img

রোজার বাজারে চেনা সিন্ডিকেট সক্রিয়, সব পণ্যই চড়া

প্রকাশিত :  ০৫:০৯, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

রোজার বাজারে চেনা সিন্ডিকেট সক্রিয়, সব পণ্যই চড়া

সেই পরিচিত বাজার, চেনা দোকানদার—তবু রমজান এলেই যেন সবকিছু বদলে যায়। ইফতার ও সাহরির প্রয়োজনীয় পণ্যের দামে লাগে ঊর্ধ্বগতি, যেন আগুন জ্বলছে বাজারজুড়ে। বাড়তি এই দামকে ‘যৌক্তিক’ দেখাতে একের পর এক অজুহাতও কম নেই। খুচরা বিক্রেতারা দোষ চাপান পাইকারদের ওপর, আর পাইকাররা দায় দেন আমদানিকারকদের। ফলে ভোক্তার কাঁধেই গিয়ে পড়ে শেষ পর্যন্ত বাড়তি খরচের বোঝা।

কেউ বলছেন, নির্বাচন-পরবর্তী সরবরাহে বিঘ্ন, কেউ আবার পরিবহন খরচ বেড়ে যাওয়াকে অজুহাত দেখাচ্ছেন। কিন্তু পণ্যের অস্বাভাবিক দামের চাপে নাভিশ্বাস উঠেছে ভোক্তার। গতকাল রাজধানীর বেশ কয়েকটি বাজার ঘুরে এমন চিত্রই দেখা যায়।

রোজায় বেশ কিছু দরকারি পণ্য বিশেষ করে লেবু, বেগুন, শসা, পেঁয়াজ, খেজুর, মুরগি, মাংস ও ফলের দাম লাগামহীন বেড়েছে।

গত এক সপ্তাহের ব্যবধানে কোনো কোনো পণ্যের দাম দ্বিগুণ পর্যন্ত বেড়েছে। রমজান সংযমের মাস হলেও বাজারের পণ্যের বাড়তি দর সাধারণ মানুষের জীবনে বাড়তি চাপ সৃষ্টি করেছে। সীমিত আয়ের মানুষের জন্য নিত্যপণ্যের এই ঊর্ধ্বগতি হয়ে উঠেছে বড় দুশ্চিন্তার কারণ।

ব্যবসায়ীরা দাম বাড়ার পেছনে ‘১০১টি’ কারণ দেখালেও ভোক্তারা রমজান এলেই অসাধু ব্যবসায়ীরা কৃত্রিম সংকট তৈরি করে দাম বাড়ান বলে অভিযোগ করেছেন।

তাঁরা মনে করেন, এর পেছনে অতি মুনাফালোভী একটি সিন্ডিকেট চক্র সক্রিয় রয়েছে। বাজার তদারকি জোরদার না হলে এই প্রবণতা রোধ করা কঠিন হবে।

গতকাল বুধবার রাজধানীর মোহাম্মদপুর টাউন হল, কৃষি মার্কেট, মহাখালী কাঁচাবাজার, জোয়ারসাহারা বাজারসহ বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, বাজারভেদে পণ্যের দামে তারতম্য থাকলেও ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা সর্বত্রই স্পষ্ট। রমজানে ইফতারে লেবুর চাহিদা বাড়ে। সেই সুযোগে লেবুর দামও চড়া।

বতর্মানে সাইজভেদে লেবু প্রতি হালি ৮০ থেকে ১৫০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে। কোথাও কোথাও ১৬০ টাকাও চাওয়া হচ্ছে।

বেগুনের দামও দ্বিগুণ হয়েছে। প্রতি কেজি বেগুন ১০০ থেকে ১৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। দেশি শসা ১২০ থেকে ১৪০ টাকা কেজি। কাঁচা মরিচের কেজিও ২০০ থেকে ২৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

মোহাম্মদপুরের টাউনহলের সবজি বিক্রেতা মো. ইব্রাহিম বলেন, ‘আড়তেই বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে, যার কারণে আমাদেরও বাড়তি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে।’

