img

মুখ ঢেকে কথা বলায় বিশ্বকাপের প্রথম লাল কার্ড দেখলেন প্যারাগুয়ের আলমিরন

প্রকাশিত :  ০৭:৩৭, ২০ জুন ২০২৬

মুখ ঢেকে কথা বলায় বিশ্বকাপের প্রথম লাল কার্ড দেখলেন প্যারাগুয়ের আলমিরন

মুখ ঢেকে কথা বলার কারণে লাল কার্ড দেখা প্রথম খেলোয়াড় হয়ে গেলেন প্যারাগুয়ের মিগেল আলমিরন। শুক্রবার ২০২৬ বিশ্বকাপে গ্রুপ ‘ডি’-এর ম্যাচে তুরস্কের বিপক্ষে এই লাল কার্ড দেখেন তিনি। আর তাতেই ইতিহাসের পাতায় উঠে গেল তার নাম।

প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ের তৃতীয় মিনিটে মাঠ ছাড়তে হয় তাকে। মুখ ঢেকে তুরস্কের রাইটব্যাক মের্ত মুলদুরের সঙ্গে কথা বলতে দেখা যায় আলমিরনকে। এল সালভাদরের রেফারি ইভান বার্টন সংক্ষিপ্ত ভিএআর পর্যালোচনার পর তাকে লাল কার্ড দেখান।

আইএফএবির নতুন এক নিয়মের আওতায় এই শাস্তি পান আটলান্টা ইউনাইটেডের এই মিডফিল্ডার। নিয়মটি অনুযায়ী, প্রতিপক্ষের সঙ্গে উত্তপ্ত পরিস্থিতিতে কোনো খেলোয়াড় মুখ ঢেকে কথা বললে তাকে লাল কার্ড দেখানো যাবে।

২০২৫-২৬ মৌসুমে উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগে বেনফিকার গিয়ানলুকা প্রেস্তিয়ান্নি ও রিয়াল মাদ্রিদের ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের মধ্যে এক বিতর্কিত ঘটনার পর এই নিয়ম চালু করা হয়। বর্ণবাদী কোনো মন্তব্য আড়াল করার সুযোগ বন্ধ করতেই এই নিয়ম আনা হয়েছিল।

নতুন নিয়ম অনুযায়ী, বন্ধুত্বপূর্ণ পরিবেশে কথোপকথনের সময় খেলোয়াড়রা মুখ ঢাকতে পারবেন। তবে এতে বিন্দুমাত্র উত্তপ্ত পরিস্থিতির আভাস পাওয়া গেলেই সরাসরি লাল কার্ড দেখানো হবে।

বিশ্বকাপের ইতিহাসে এটি প্যারাগুয়ের তৃতীয় লাল কার্ড। এর আগে ২০০২ বিশ্বকাপে কার্লোস পারেদেস ও রবার্তো আকুনিয়া লাল কার্ড দেখেছিলেন। এই বিশ্বকাপে এটি সপ্তম লাল কার্ডের ঘটনা, যা ২০১৪ বিশ্বকাপের পর (১০টি) সবচেয়ে বেশি।


খেলাধূলা এর আরও খবর

খুলনাকে হারিয়ে প্রথম জয়ের স্বাদ নিল সিলেট

img

ইব্রাহিমোভিচের মতে বিশ্বকাপ জিততে পারে যে দল

প্রকাশিত :  ১৬:০৩, ২০ জুন ২০২৬

বিশ্বকাপ এলেই আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকে ব্রাজিল, আর্জেন্টিনা, ফ্রান্স কিংবা ইংল্যান্ডের মতো ফুটবল পরাশক্তিগুলো। তবে এবার সেই চিরচেনা আলোচনায় ভিন্ন সুর তুলেছেন ফুটবল কিংবদন্তি জ্লাতান ইব্রাহিমোভিচ। তাঁর মতে, এবারের বিশ্বকাপে স্বাগতিক যুক্তরাষ্ট্রও শিরোপা জয়ের স্বপ্ন দেখতেই পারে।

গ্রুপ ‘ডি’-তে অস্ট্রেলিয়াকে ২-০ গোলে হারিয়ে টানা দ্বিতীয় জয় তুলে নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এই জয়ে নকআউট পর্বও নিশ্চিত করেছে তারা। আর দলটির এমন পারফরম্যান্সই মুগ্ধ করেছে ইব্রাহিমোভিচকে।

ম্যাচ-পরবর্তী আলোচনায় জ্লাতান বলেন, ‘আগে যদি বিশ্বাস না করে থাকেন, তাহলে এখন বিশ্বাস করতে শুরু করুন। পুরো দেশ তাদের পেছনে আছে। এমন সমর্থন থাকলে কোনো দলকে হারানো কঠিন হয়ে যায়। আজ তারা দারুণ খেলেছে। সত্যি বলতে, অস্ট্রেলিয়া তাদের জন্য কোনো হুমকি হয়ে উঠতে পারেনি।’

শুধু তাই নয়, যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান ছন্দকেও বিশ্বকাপে অনেক দূর যাওয়ার বড় অস্ত্র হিসেবে দেখছেন তিনি।

জ্লাতান আরও বলেন, ‘আমি আগেও বলেছিলাম, বিশ্বকাপের আগে কী হয়েছে সেটা গুরুত্বপূর্ণ নয়। গুরুত্বপূর্ণ হলো এখন কী হচ্ছে। এই মুহূর্তে তাদের যে গতি ও আত্মবিশ্বাস আছে, সেটাই সবচেয়ে বড় বিষয়। ম্যাচ থেকে ম্যাচে এই আত্মবিশ্বাস ধরে রাখতে পারলেই তারা আরও এগিয়ে যাবে।’

তার মতে, বিশ্বকাপের আগে কী হয়েছে তা এখন আর গুরুত্বপূর্ণ নয়। গুরুত্বপূর্ণ হলো টুর্নামেন্টে বর্তমান পারফরম্যান্স। আর সেই জায়গায় যুক্তরাষ্ট্র দারুণ ছন্দে আছে।

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ম্যাচে প্রথমে আত্মঘাতী গোলে এগিয়ে যায় যুক্তরাষ্ট্র। পরে অ্যালেক্স ফ্রিম্যানের হেডে ব্যবধান দ্বিগুণ করে স্বাগতিকরা। এর মাধ্যমে ১৯৩০ সালের পর প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপে টানা দুই ম্যাচ জয়ের কীর্তিও গড়েছে মার্কিনরা।

ব্রাজিল, আর্জেন্টিনা বা ইউরোপের বড় দলগুলোর নাম না নিয়ে ইব্রাহিমোভিচের এমন প্রশংসা নতুন করে আলোচনায় এনে দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রকে। স্বাগতিকদের এই ছন্দ শেষ পর্যন্ত কত দূর নিয়ে যায়, সেটিই এখন দেখার অপেক্ষা।