img

আমরা সবাই মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য পদক্ষেপ নিতে পারি

প্রকাশিত :  ১৮:১৬, ০৭ মে ২০২৬
সর্বশেষ আপডেট: ১৯:২৬, ০৭ মে ২০২৬

আমরা সবাই মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য পদক্ষেপ নিতে পারি

মে মাসের প্রথম দুই সপ্তাহজুড়ে টাওয়ার হ্যামলেটস - এ মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে সচেতনতা বাড়াতে দুটি গুরুত্বপূর্ণ সপ্তাহ পালন করা হচ্ছে। ৪ থেকে ১০ মে পর্যন্ত উদযাপিত হচ্ছে মাতৃত্বকালীন মানসিক স্বাস্থ্য সপ্তাহ (ম্যাটারনাল মেন্টাল হেলথ উইক), আর ১১ থেকে ১৭ মে পর্যন্ত চলছে মানসিক স্বাস্থ্য সচেতনতা সপ্তাহ (মেন্টাল হেলথ এওয়ারনেস উইক)।

এ বছরের মূল বার্তা হলো ‘এ্যাকশন’ বা পদক্ষেপ নেওয়া - এর মানে নিজের জন্য, অন্যের জন্য এবং সবার জন্য মানসিক স্বাস্থ্যের দিকে ছোট ছোট হলেও ইতিবাচক পদক্ষেপ নেওয়া।

এই উদ্যোগের অংশ হিসেবে “হেলদি টাওয়ার হ্যামলেটস” ক্যাম্পেইন চালু করা হয়েছে। এর উদ্দেশ্য হলো, এমন পাঁচটি প্রতিরোধযোগ্য ঝুঁকির বিষয়ে সচেতনতা তৈরি করা, যেগুলো দীর্ঘমেয়াদী শারীরিক অসুস্থতার সঙ্গে জড়িত। এর মধ্যে অন্যতম হলো মানসিক স্বাস্থ্যের অবনতি। ক্যাম্পেইনটি শুধু তথ্য দেওয়ার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং এটি মানুষকে বাস্তব পরিবর্তনের দিকে উৎসাহিত করছে, যেন তারা নিজেদের জীবনধারায় ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে পারে।

এই ক্যাম্পেইনের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো স্থানীয় মানুষের বাস্তব অভিজ্ঞতা তুলে ধরা। এর মাধ্যমে মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে সমাজে যে লজ্জা বা ভুল ধারণা আছে, তা কমিয়ে আনার চেষ্টা করা হচ্ছে।

এই ক্যাম্পেইনের মুখ হিসেবে আছেন স্থানীয় বাসিন্দা মমতাজ। সন্তান জন্মের পর তিনি মানসিকভাবে কঠিন সময় পার করেছিলেন। তিনি জানান, সেই সময় তিনি জিপির মাধ্যমে থেরাপি গ্রহণ করেন, যা তাকে ধীরে ধীরে স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে সাহায্য করে। শুধু তাই নয়, নিজের যত্ন নেওয়ার অংশ হিসেবে তিনি একটি ফিটনেস ক্লাসে যোগ দেন এবং এখন নিয়মিতভাবে প্রতি সপ্তাহে সেখানে অংশ নেন।

মমতাজের গল্প অনেকের জন্য অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করছে। এটি দেখায় যে মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে কথা বলা এবং সাহায্য চাওয়া দুর্বলতা নয়, বরং এটি একটি সাহসী সিদ্ধান্ত।

এই দুই সপ্তাহের কার্যক্রম মানুষকে মনে করিয়ে দিচ্ছে যে মানসিক স্বাস্থ্য সবার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। ছোট ছোট পদক্ষেপ, যেমন কারও সাথে কথা বলা, সাহায্য চাওয়া বা নিজের জন্য সময় বের করা, বড় পরিবর্তনের সূচনা করতে পারে।

