টাইমসের রিপোর্ট

img

অজ্ঞান হয়ে পড়ে আছেন মোজতবা খামেনি, যুদ্ধের সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন অন্য কেউ

প্রকাশিত :  ০৫:২২, ০৭ এপ্রিল ২০২৬
সর্বশেষ আপডেট: ০৭:৩৭, ০৭ এপ্রিল ২০২৬

অজ্ঞান হয়ে পড়ে আছেন মোজতবা খামেনি, যুদ্ধের সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন অন্য কেউ

ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ অতর্কিত হামলায় গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে নিহত হন দেশটির তৎকালীন সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি। তবে সেদিন প্রাণে রক্ষা পান তার ছেলে মোজতবা, যিনি পরে নতুন সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে দায়িত্ব নেন। কিন্তু এক মাসের বেশি সময় পার হলেও এখনো তিনি প্রকাশ্যে আসেননি। এর মধ্যেই সামনে এসেছে একটি চাঞ্চল্যকর প্রতিবেদন।

টাইমসের রিপোর্টে বলা হয়েছে, ইসরায়েল-মার্কিন বাহিনীর হামলায় আহত মোজতবা খামেনি অচেতন অবস্থায় পড়ে আছেন। দেশটির কোম শহরে তিনি চিকিৎসা নিচ্ছেন। 

কূটনৈতিক মেমোর বরাতে টাইমস বলছে, ৫৬ বছর বয়সী মোজতবা খামেনি সংজ্ঞাহীন হয়ে আছেন। ‘গুরুতর’ অসুস্থতার জন্য মোজতবা খামেনির চিকিৎসা চলছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রথমবারের মতো মোজতবা খামেনির অবস্থান প্রকাশ করা হলো।

কূটনৈতিক ওই নথিতে বলা হয়েছে, মোজতবা খামেনি কোম-এ গুরুতর শারীরিক অবস্থায় চিকিৎসাধীন আছেন। তিনি ইরান সরকারের কোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় অংশ নিতে পারছেন না।

ধারণা করা হচ্ছে, মার্কিন ও ইসরায়েলি গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে তৈরি করা এই নথি উপসাগরীয় মিত্রদের সঙ্গে শেয়ার করা হয়েছে। 

ইরানের বিরুদ্ধে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধ মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) পর্যন্ত টানা ৩৯ দিনে পৌঁছেছে। এতে ইরানে বহু প্রাণহানি ও ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে বিভিন্ন মিডিয়ার খবরে প্রকাশ পেয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত যুদ্ধ বন্ধের কোনো লক্ষণ পাওয়া যাচ্ছে না। 


img

‘তাইওয়ান ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্র-চীন সংঘাত হতে পারে’— ট্রাম্পকে শি চিনপিং

প্রকাশিত :  ০৮:৩১, ১৪ মে ২০২৬

তাইওয়ান ইস্যু ভুলভাবে সামাল দেওয়া হলে চীন ও যুক্তরাষ্ট্র সরাসরি সংঘাতে জড়িয়ে পড়তে পারে বলে সতর্ক করেছেন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। আজ বৃহস্পতিবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে আলোচনায় এই বার্তা দেন তিনি।

চীনা রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম সিসিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বৈঠকে শি জিনপিং তাইওয়ান প্রশ্নকে চীন-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কের ‘সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু’ হিসেবে উল্লেখ করেন।

শি জিনপিং বলেন, ‘তাইওয়ান প্রশ্ন ভুলভাবে পরিচালিত হলে দুই দেশ মুখোমুখি সংঘাতে জড়িয়ে পড়তে পারে। এতে পুরো চীন-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ক অত্যন্ত বিপজ্জনক পরিস্থিতির দিকে চলে যাবে।’

চীন দীর্ঘদিন ধরেই তাইওয়ানকে নিজেদের অংশ বলে দাবি করে আসছে। যদিও স্বশাসিত দ্বীপটি নিজস্ব সরকার ও প্রশাসনের মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে।

তাইওয়ান ইস্যুকে কেন্দ্র করে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ওয়াশিংটন ও বেইজিংয়ের মধ্যে উত্তেজনা বেড়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে তাইওয়ানের প্রতি সমর্থন অব্যাহত থাকায় বারবার ক্ষোভ প্রকাশ করেছে চীন।

 

আন্তর্জাতিক এর আরও খবর