পাইকারি বাজারে দেশি পেঁয়াজের দাম এক সপ্তাহে কেজিতে ১০ টাকা বেড়েছে। বর্তমানে পাইকারিতে ৫৩ থেকে ৫৬ টাকা এবং খুচরায় ৬০ থেকে ৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ডালের বাজারেও চাপ রয়েছে। ছোলার দামও কেজিতে ১০ থেকে ১৫ টাকা পর্যন্ত বেড়ে বিক্রি হচ্ছে। প্রতি কেজি ছোলা ৯৫ থেকে ১০৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ছোট দানার মসুর ডাল কেজিতে ১৬০ টাকা, মোটা দানার মসুর ডাল ১০০ টাকা ও মাঝারি দানার মসুর ডাল ১১৫ থেকে ১২০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। 

মুরগি ও মাংসে চাহিদার চাপ : রমজানে মুরগির চাহিদা বাড়ায় দামও বেড়েছে। সোনালি মুরগি কেজি মানভেদে ৩২০ থেকে ৩৪০ টাকা এবং ব্রয়লার মুরগি ২০০ থেকে ২১০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। খাসির মাংস কেজি এক হাজার ৩০০ টাকা এবং গরুর মাংস কেজি ৮০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

মুরগি বিক্রেতারা বলছেন, বাজারে চাহিদা অতিরিক্ত বেড়ে যাওয়ায় মুরগির দাম বেড়ে গেছে। এখন খামারি পর্যায়ে মুরগির দাম চড়া।

শুল্ক ছাড়েও বাড়ল খেজুরের দাম : দেশে পর্যাপ্ত মজুদ থাকা সত্ত্বেও এবারও অসাধু ব্যবসায়ীদের কারসাজিতে খুচরা বাজারে খেজুরের দাম বেড়েছে। রাজধানীর খুচরা বাজারে গত দুই সপ্তাহে জাত ও মানভেদে বেশ কিছু খেজুরের দাম কেজিতে ৫০ থেকে ১৫০ টাকা পর্যন্ত বেড়ে বিক্রি হচ্ছে। বাজার সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) খেজুর আমদানিতে বর্তমান শুল্কের ৪০ শতাংশ কমানোর সিদ্ধান্ত নেওয়ার পরও দাম কমেনি, বরং কিছু জাতের খেজুরের দাম বেড়েছে।

এ বিষয়ে বাংলাদেশ ফ্রেশ ফ্রুটস ইম্পোর্টার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি সিরাজুল ইসলাম বলেছেন, ‘এবার খেজুরের দাম কিছুটা বাড়লেও গত বছরের তুলনায় কম আছে। আর পাইকারির চেয়ে খুচরা বিক্রেতারা বেশি দাম বাড়াচ্ছেন। গত বছরের চেয়ে এবার যে শুল্কছাড় দেওয়া হয়েছে, সেটা মাত্র ২ শতাংশ বেশি। কিন্তু বাজার গত বছরের চেয়ে অনেক কম রয়েছে।’

রাজধানীর খুচরা বাজার বাড্ডা ও কুড়িল জোয়ারসাহারা বাজার ঘুরে দেখা গেছে, প্রতি কেজি বরই ৫০০ থেকে ৬০০ টাকা, সুক্কারি ৮০০ থেকে ৯০০ টাকা, মেডজুল এক হাজার ৪০০ থেকে এক হাজার ৬০০ টাকা ও মেডজুল জাম্বু খেজুর এক হাজার ৭০০ থেকে এক হাজার ৮০০ টাকা, আজওয়া খেজুর মানভেদে এক হাজার ১০০ থেকে এক হাজার ৪০০ টাকা, ছোট সাইজের আজওয়া খেজুর ৮০০ থেকে ৯০০ টাকা, মরিয়ম এক হাজার ১০০ থেকে এক হাজার ৫০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ছড়া খেজুর মানভেদে ৬০০ থেকে ৭৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। 

ফলেও ঊর্ধ্বমুখী দাম : দেশি ফলের মধ্যে কলার দাম ডজন প্রতি ৪০ থেকে ৬০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। পেয়ারা বিক্রি হচ্ছে কেজি ১০০ থেকে ১৫০ টাকায়। মাঝারি সাইজের আনারস প্রতি পিস ৪০ থেকে ৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বিদেশি ফলের দাম আগে থেকেই চড়া ছিল। রোজাকে ঘিরে আরো বেড়েছে।

অর্থনীতি এর আরও খবর

img

বৈশ্বিক সংকট মোকাবেলা করে, ধীরে ধীরে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টাই বাংলাদেশের অর্থনীতি

