img

সাবেক ভূমিমন্ত্রীর স্বার্থসংশ্লিষ্ট তিন ব্যক্তির শেয়ার অবরুদ্ধের আদেশ

প্রকাশিত :  ০৬:২৪, ১৮ নভেম্বর ২০২৫

সাবেক ভূমিমন্ত্রীর স্বার্থসংশ্লিষ্ট তিন ব্যক্তির শেয়ার অবরুদ্ধের আদেশ

পলাতক সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট তিন ব্যক্তির নামে মেঘনা ব্যাংকে থাকা চার কোটি ৬৪ লাখ ৬৩ হাজার ৪৫৫টি শেয়ার অবরুদ্ধের আদেশ দিয়েছেন আদালত।

আজ মঙ্গলবার ঢাকা মহানগর দায়রা জজ মো. সাব্বির ফয়েজ শুনানি শেষে এ আদেশ দেন। সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. রিয়াজ হোসেন এ তথ্য জানান।

তিন ব্যক্তি হলেন— মেঘনা ব্যাংক পিএলসির সাবেক পরিচালক ইমরানা জামান চৌধুরী, স্টিডফাস্ট ম্যানেজমেন্ট ট্রেডিং লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক উৎপল পাল ও পরিচালক নাসিম উদ্দিন মোহাম্মদ আদিল।

 আদালত সূত্রে জানা গেছে, সিআইডির ফাইন্যান্সিয়াল ক্রাইমের উপপরিদর্শক মো. নাফিজুর রহমান এসব শেয়ার অবরুদ্ধ চেয়ে আবেদন করেন। ওই আবেদনে উল্লেখ করা হয়, অভিযুক্ত ব্যক্তিরা পরস্পর যোগসাজসে তাদের অবৈধভাবে অর্জিত অর্থ বৈধ করার উদ্দেশ্যে বিদেশে প্রেরণ ও পুনরায় দেশে আনয়ন এবং অবৈধ উৎস গোপন বা আড়াল করার উদ্দেশ্যে বিভিন্ন ব্যাংক হিসাব ব্যবহার করে মেঘনা ব্যাংক পিএলসিতে ৫৯ কোটি ৯৫ লাখ টাকা মূল্যের শেয়ার ক্রয় করেন। 

অভিযুক্ত মো. আবুল কাসেমের মাধ্যমে মোট ১৩ লাখ ৪০ হাজার ৫১০ মার্কিন ডলার সিঙ্গাপুর ও দুবাই থেকে বাংলাদেশে নিয়ে আসেন। পরবর্তীতে উল্লিখিত টাকা ক্যাশ চেকের মাধ্যমে ইমরানা জামান চৌধুরী ও স্টিডফাস্ট ম্যানেজমেন্ট ট্রেডিং লিমিটেড নামের ব্যাংক হিসাবে স্থানান্তর করা হয়।

জমাকৃত টাকা দিয়ে মেঘনা ব্যাংক পিএলসিতে শেয়ার ক্রয় করার জন্য কমিউনিটি ব্যাংক পিএলসিতে হিসাব খোলা হয়। পরবর্তীতে মোট ৫৯ কোটি ৯৫ লাখ টাকা স্থানান্তর করা হয়। 

মেঘনা ব্যাংক পিএলসিতে তিন অভিযুক্তদের নামে থাকা শেয়ার অবরুদ্ধ করা না হলে এসব শেয়ার বিক্রয় করে অভিযুক্তরা সহজেই টাকা উত্তোলন করে তা বেহাত করার চেষ্টা করতে পারেন। অনুসন্ধান কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার স্বার্থে অভিযুক্তদের নামে থাকা শেয়ার মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ এর ১৪(১) ধারা মোতাবেক অবরুদ্ধ করা একান্ত প্রয়োজন।


img

৯৪.৭০ শতাংশ পোশাক কারখানায় বোনাস পরিশোধ : বিজিএমইএ

প্রকাশিত :  ০৮:১৬, ২৫ মে ২০২৬

ঢাকা ও চট্টগ্রামে ২ হাজার ১৩৩টি চালু কারখানার মধ্যে ২ হাজার ২১টি পোশাক কারখানা ঈদ বোনাস পরিশোধ করেছে কর্তৃপক্ষ। আজ সোমবার (২৫ মে) এক বার্তায় এ তথ্য জানিয়েছে বিজিএমইএ।

বিজিএমইএ’র দেয়া তথ্যে বলা হয়, ঢাকা ও চট্টগ্রামে চালু রয়েছে মোট ২ হাজার ১৩৩টি কারখানা। যার মধ্যে ঢাকায় ১ হাজার ৭৯৪টি ও চট্টগ্রামে ৩৪০টি।

এপ্রিলের বেতন পরিশোধ করেছে ২ হাজার ১১৭টি কারখানা, যা শতকরা ৯৯ দশমিক ২০ শতাংশ। এর মধ্যে রয়েছে ঢাকার ১ হাজার ৭৮৩টি ও চট্টগ্রামের ৩৩৪টি কারখানা।

ঈদ বোনাস পরিশোধ করেছে মোট ২ হাজার ২১টি কারখানা, যা শতকরা ৯৪ দশমিক ৭০ শতাংশ। এর মধ্যে রয়েছে ঢাকার ১ হাজার ৭০৯টি ও চট্টগ্রামের ৩১২টি কারখানা।

এ ছাড়া মে মাসের অগ্রিম বেতন পরিশোধ করেছে মোট ৭৬৭টি কারখানা, যা শতকরা ৩৫ দশমিক ৯৪ শতাংশ।

এদিকে, ২৪ মে ঢাকা ছেড়েছে ১০৮টি পোশাক কারখানার কর্মীরা।

২৫ ও ২৬ মে ঢাকা ছাড়বে যথাক্রমে ৬৬৪টি ও ৭৭১টি পোশাক কারখানার কর্মী। আর আগামী ২৭ মে ২৫১টি পোশাক কারখানার কর্মীরা ঢাকা ছাড়বে।