img

চুক্তির জন্য গোপনে পাকিস্তানকে চাপ দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র: ফিন্যান্সিয়াল টাইমস

প্রকাশিত :  ০৫:২৮, ০৯ এপ্রিল ২০২৬

চুক্তির জন্য গোপনে পাকিস্তানকে চাপ দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র: ফিন্যান্সিয়াল টাইমস

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন প্রকাশ্যে কঠোর হুমকি দিলেও গোপনে পাকিস্তানকে ব্যবহার করে ইরানের সঙ্গে একটি যুদ্ধবিরতি চুক্তি করানোর চেষ্টা চালিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। সংবাদমাধ্যম ফিন্যান্সিয়াল টাইমসের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

গতকাল বুধবার (০৮ এপ্রিল) সংবাদমাধ্যমটির বরাতে ইয়েনি শাফাক জানিয়েছে, তেলের দাম দ্রুত বেড়ে যাওয়া এবং ইরানের অপ্রত্যাশিত সামরিক প্রতিরোধ ক্ষমতা যুক্তরাষ্ট্রকে কৌশল পরিবর্তনে বাধ্য করে। সংঘাতের ফলে অপরিশোধিত তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলারের উপরে উঠে যাওয়ায় বৈশ্বিক অর্থনীতি ও মার্কিন অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে চাপ তৈরি হচ্ছিল। এই পরিস্থিতিতে ওয়াশিংটনের লক্ষ্য ছিল কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি পুনরায় চালু করা, যার মাধ্যমে বিশ্বের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ তেল পরিবাহিত হয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্র মনে করেছিল মুসলিম-প্রধান ও তুলনামূলক নিরপেক্ষ অবস্থানে থাকা পাকিস্তান তেহরানকে যুদ্ধবিরতিতে রাজি করাতে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারবে। এ ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন পাকিস্তানের সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল অসিম মুনির। তিনি ও তার দল ইরান এবং যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ কর্মকর্তাদের মধ্যে বার্তা আদান-প্রদান করেন।

এই গোপন আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে ট্রাম্প ছাড়াও ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স এবং বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ যুক্ত ছিলেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রকাশ্যে যুক্তরাষ্ট্র যে দাবি করেছে যে ইরান নাকি যুদ্ধবিরতির জন্য অনুরোধ করেছিল। এটি একটি পূর্ণ সামরিক বিজয়। তবে এর সঙ্গে পর্দার আড়ালের বাস্তবতার বড় ধরনের অমিল রয়েছে। বাস্তবে, তেলের দাম বৃদ্ধি ও ইরানের প্রতিরোধ ক্ষমতা নিয়ে উদ্বেগ থেকেই এই কূটনৈতিক তৎপরতা চালানো হয়েছে বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।


img

‘তাইওয়ান ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্র-চীন সংঘাত হতে পারে’— ট্রাম্পকে শি চিনপিং

প্রকাশিত :  ০৮:৩১, ১৪ মে ২০২৬

তাইওয়ান ইস্যু ভুলভাবে সামাল দেওয়া হলে চীন ও যুক্তরাষ্ট্র সরাসরি সংঘাতে জড়িয়ে পড়তে পারে বলে সতর্ক করেছেন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। আজ বৃহস্পতিবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে আলোচনায় এই বার্তা দেন তিনি।

চীনা রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম সিসিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বৈঠকে শি জিনপিং তাইওয়ান প্রশ্নকে চীন-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কের ‘সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু’ হিসেবে উল্লেখ করেন।

শি জিনপিং বলেন, ‘তাইওয়ান প্রশ্ন ভুলভাবে পরিচালিত হলে দুই দেশ মুখোমুখি সংঘাতে জড়িয়ে পড়তে পারে। এতে পুরো চীন-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ক অত্যন্ত বিপজ্জনক পরিস্থিতির দিকে চলে যাবে।’

চীন দীর্ঘদিন ধরেই তাইওয়ানকে নিজেদের অংশ বলে দাবি করে আসছে। যদিও স্বশাসিত দ্বীপটি নিজস্ব সরকার ও প্রশাসনের মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে।

তাইওয়ান ইস্যুকে কেন্দ্র করে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ওয়াশিংটন ও বেইজিংয়ের মধ্যে উত্তেজনা বেড়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে তাইওয়ানের প্রতি সমর্থন অব্যাহত থাকায় বারবার ক্ষোভ প্রকাশ করেছে চীন।

 

আন্তর্জাতিক এর আরও খবর