প্রকাশিত :  ১১:৫৯, ০১ মে ২০২৬

সিনিয়র রিপোর্টার সৈয়দ আমানউল্লাহ: দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর, তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন নতুন বিএনপি সরকারকে একটি ভঙ্গুর ও চ্যালেঞ্জিং অর্থনীতির মুখোমুখি দাঁড়াতে হয়েছে, দেশের অর্থনীতি একটি মিশ্র ও চ্যালেঞ্জিং পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। একদিকে মূল্যস্ফীতির চাপ, খেলাপি ঋণ ও ব্যাংক খাতের ভঙ্গুর অবস্থার উত্তরণের চেষ্টা চলছে। অন্যদিকে রেমিট্যান্স বৃদ্ধি এবং বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে স্থিতিশীলতা ফেরার মতো ইতিবাচক প্রবণতাও দেখা যাচ্ছে। বাংলাদেশের অর্থনীতি মাঝারি প্রবৃদ্ধি (প্রায় ৫%) ও কাঠামোগত চ্যালেঞ্জের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রেখে এগিয়ে যাচ্ছে । মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ এবং বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ স্থিতিশীল করা (প্রায় ৩৪ বিলিয়ন ডলার) প্রধান লক্ষ্য । এছাড়া, এলডিসি (LDC) থেকে উত্তরণ এবং নতুন সরকার কর্তৃক অর্থনৈতিক সংস্কারের মাধ্যমে প্রবৃদ্ধি পুনরুদ্ধারের প্রচেষ্টা চলছে । 

প্রবৃদ্ধি ও উন্নয়ন: ২০২৬ অর্থবছরের প্রথমার্ধে জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৪.৫০ শতাংশের আশেপাশে থাকার সম্ভাবনা রয়েছে, যা কৃষি ও শিল্প খাতের ওপর নির্ভরশীল । আইএমএফ-এর পূর্বাভাস অনুযায়ী, মাথাপিছু জিডিপিতে বাংলাদেশ ভারতকে ছাড়িয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে ।

বিশ্বব্যাংক ও এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের (ADB) তথ্য অনুযায়ী, সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার প্রক্রিয়া কিছুটা শ্লথ হলেও প্রবৃদ্ধি ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছে।

রিজার্ভ ও বাণিজ্য: ঈদুল ফিতরসহ বিভিন্ন উৎসবকে কেন্দ্র করে রেমিট্যান্স প্রবাহ বাড়ায় দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ আরও শক্তিশালী হয়েছে । বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের ওপর চাপ কিছুটা কমেছে এবং রিজার্ভ প্রায় ৩৪ বিলিয়ন ডলারে স্থিতিশীল হয়েছে । তবে আমদানিনির্ভরতা এবং ডলারের উচ্চমূল্য এখনো চিন্তার বিষয় ।

মূল্যস্ফীতি ও নিত্যপণ্য: মূল্যস্ফীতি এখনো সাধারণ মানুষের জন্য অন্যতম বড় চাপ। 

মূল্যস্ফীতি উচ্চ পর্যায়ে থাকলেও ধীরগতিতে তা কমার প্রবণতা রয়েছে । খাদ্যপণ্যের দাম এখনো কিছুটা বেশি পরিলক্ষিত হচ্ছে। সরকার তা কমিয়ে আনতে বিভিন্ন আর্থিক ও নীতিগত পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।

খেলাপি ঋণ:  ব্যাংক খাতে উচ্চমাত্রার খেলাপি ঋণ (Non-Performing Loans) এবং আর্থিক সুশাসনের অভাব বিগত সরকারের সময় থেকে পাওয়া বড় চ্যালেঞ্জ। সরকার এসব প্রতিষ্ঠানে সংস্কার ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতের কাজ করছে।

রাজস্ব ও বাজেট ঘাটতি: কাঙ্ক্ষিত মাত্রায় রাজস্ব আদায় না হওয়ায় এবং ভর্তুকি ও ঋণ পরিশোধের চাপ বাড়ায় সরকারের ব্যাংক ঋণ গ্রহণের প্রবণতা বেড়েছে।

