img

আরও কয়েকটি দেশের ওপর ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞার পরিকল্পনা যুক্তরাষ্ট্রের

প্রকাশিত :  ০৬:২৯, ০৫ ডিসেম্বর ২০২৫

আরও কয়েকটি দেশের ওপর ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞার পরিকল্পনা যুক্তরাষ্ট্রের

আরও কয়েকটি দেশের ওপর ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা আরোপের পরিকল্পনা করছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র । বৃহস্পতিবার (৪ ডিসেম্বর) মার্কিন স্বরাষ্ট্র নিরাপত্তা সচিব ক্রিস্টি নোয়েম জানান, বর্তমানে ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞার আওতায় থাকা দেশের সংখ্যা ৩০-এর বেশি হবে।

ফক্স নিউজের দ্য ইনগ্রাহাম অ্যাঙ্গেল অনুষ্ঠানে দেওয়া সাক্ষাৎকারে নোয়েম বলেন, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দেশের মূল্যায়ন চালিয়ে যাচ্ছেন এবং কোন দেশগুলো তালিকায় যুক্ত হবে- তা এখনও চূড়ান্ত হয়নি।

গত জুনে ট্রাম্প ১২টি দেশের নাগরিকদের প্রবেশ নিষিদ্ধ করেন, পরে আরও ৭টি দেশের নাগরিকের ওপর সীমাবদ্ধতা আরোপ করা হয়। নোয়েম জানান, এই নিষেধাজ্ঞা অভিবাসী ও অ-অভিবাসী উভয়ের জন্য প্রযোজ্য। যেমন, পর্যটক, শিক্ষার্থী ও ব্যবসায়িক ভ্রমণকারীরাও এর আওতায় আসবেন।

নোয়েম বলেন, ‘যদি কোনো দেশের সরকার স্থিতিশীল না থাকে বা তাদের নাগরিকদের পরীক্ষা করতে সাহায্য না করে, তাহলে কেন আমরা তাদের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের অনুমতি দেব?’

রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী, প্রশাসন আরও ৩৬টি দেশের নাগরিকদের ওপর নিষেধাজ্ঞা দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করছে। নিষেধাজ্ঞা সম্প্রসারিত হলে, সম্প্রতি ওয়াশিংটন ডিসিতে দুই ন্যাশনাল গার্ড সদস্যের গুলিবর্ষণের পর শুরু হওয়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও শক্ত হবে।

তদন্তে জানা গেছে, গুলিবর্ষণটি একজন আফগান নাগরিকের দ্বারা সংঘটিত হয়, যিনি ২০২১ সালে পুনর্বাসন কর্মসূচির মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করেছিলেন। গুলিবর্ষণের কয়েকদিন পর, ট্রাম্প তৃতীয় বিশ্বের দেশ থেকে অভিবাসন স্থায়ীভাবে বন্ধ করার প্রতিশ্রুতি দেন, যদিও কোনো দেশ নাম উল্লেখ করা হয়নি।

এর আগে, হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগের কর্মকর্তারা জানিয়েছিলেন, ট্রাম্প তার পূর্বসূরী, জো বাইডেন প্রশাসনের অধীনে অনুমোদিত আশ্রয় মামলা ও ১৯টি দেশের নাগরিকদের দেওয়া গ্রিন কার্ড পর্যালোচনা করেছেন। ক্ষমতায় আসার পর থেকে ট্রাম্প অভিবাসন প্রয়োগকে অগ্রাধিকার দিয়ে নগরগুলোতে ফেডারেল এজেন্ট পাঠিয়েছেন এবং সীমান্তে আশ্রয়প্রার্থীদের ফিরিয়ে দিয়েছেন।

জাতীয় এর আরও খবর

img

ভারতে ব্রিকস সম্মেলনে যাচ্ছেন না প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত :  ১০:৩৪, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

আসন্ন ব্রিকস সম্মেলনে ভারতে যাচ্ছেন না প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। অনুকূল পরিবেশ হলেই প্রধানমন্ত্রী ভারতে দ্বিপক্ষীয় সফরে যাবেন বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির।

বৃহস্পতিবার ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে রোহিঙ্গা বিষয়ক আন্তর্জাতিক সম্মেলনে বক্তৃতা করে বেরিয়ে যাওয়ার সময় সাংবাদিকদের প্রশ্নে তিনি এ কথা বলেন। প্রতিমন্ত্রীর এই বক্তব্যে তারেক রহমানের ভারত সফর নিয়ে দুদেশের মধ্যে যে আশা-নিরাশার দোলাচল চলছিল সেটির অবসান ঘটল। 

ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে ব্রিকসের অষ্টাদশতম শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে আগামী ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর। এ সম্মেলনের আয়োজক ভারত। নয়াদিল্লির পক্ষ থেকে সরকার প্রধান তারেক রহমানকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।

প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির বলেন, আগামী সপ্তাহে ভারতে অনুষ্ঠেয় ব্রিকস সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান অংশ নিচ্ছেন না। ব্রিকস সম্মেলনে অংশ নিতে যে প্রক্রিয়ায় আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে, তাতে সন্তুষ্ট নয় ঢাকা। তবে সরকারপ্রধানের ভারতে দ্বিপক্ষীয় সফর হতে পারে।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ব্রিকস সম্মেলনে অংশগ্রহণ প্রশ্নে কিছুদিন ধরেই আলোচনা চলছিল। সবশেষ ৪ সেপ্টেম্বর ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেছিলেন, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণ নিয়ে তাদের কাছে নতুন কোনো নিশ্চিত তথ্য নেই।

বৃহস্পতিবার প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে বিমসটেকের চেয়ারম্যান হিসেবে ব্রিকসে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। তাকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি। অনুকূল পরিবেশ হলেই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ভারতে দ্বিপক্ষীয় সফরে যাবেন।

বাংলাদেশ ব্রিকসের সদস্য না হলেও বর্তমানে বিমসটেকের চেয়ারম্যান হিসেবে প্রধানমন্ত্রীকে সম্মেলনের আউটরিচ সেশনে অংশ নিতে আমন্ত্রণ জানিয়েছিল দিল্লি। তবে শেষ পর্যন্ত সেই আমন্ত্রণে সাড়া দিচ্ছেন না প্রধানমন্ত্রী।

এর আগে গেল মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমানও ভারতের আমন্ত্রণ জানানোর প্রক্রিয়া নিয়ে আপত্তি জানান। তিনি বিষয়টিকে ‘সিরিয়াসলি’ নেওয়ার কথাও বলেন।

সচিবালয়ে সরকারের বিভিন্ন কাজের অগ্রগতি নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরও বলেছিলেন, সরকার শেখ হাসিনাকে ফিরিয়ে আনতে চায় কি না, কেউ কেউ এ ধরনের স্পেকুলেট করছেন। কেউ কেউ এটা আসলে চায় না, ভারতের ওপর একটা চাপ তৈরির জন্য।

তিনি সরকারের অবস্থান পরিষ্কার করে বলেন, আমরা একটা কথা খুব ক্লিয়ারলি বলতে চাই—মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরের সঙ্গে যখন এটাকে কন্ডিশন হিসেবে দেওয়া হয়েছে, ইউ হ্যাভ টু টেক ইট সিরিয়াসলি।