img

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান নিয়োগে পরিবর্তন করে পরিপত্র জারি

প্রকাশিত :  ১১:৪৬, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬
সর্বশেষ আপডেট: ১১:৫৮, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান নিয়োগে পরিবর্তন করে পরিপত্র জারি

বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান ও সহকারী প্রধান পদে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় বড় পরিবর্তন এনে পরিপত্র জারি করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

 মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) এ-সংক্রান্ত একটি পরিপত্র জারি করেছে হয়েছে।

পরিপত্র অনুযায়ী, এনটিআরসিএ আইন ২০০৫-এর ধারা ৮(ট) প্রদত্ত ক্ষমতাবলে এই নতুন দায়িত্ব অর্পণ করা হয়েছে। এখন থেকে সংশ্লিষ্ট ৩ অধিদপ্তর (মাউশি, কারিগরি ও মাদ্রাসা) বছরে অন্তত একবার শূন্য পদের চাহিদা এনটিআরসিএর কাছে পাঠাবে।

নতুন নিয়ম অনুযায়ী, নিয়োগ সুপারিশের জন্য প্রার্থীদের লিখিত, মৌখিক ও শিক্ষাগত যোগ্যতার ভিত্তিতে মূল্যায়ন করা হবে। মোট ১০০ নম্বরের পরীক্ষার মধ্যে লিখিত বা বাছাই পরীক্ষায় ৮০ নম্বর, শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদে ১২ নম্বর এবং মৌখিক পরীক্ষায় ৮ নম্বর নির্ধারণ করা হয়েছে। লিখিত ও মৌখিক উভয় ক্ষেত্রে পৃথকভাবে ন্যূনতম ৪০ শতাংশ নম্বর পেতে হবে। লিখিত পরীক্ষায় শূন্য পদের বিপরীতে সর্বোচ্চ তিনগুণ প্রার্থীকে উত্তীর্ণ ঘোষণা করা হবে।

লিখিত, মৌখিক ও শিক্ষাগত যোগ্যতার মোট নম্বরের ভিত্তিতে মেধাক্রম তৈরি করে ১:১ অনুপাতে তালিকা প্রকাশ করা হবে। এরপর প্রার্থীরা অনলাইনে সর্বোচ্চ পাঁচটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পছন্দক্রম (চয়েস লিস্ট) দিতে পারবেন। প্রার্থীদের মেধাক্রম ও পছন্দ বিবেচনায় নিয়ে প্রতিটি পদের বিপরীতে একজনকে চূড়ান্তভাবে সুপারিশ করা হবে।

এনটিআরসিএ-র সুপারিশ প্রাপ্তির পর সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং কমিটি বা গভর্নিং বডিকে এক মাসের মধ্যে নিয়োগপত্র ইস্যু করতে হবে। যদি কোনো প্রার্থী প্রতিষ্ঠানের ভুল তথ্য বা অন্য কোনো কারণে যোগদান করতে না পারেন, তবে শূন্যপদ থাকা সাপেক্ষে মেধাক্রম অনুযায়ী তাকে পুনরায় নিয়োগ সুপারিশের সুযোগ থাকবে।

তবে ফৌজদারি মামলায় আদালত কর্তৃক দণ্ডপ্রাপ্ত বা বিভাগীয় মামলায় দণ্ডিত কোনো ব্যক্তি এই নিয়োগ প্রক্রিয়ায় আবেদন করার যোগ্য বলে বিবেচিত হবেন না।

img

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কমে যাচ্ছে সাপ্তাহিক ছুটি

প্রকাশিত :  ১২:১২, ০৯ এপ্রিল ২০২৬

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকট, তীব্র যানজট এবং প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষার প্রয়োজনীয়তা বিবেচনায় শিক্ষা মন্ত্রণালয় করোনাকালের মতো আবারও অনলাইন ক্লাস চালুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তবে এবার অনলাইনের পাশাপাশি অফলাইন ক্লাস মিলিয়ে সমন্বিত ‘ব্লেন্ডেড’ পদ্ধতি চালু করা হবে।

একযোগে সব স্কুলে নয়; বরং সক্ষমতা বিবেচনায় নির্বাচিত কিছু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান দিয়ে পরীক্ষামূলকভাবে এ যাত্রা শুরু হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। সেইসঙ্গে শনিবার সাপ্তাহিক ছুটি বাতিলের সিদ্ধান্ত হয়েছে বলেও জানান তিনি। বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা জানান শিক্ষামন্ত্রী।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আগামী সপ্তাহেই পরীক্ষামূলক এই ব্লেন্ডেড পদ্ধতি শুরু হবে। ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

তিনি বলেন, সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সপ্তাহে ছয় দিন ক্লাশ হবে। এর মধ্যে তিন দিন অনলাইনে ও তিনদিন সশরীরে ক্লাশ হবে।

মন্ত্রী বলেন, শনি, সোম ও বুধবার সশরীরে ক্লাশ হবে। আর রবি, মঙ্গল ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাশ হবে। শুক্রবার সাপ্তাহিক ছুটি থাকবে। শিক্ষকেরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সশরীরে উপস্থিত হয়ে ক্লাশ নেবেন। যেসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু করতে সক্ষম, সেখানেই তা চালু হবে।