রপ্তানি খাত: আরএমজি (Ready-Made Garments) বা তৈরি পোশাক শিল্প দেশের অর্থনীতির প্রধান চালিকাশক্তি, যা মোট রপ্তানি আয়ের প্রায় ৮৪% নিশ্চিত করে। চীন-এর পরে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম পোশাক রপ্তানিকারক দেশ বাংলাদেশ। বৈশ্বিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি ও মূল্যস্ফীতির কারণে কাঁচামাল আমদানি, গ্যাস-বিদ্যুতের দাম এবং শ্রমিকদের বেতন বৃদ্ধি পাওয়ায় কারখানা গুলোর উৎপাদন খরচ অনেক বেড়েছে। ডলার সংকটের কারণে অনেক কারখানার সময়মতো এলসি খুলতে সমস্যা হচ্ছে, যার প্রভাব পড়ছে সময়মতো পণ্য ডেলিভারি ও পেমেন্টে। শ্রমিক অসন্তোষ এর কারণে অনেক কারখানা বন্ধ, বকেয়া বেতন এবং কাজের পরিবেশ নিয়ে মাঝে মাঝেই কিছু কারখানায় শ্রমিক বিক্ষোভ দেখা যায়। এছাড়া বর্ধিত খরচের চাপে কিছু ছোট ও মাঝারি কারখানা বন্ধও হয়ে গেছে। এসব পরিস্থিতি মোকাবেলা করে, তৈরি পোশাক শিল্প (RMG) বিশ্ববাজারে প্রতিযোগিতার সম্মুখীন হলেও ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছে।

কর্মসংস্থান ও বিনিয়োগ: কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং শিক্ষিত তরুণ ও যুবকদের জন্য নতুন চাকরির সুযোগ তৈরি করা সরকারের অন্যতম প্রধান অগ্রাধিকার। রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ফিরে আসার সাথে সাথে নতুন বেসরকারি বিনিয়োগ আকর্ষণের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

রেমিট্যান্স (Remittance): এদিকে চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে এপ্রিল মাস পর্যন্ত (প্রথম ৪ মাসে) বাংলাদেশে মোট ১২.৫ বিলিয়ন (১,২৫০ কোটি) মার্কিন ডলারের বেশি রেমিট্যান্স এসেছে ।  

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, এই চার মাসে আসা রেমিট্যান্সের মাসিক হিসাব অনুযায়ী 

জানুয়ারি মাসে এসেছে ৩.১৭ বিলিয়ন (৩১৭ কোটি) ডলার, ফেব্রুয়ারি মাসে এসেছে ৩.০২ বিলিয়ন (৩০২ কোটি) ডলার, মার্চ মাসে এসেছে ৩.৭৫ বিলিয়ন (৩৭৫ কোটি) ডলার, (যা ইতিহাসের সর্বোচ্চ মাসিক রেকর্ড)। এপ্রিল মাসের প্রথম ২৮ দিনে ২.৯১ বিলিয়ন (২৯১ কোটি) ডলার এসেছে । মাস শেষে এই সংখ্যাটি আনুমানিক ৩ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে। মোট প্রবাহ, এই সময়ে প্রবাসীরা প্রায় ১২.৮৫ বিলিয়ন ডলার দেশে পাঠিয়েছেন। গত বছরের একই সময়ের তুলনায় এ বছর রেমিট্যান্স প্রবাহে প্রায় ১৬% থেকে ২০% প্রবৃদ্ধি অর্জিত হয়েছে ।

বাজেট ও চ্যালেঞ্জ: সরকার ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য বড় বাজেট প্রণয়নের লক্ষ্যে কাজ করছে । মূল চ্যালেঞ্জগুলোর মধ্যে রয়েছে ব্যাংকিং খাতের সমস্যা, বিনিয়োগ স্থবিরতা এবং এলডিসি থেকে উত্তরণের প্রস্তুতি । 

সার্বিকভাবে, বিগত সরকারের রেখে যাওয়া ভঙ্গুর অর্থনীতির ক্ষত ও বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তার কারণে নতুন সরকারের যাত্রা কিছুটা কঠিন হলেও ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতির লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের জন্য সরকার কাঠামোগত সংস্কার ও আর্থিক খাতের সুশাসন প্রতিষ্ঠায় মনোনিবেশ করেছে। ২০২৬ সালটি বাংলাদেশের অর্থনীতিতে একটি \"পরীক্ষার বছর\", বলা যেতে পারে।