img

বড় কোম্পানিগুলোকে শেয়ারবাজারে আনতে বিএসইসির জোর তৎপরতা

প্রকাশিত :  ১৪:৫৭, ০৫ এপ্রিল ২০২৬

বড় কোম্পানিগুলোকে শেয়ারবাজারে আনতে বিএসইসির জোর তৎপরতা

দেশের বড় কোম্পানিগুলোকে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত করার বিষয়ে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসি। বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) চেয়ারম্যান খন্দকার রাশেদ মাকসুদ এ প্রক্রিয়ায় সরকারসহ বাজার সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সহযোগিতা প্রয়োজন বলে জানিয়েছেন।

আজ রোববার (৫ এপ্রিল) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বিএসইসির মাল্টিপারপাস হলে আয়োজিত শেয়ারবাজার অংশীজনদের ষষ্ঠ মাসিক সমন্বয় সভায় বিএসইসি চেয়ারম্যান এসব কথা বলেন।

সমন্বয় সভায় উপস্থিত ছিলেন বিএসইসির কমিশনার মুঃ মোহসিন চৌধুরী, মোঃ আলী আকবর, ফারজানা লালারুখ ও মোঃ সাইফুদ্দিনসহ সংস্থাটির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এবং শেয়ারবাজার সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও সংগঠনের শীর্ষ প্রতিনিধিরা।

বিএসইসি চেয়ারম্যান বলেন, “মার্জিন বিধিমালা, ২০২৫; মিউচুয়াল ফান্ড বিধিমালা, ২০২৫ এবং পাবলিক অফার অব ইক্যুইটি সিকিউরিটিজ রুলস, ২০২৫—এই তিনটি বিধিমালার মাধ্যমে শেয়ারবাজারের আইনি সংস্কারের বড় অংশ সম্পন্ন হয়েছে।” তিনি আরও জানান, শিগগিরই কর্পোরেট গভর্ন্যান্স সংক্রান্ত নতুন বিধিমালাও প্রণয়ন করা হবে।

সংস্থাটির পরিচালক ও মুখপাত্র মোঃ আবুল কালাম স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

শেয়ারবাজার সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সভায় উন্মুক্ত আলোচনা হয়। এর মধ্যে ছিল—শেয়ারবাজার উন্নয়নের চলমান উদ্যোগ, বাজারকে ফ্রন্টিয়ার থেকে ইমার্জিং মার্কেটে উন্নীত করার পরিকল্পনা, ই-কেওয়াইসি বাস্তবায়ন, কমোডিটি এক্সচেঞ্জ চালু, প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে সমন্বয় বৃদ্ধি এবং পাবলিক ইন্টারেস্ট কোম্পানির জন্য সুনির্দিষ্ট মানদণ্ড নির্ধারণ করে তালিকাভুক্তির উদ্যোগ।বাংলাদেশ অর্থনীতি

প্রাতিষ্ঠানিক সুশাসন নিশ্চিতকরণ, সেন্ট্রাল কাউন্টারপার্টি বাংলাদেশ লিমিটেড (সিসিবিএল)-এর রেজিস্ট্রেশন ও সক্ষমতা বৃদ্ধি, বিনিয়োগ শিক্ষা সম্প্রসারণ, নতুন পণ্য চালু ও বৈচিত্র্য আনা, বাজারে কারসাজি প্রতিরোধ, ইনভেস্টর প্রটেকশন ফান্ডের মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্ত বিনিয়োগকারীদের সহায়তা এবং প্রাইস সেনসেটিভ ইনফরমেশনের যথার্থতা নিশ্চিতকরণ— এসব গুরুত্ববহ বিষয় আলোচনায় উঠে আসে। পাশাপাশি নেগেটিভ ইকুইটি ও আনরিয়েলাইজড লসের সমাধান এবং বিনিয়োগকারীদের আস্থা ও সুরক্ষা জোরদার করার বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হয়।

সমন্বয় সভায় অংশ নেন শেয়ারবাজার সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ কর্মকর্তারা। এর মধ্যে ছিলেন সিসিবিএলের চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) মোঃ ওয়াহিদ-উজ-জামান, ডিএসই ব্রোকার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ডিবিএ) প্রেসিডেন্ট সাইফুল ইসলাম, ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ব্যবস্থাপনা পরিচালক নুজহাত আনোয়ার, চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই) ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ সাইফুর রহমান মজুমদারসহ অন্যান্যরা।

img

একনেকে ৩৫ হাজার কোটি টাকার পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্প অনুমোদন

প্রকাশিত :  ১১:১৫, ১৩ মে ২০২৬
সর্বশেষ আপডেট: ২০:১২, ১৩ মে ২০২৬

জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক) প্রায় ৩৬ হাজার ৬৯৫ কোটি ৭২ লাখ টাকা ব্যয়ে ৯টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন দিয়েছে। তন্মধ্যে প্রায় ৩৫ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে ‘পদ্মা ব্যারেজ’ প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

আজ বুধবার (১৩ মে) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত একনেক বৈঠকে প্রকল্পটির অনুমোদন দেওয়া হয়। 

সরকারি সূত্রে জানানো হয়, ১৯৬০-এর দশক থেকেই ফরিদপুর, খুলনা, বরিশাল ও রাজশাহী অঞ্চলের নদী, কৃষি ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণের দাবি ওঠে। পরে ১৯৭৫ সালে ফারাক্কা বাঁধ চালুর পর পদ্মা নদীর পানিপ্রবাহ কমে যাওয়ায় বিষয়টি আরও গুরুত্ব পায়।

ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনে পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল বিএনপি। সরকার গঠনের পর সেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের পথে বড় অগ্রগতি হিসেবে দেখা হচ্ছে এই অনুমোদনকে।

বৈঠক শেষে ব্রিফিংয়ে শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী জানান, সম্পূর্ণ সরকারি অর্থায়নে প্রাথমিকভাবে পাঁচ বছর মেয়াদি এ প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হবে। তিনি বলেন, প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে দেশের ২৪টি জেলার প্রায় সাত কোটি মানুষ সরাসরি উপকৃত হবে।

ভারতের সঙ্গে এ বিষয়ে কোনো আলোচনা হবে কি না- এমন প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, পদ্মা ব্যারেজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়। তবে গঙ্গা পানি বণ্টন চুক্তি নবায়নে দুই দেশের সংশ্লিষ্ট কমিশন কাজ করছে।

মন্ত্রী আরও জানান, আগামী বাজেট ঘোষণার পরই পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্পের কাজ শুরু করার পরিকল্পনা রয়েছে।