img

ধর্ষণের বিচার চাওয়া কিশোরীকে বাবার কাছ থেকে ছিনিয়ে নিয়ে হত্যা

প্রকাশিত :  ১৪:০৭, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
সর্বশেষ আপডেট: ১৪:০৮, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ধর্ষণের বিচার চাওয়া কিশোরীকে বাবার কাছ থেকে ছিনিয়ে নিয়ে হত্যা

নরসিংদীর মাধবদী উপজেলায় এক কিশোরীকে তার সৎ বাবার কাছ থেকে ‘ছিনিয়ে নিয়ে’ হত্যা করা হয়েছে। ১৫ বছর বয়সী ওই মেয়েটিকে পনেরো দিন আগে ‘ধর্ষণ’ করা হয়েছিল বলে তার পরিবার অভিযোগ করেছে।

আজ বৃহস্পতিবার সকালে মাধবদী থানার কোতালিরচর দড়িকান্দী এলাকার একটি সরিষা ক্ষেত থেকে ওই কিশোরীর মরদেহ উদ্ধারের খবর জানিয়েছেন নরসিংদীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সুজন চন্দ্র সরকার।

মৃত ১৫ বছর বয়সী ওই কিশোরী মাধবদীর বিলপাড় এলাকায় পরিবারের সঙ্গে ভাড়া বাসায় থাকতো। তার সৎ বাবার বাড়ি বরিশালে।

মেয়েটির স্বজনদের অভিযোগ, গত ১৫ দিন আগে স্থানীয় বখাটে নূরার নেতৃত্বে ৫ থেকে ৬ জনের একটি দল কর্মস্থল থেকে বাড়ি ফেরার পথে মেয়েটিকে তুলে নিয়ে ‘ধর্ষণ করে’। বিষয়টি স্থানীয়ভাবে মহিষাশুরা ইউনিয়ন পরিষদের ৯ নম্বর ওয়ার্ড মেম্বার আহমদের নেতৃত্বে মীমাংসা করা হয়।

মেয়েটির সৎ বাবার ভাষ্য, বুধবার বিকালে মেয়েকে খালার বাড়িতে রাখতে যাচ্ছিলেন। পথে বড়ইতলা এলাকায় নূরার নেতৃত্বে পাঁচজন মিলে তার কাছ থেকে মেয়েকে ছিনিয়ে নিয়ে যায়। পরে বাড়ির লোকজন অনেকক্ষণ খোঁজাখুঁজির করেও না পেয়ে বাড়ি ফিরে যায়।

প্রত্যক্ষদর্শীরা বলছেন, বৃহস্পতিবার সকালে কোতালিরচর দড়িকান্দী এলাকায় একটি সরিষা ক্ষেতে গলায় ওড়না প্যাঁচানো অবস্থায় মেয়েটির মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা থানায় খবর দেয়। খবর পেয়ে স্বজনরা ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ শনাক্ত করেন।

নরসিংদীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সুজন চন্দ্র সরকার জানান, পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে মরদেহ উদ্ধার করে। এখন পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ ছাড়াও অপরাধীদের খুঁজে বের করতে কাজ করছে পুলিশ। তদন্তের পরে বিস্তারিত জানানো হবে।

img

ইন্দোনেশিয়ায় হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়ে ৮ যাত্রীর সবাই নিহত

প্রকাশিত :  ১১:১৯, ১৭ এপ্রিল ২০২৬

ইন্দোনেশিয়ায় একটি বেসামরিক হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়েছে। এতে চালকসহ মোট ৮ জন আরোহী ছিলেন, এবং দুর্ঘটনায় সবাই নিহত হয়েছেন। গতকাল বৃহস্পতিবার পশ্চিম কালিমান্তান প্রদেশের মেলাউই জেলায় ঘটেছে এই দুর্ঘটনা। ইন্দোনেশিয়ার দুর্যোগ মোকাবিলা দপ্তরের মেলাউই শাখা আজ শুক্রবার দুর্ঘটনার তথ্য নিশ্চিত করেছে।

বিধ্বস্ত হেলিকপ্টারটি ছিল একটি এয়াবাস এইচ১৩০ এয়ারক্রাফট এবং সেটির মালিক ছিল স্থানীয় একটি বিমান পরিষেবাদাতা সংস্থা। দুর্যোগ মোকাবিলা দপ্তরের মেলাউই শাখার উদ্ধারাকরী বাহিনীর প্রধান নির্বাহী মোহাম্মদ সায়াফি জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার মেলাউইর একটি পাম-বাগান থেকে উড্ডয়নের ৫ মিনিট পরেই হেলিকপ্টারটি যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছিল।

“যে এলাকায় হেলিকপ্টারটি বিধ্বস্ত হয়েছে, সেটি খাড়া পাহাড়ি এবং ঘন জঙ্গলে আবৃত একটি অঞ্চল এবং পার্শ্ববর্তী সেকাদাও জেলার অন্তর্গত”, এএফপিকে বলেছেন মোহাম্মদ সায়াফি।

দুর্গম পথ এবং ঘন বনাঞ্চলের জন্য দুর্ঘটনাস্থলে যেতে উদ্ধারকারী বাহিনীর বেশ সময় লেগেছে বলে জানিয়েছেন মোহাম্মদ সায়াফি। তিনি আরও জানিয়েছেন, বিমানটিতে ২ জন ক্রু এবং ৬ জন যাত্রী ছিলেন; তাদের সবাইকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে। যাত্রীদের মধ্যে একজন মালয়েশিয়ার নাগরিক ছিলেন।

কী কারণে এই দুর্ঘটনা ঘটেছে, তা এখনও জানা যায়নি। তবে হেলিকপ্টারটির লেজের অংশ সেটির মূল অংশ থেকে আলাদা হয় কয়েক কিলোমিটার দূরে পড়েছিল। ধারণা করা হচ্ছে, লেজের অংশটি হেলিকপ্টারের মূল অংশ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছিল; কিন্তু কী কারণে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছিল সেটি— তার উত্তর মেলেনি।

দুর্ঘটনার কারণ খতিয়ে দেখতে ইতোমধ্যে একটি কমিটি গঠন করে কাজ শুরু করেছে স্থানীয় প্রশাসন।

সূত্র : গালফ নিউজ, এএফপি


জাতীয় এর আরও খবর