ সৃষ্টি অত্যন্ত জরুরি। ডিএসই’র সঙ্গে এই অংশীদারিত্ব সম্ভাবনাময় প্রতিষ্ঠানগুলোকে পুঁজিবাজারমুখী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

ডিএসই’র বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, এই সমঝোতা স্মারকের আওতায় উভয় প্রতিষ্ঠান তৈরি পোশাক, স্বাস্থ্যসেবা এবং কৃষি খাতসহ বিভিন্ন কৌশলগত খাতে একসাথে কাজ করবে। পাশাপাশি পরিবেশ, সামাজিক ও সুশাসন, সাসটেইনেবিলিটি রিপোর্টিং, উদ্যোক্তা উন্নয়ন, আর্থিক অন্তর্ভুক্তি, জলবায়ু সহনশীলতা, বাণিজ্য সহায়তা এবং দক্ষতা উন্নয়ন সংক্রান্ত বিষয়ে যৌথভাবে কার্যক্রম পরিচালনা করবে।

এ ছাড়াও প্রতিষ্ঠান দুটি যৌথভাবে সক্ষমতা উন্নয়ন কর্মসূচি, সচেতনতামূলক কর্মশালা, ইনকিউবেশন সহায়তা এবং পরামর্শমূলক কার্যক্রম পরিচালনা করবে, যাতে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান শেয়ারবাজারে অধিকতর অংশগ্রহণে উত্সাহিত হয়।

একই সঙ্গে গ্রিন বন্ড, সাসটেইনেবিলিটি-লিংকড বন্ড, সুকুক এবং ব্লেন্ডেড-ফাইন্যান্স মডেলসহ বিভিন্ন টেকসই অর্থায়ন পণ্য উন্নয়নেও পারস্পরিক সহযোগিতা করা হবে।


অর্থনীতি এর আরও খবর