img

কুমিল্লা সীমান্তে বিজিবির অভিযানে প্রায় ৯৪ লক্ষ টাকার ভারতীয় মোবাইল ফোনের ডিসপ্লে জব্দ

প্রকাশিত :  ১৭:০৯, ০৮ মে ২০২৬

কুমিল্লা সীমান্তে বিজিবির অভিযানে প্রায় ৯৪ লক্ষ টাকার ভারতীয় মোবাইল ফোনের ডিসপ্লে জব্দ

বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের সুলতানপুর ব্যাটালিয়ন (৬০ বিজিবি) দায়িত্বপূর্ণ কুমিল্লার আদর্শ সদর উপজেলার সীমান্তবর্তী বড়জ্বালা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে প্রায় ৯৪ লক্ষ টাকা মূল্যের বিপুল পরিমাণ ভারতীয় মোবাইল ডিসপ্লে জব্দ করেছে।

আজ (০৮ মে) সকালে সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে সুলতানপুর ব্যাটালিয়ন (৬০ বিজিবি) এর অধীনস্থ বড়জ্বালা বিওপির একটি টহলদল কুমিল্লার আদর্শ সদর উপজেলার দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকায় চোরাচালানবিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। উক্ত অভিযানে সীমান্ত পিলার ২০৭৬/২-এস হতে আনুমানিক ৫০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে বড়জ্বালা নামক স্থানে মালিকবিহীন ভারতীয় অবৈধ ১,৭০৬টি মোবাইল ডিসপ্লে জব্দ করতে সক্ষম হয়। জব্দকৃত মোবাইল ফোনের ডিসপ্লের আনুমানিক সিজারমূল্য ৯৩,৮৩,০০০/- (তিরানব্বই লক্ষ তিরাশি হাজার) টাকা।

জব্দকৃত মালামাল যথাযথ আইনানুগ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট কাস্টমস অফিসে জমা প্রদানের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

এ বিষয়ে সুলতানপুর ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেঃ কর্নেল এস এম শরিফুল ইসলাম জানান,  সুলতানপুর ব্যাটালিয়ন সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণের পাশাপাশি চোরাচালান প্রতিরোধে সর্বদা তৎপর রয়েছে। সীমান্ত এলাকায় গোয়েন্দা নজরদারি ও আভিযানিক কার্যক্রম আরও জোরদার করা হয়েছে। ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

বাংলাদেশ এর আরও খবর

img

পররাষ্ট্রনীতি কোনো নির্দিষ্ট দেশকেন্দ্রিক হবে না : হুমায়ুন কবির

প্রকাশিত :  ১৫:৫৭, ০৯ মে ২০২৬

প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির বলেছেন, “বিশ্বসম্প্রদায়ের সঙ্গে পারস্পরিক সম্মান, ভারসাম্য ও জাতীয় স্বার্থের ভিত্তিতে সম্পর্ক বজায় রাখতে আগ্রহী বাংলাদেশ। ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ নীতির ভিত্তিতে সরকার এমন একটি পররাষ্ট্রনীতি অনুসরণ করবে, যা হবে বহুমাত্রিক, নমনীয় এবং কোনো নির্দিষ্ট দেশকেন্দ্রিক নয়।”

শনিবার (৯ মে) রাজধানীতে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব পিস অ্যান্ড সিকিউরিটি স্টাডিজ (বিআইপিএসএস) আয়োজিত ‘সবার আগে বাংলাদেশ : নতুন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির দৃষ্টিভঙ্গি’ শীর্ষক এক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

হুমায়ুন কবির বলেন, ‘বর্তমান বিশ্বব্যবস্থা দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে।

একক শক্তির আধিপত্যের যুগ শেষের পথে এবং বিশ্ব রাজনীতি ও অর্থনীতিতে নতুন বাস্তবতা তৈরি হচ্ছে। এ প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশকে কৌশলগতভাবে নমনীয় ও ভারসাম্যপূর্ণ পররাষ্ট্রনীতি অনুসরণ করতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ সব দেশের সঙ্গে গঠনমূলক সম্পর্ক বজায় রাখবে, তবে কোনো দেশের ওপর নির্ভরশীল হবে না। জাতীয় স্বার্থ ও সার্বভৌমত্ব অক্ষুণ্ণ রেখে স্বাধীনভাবে সিদ্ধান্ত গ্রহণই হবে সরকারের মূল লক্ষ্য।

অর্থনৈতিক কূটনীতি নতুন সরকারের পররাষ্ট্রনীতির অন্যতম প্রধান অগ্রাধিকার উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘রপ্তানি বাজার সম্প্রসারণ, বৈচিত্র্যময় বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ, জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং আঞ্চলিক বাণিজ্য ও যোগাযোগ বৃদ্ধি করতে সরকার কাজ করবে। বাংলাদেশকে দক্ষিণ এশিয়া, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া ও বৃহত্তর ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলের মধ্যে একটি অর্থনৈতিক সেতুবন্ধ হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের।’

তিনি আরো বলেন, ‘ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে বাংলাদেশ একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক, উন্মুক্ত ও সহযোগিতামূলক অবস্থান সমর্থন করে। বাংলাদেশ কোনো পক্ষ নেবে না, তবে বাণিজ্য, সংযোগ, সামুদ্রিক নিরাপত্তা ও টেকসই উন্নয়ন সংশ্লিষ্ট উদ্যোগে সক্রিয়ভাবে অংশ নেবে।