ভিডিওটি দেখতে হলে ভিজিট করুনঃ  www.youtube.com/watch?v=PuNqsOsoIXE

মানসিক স্বাস্থ্য ভালো থাকলে শুধু ব্যক্তি নয়, পুরো পরিবার এবং সমাজও আরও শক্তিশালী হয়ে ওঠে।

কমিউনিটি এর আরও খবর

img

যুক্তরাজ্যে ফটিকছড়ি কমিউনিটি ইউকের নতুন কার্যকরী কমিটি গঠন

প্রকাশিত :  ০৫:২২, ১৭ জুন ২০২৬

যুক্তরাজ্যে বসবাসরত ফটিকছড়ি উপজেলাবাসীদের সংগঠন ফটিকছড়ি কমিউনিটি ইউকে-এর নতুন কার্যকরী কমিটি গঠন করা হয়েছে। গত ১৫ জুন পূর্ব লন্ডনের একটি রেস্টুরেন্টে অনুষ্ঠিত সংগঠনের সাধারণ সভায় সর্বসম্মতিক্রমে নতুন কমিটি নির্বাচন করা হয়। 

সভায় উপস্থিত সদস্যদের মতামত ও সমর্থনের ভিত্তিতে আকতারুল আলম প্রেসিডেন্ট, শেখ মোহাম্মদ নাছের জেনারেল সেক্রেটারি এবং এমদাদ হোসেন ট্রেজারার নির্বাচিত হন।

সংগঠনের আহ্বায়ক কাজী ফয়েজুল আলমের সভাপতিত্বে এবং আহ্বায়ক কমিটির সদস্য মোহাম্মদ সরওয়ার হোসেনের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত সভায় যুক্তরাজ্যের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে বিপুল সংখ্যক ফটিকছড়িবাসী অংশগ্রহণ করেন। সভার শুরুতে পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত করেন আজমল করিম জুয়েল। 

সাধারণ সভার দ্বিতীয় পর্বে ফটিকছড়ি কমিউনিটি ইউকের নতুন কার্যকরী কমিটি গঠন করা হয়। এ পর্ব পরিচালনা করেন সংগঠনের সিনিয়র সদস্য সলিসিটর জাকির আলম এবং মোহাম্মদ ইসাক চৌধুরী। 

সভায় অন‍্যান‍্যদের মধ‍্যে বক্তব্য রাখেন আলী রেজা, অনুপম সাহা, ইব্রাহিম জাহান, আজমল করিম জুয়েল, জাহেদুল আলম মাসুদ, মোহাম্মদ আলম, সৈয়দ রাসেল, মীরা বড়ুয়া, জয়নাল আবেদীন, আনোয়ার হোসেন, ওয়াহিদ পারভেজ, ইসা খান, আলতাফ হোসেন, শাহাব উদ্দিন, কামাল উদ্দিন, সৈয়দ সাজ্জাদ ফজল, মোহাম্মদ সিদ্দিক, পেয়ারুল ইসলাম, আবু বকর সিদ্দিক, মোহাম্মদ রানাসহ আরো অনেকে। 

সভায় সংগঠনের নবনির্বাচিত জেনারেল সেক্রেটারি শেখ মোহাম্মদ নাছেরের বোনের মৃত্যুতে দোয়া পরিচালনা ও শোক প্রস্তাব গ্রহণ করা হয়। 

নবনির্বাচিত নেতৃবৃন্দ কমিউনিটির সদস্যদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, ফটিকছড়িবাসীদের মধ্যে ঐক্য, ভ্রাতৃত্ববোধ ও পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে তারা নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করবেন। একই সঙ্গে ফটিকছড়ির মানুষের কল্যাণে বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক উদ্যোগ গ্রহণের প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

সভায় উপস্থিত সদস্যরা নবনির্বাচিত কমিটিকে অভিনন্দন জানান এবং তাদের সফলতা কামনা করেন। তারা আশা প্রকাশ করেন, নতুন নেতৃত্বের অধীনে ফটিকছড়ি কমিউনিটি ইউকে আরও গতিশীল ও শক্তিশালী সংগঠনে পরিণত হবে।

কমিউনিটি এর আরও খবর