img

৫ মামলায় জামিন পেলেন সেলিনা হায়াৎ আইভী

প্রকাশিত :  ০৯:৫০, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
সর্বশেষ আপডেট: ১০:১৯, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

৫ মামলায় জামিন পেলেন সেলিনা হায়াৎ আইভী

নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র সেলিনা হায়াৎ আইভী পাঁচ মামলায় জামিন পেয়েছেন। হত্যাসহ পৃথক পাঁচ মামলায় জামিন চেয়ে করা পৃথক আবেদনের শুনানি নিয়ে বিচারপতি কে এম জাহিদ সারওয়ার ও বিচারপতি শেখ আবু তাহেরের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ বৃহস্পতিবার এ আদেশ দেন। ‎আদালতে আইভীর পক্ষে সিনিয়র আইনজীবী সারা হোসেন শুনানি করেন। সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী মোতাহার হোসেন সাজু প্রমুখ।

‎মামলাগুলো হলো—বাসচালক আবুল হোসেন মিজি হত্যা মামলা, আব্দুর রহমান হত্যা মামলা, মো. ইয়াছিন হত্যা মামলা, পারভেজ হত্যা মামলা এবং পুলিশের কাজে বাধা দানের মামলা।

‎আগের ৫টি মামলায় আইভী জামিন পাওয়ার কাছাকাছি সময়ে এই ৫টি মামলা দায়েরে করা হয়। এর মধ্যে প্রথম চারটি মামলায় নিহতদের পরিবারের সদস্যরা বাদী। ফতুল্লা মডেল থানায় এই ৪টি মামলা দায়ের করা হয়। মামলার নথি অনুযায়ী, ২০২৪ সালের জুলাইয়ে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সময় ঢাকা–নারায়ণগঞ্জ মহাসড়ক এবং ভুঁইগড় ও দেলপাড়া এলাকায় গুলিতে বিভিন্ন বয়সী চারজন নিহত হন।

‎অপর মামলাটি সদর মডেল থানায় পুলিশ বাদী হয়ে করেছে। আইভীর বাসভবন ‘চুনকা কুটির’ থেকে নিয়ে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ইট-পাটকেল ছোড়া এবং ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এ অভিযোগে পুলিশ গত ১২ মে এই মামলাটি করেছে। আইভীর সমর্থক আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীদেরও এ মামলায় আসামি করা হয়।

সেলিনা হায়াৎ আইভী ২০২৫ এর ৯ মে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন-সংক্রান্ত মিনারুল হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার হন। এরপর থেকে তিনি কারাগারে আছেন। সে সময় তাঁকে মোট পাঁচটি মামলায় ‘শ্যোন অ্যারেস্ট’ দেখায় পুলিশ।

‎গত ২০২৫ সালের  ৯ নভেম্বর হাইকোর্টের বিচারপতি এ এস এম আবদুল মোবিন ও বিচারপতি মো. সগীর হোসেনের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ আইভীকে এই পাঁচটি মামলায় জামিন দিলেও আপিল বিভাগের চেম্বার আদালত সেই আদেশ স্থগিত করে।

‎আইনজীবী মোতাহার হোসেন সাজু সমকালকে বলেন, সেলিনা হায়াত আইভীর বিরুদ্ধে আরও পাঁচটি মামলা থাকায় তিনি এখনই মুক্তি পাচ্ছেন না। 

img

ইন্দোনেশিয়ায় হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়ে ৮ যাত্রীর সবাই নিহত

প্রকাশিত :  ১১:১৯, ১৭ এপ্রিল ২০২৬

ইন্দোনেশিয়ায় একটি বেসামরিক হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়েছে। এতে চালকসহ মোট ৮ জন আরোহী ছিলেন, এবং দুর্ঘটনায় সবাই নিহত হয়েছেন। গতকাল বৃহস্পতিবার পশ্চিম কালিমান্তান প্রদেশের মেলাউই জেলায় ঘটেছে এই দুর্ঘটনা। ইন্দোনেশিয়ার দুর্যোগ মোকাবিলা দপ্তরের মেলাউই শাখা আজ শুক্রবার দুর্ঘটনার তথ্য নিশ্চিত করেছে।

বিধ্বস্ত হেলিকপ্টারটি ছিল একটি এয়াবাস এইচ১৩০ এয়ারক্রাফট এবং সেটির মালিক ছিল স্থানীয় একটি বিমান পরিষেবাদাতা সংস্থা। দুর্যোগ মোকাবিলা দপ্তরের মেলাউই শাখার উদ্ধারাকরী বাহিনীর প্রধান নির্বাহী মোহাম্মদ সায়াফি জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার মেলাউইর একটি পাম-বাগান থেকে উড্ডয়নের ৫ মিনিট পরেই হেলিকপ্টারটি যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছিল।

“যে এলাকায় হেলিকপ্টারটি বিধ্বস্ত হয়েছে, সেটি খাড়া পাহাড়ি এবং ঘন জঙ্গলে আবৃত একটি অঞ্চল এবং পার্শ্ববর্তী সেকাদাও জেলার অন্তর্গত”, এএফপিকে বলেছেন মোহাম্মদ সায়াফি।

দুর্গম পথ এবং ঘন বনাঞ্চলের জন্য দুর্ঘটনাস্থলে যেতে উদ্ধারকারী বাহিনীর বেশ সময় লেগেছে বলে জানিয়েছেন মোহাম্মদ সায়াফি। তিনি আরও জানিয়েছেন, বিমানটিতে ২ জন ক্রু এবং ৬ জন যাত্রী ছিলেন; তাদের সবাইকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে। যাত্রীদের মধ্যে একজন মালয়েশিয়ার নাগরিক ছিলেন।

কী কারণে এই দুর্ঘটনা ঘটেছে, তা এখনও জানা যায়নি। তবে হেলিকপ্টারটির লেজের অংশ সেটির মূল অংশ থেকে আলাদা হয় কয়েক কিলোমিটার দূরে পড়েছিল। ধারণা করা হচ্ছে, লেজের অংশটি হেলিকপ্টারের মূল অংশ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছিল; কিন্তু কী কারণে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছিল সেটি— তার উত্তর মেলেনি।

দুর্ঘটনার কারণ খতিয়ে দেখতে ইতোমধ্যে একটি কমিটি গঠন করে কাজ শুরু করেছে স্থানীয় প্রশাসন।

সূত্র : গালফ নিউজ, এএফপি


জাতীয় এর আরও খবর