img

দেশের বাজারে স্বর্ণের দামে বড় লাফ, ভরিতে বাড়ল ৯৮৫৬ টাকা

প্রকাশিত :  ০৬:১৬, ০৬ আগষ্ট ২০২৬

দেশের বাজারে স্বর্ণের দামে বড় লাফ, ভরিতে বাড়ল ৯৮৫৬ টাকা

আবারও দেশের বাজারে বেড়েছে স্বর্ণ ও রুপার দাম। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) বৃহস্পতিবার সকালে এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন এই মূল্য ঘোষণা করে। নতুন দাম বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা থেকে কার্যকর হয়েছে। 

নতুন মূল্য অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম ভরি প্রতি ৯ হাজার ৮৫৬ টাকা বাড়িয়ে নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৩২ হাজার ৯৩০ টাকা। ২১ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ৯ হাজার ৪৪৮ টাকা বাড়িয়ে নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ২২ হাজার ৪৯১ টাকা। এ ছাড়া ১৮ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ৮ হাজার ১০৬ টাকা বাড়িয়ে নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৯১ হাজার ৫৬ টাকা। আর সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের গহনার দাম ৬ হাজার ৫৯০ টাকা বাড়িয়ে নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৫৬ হাজার ৬৪ টাকা। 

বাজুস জানিয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবী স্বর্ণ ও রৌপ্যের (পিওর গোল্ড ও সিলভার) মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে। সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় বাজুস স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিং-এর এক সভায় দাম সমন্বয়ের এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

বাজুসের বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, স্বর্ণ ও রৌপ্যালংকারের বিক্রয় মূল্যের সাথে ভ্যাট যুক্ত থাকায় গ্রাহকদের নিকট থেকে আলাদাভাবে ভ্যাট আদায় করা যাবে না। তবে অলংকারের ডিজাইন অনুযায়ী মজুরি প্রযোজ্য হবে। 

স্বর্ণের পাশাপাশি দেশের বাজারে বাড়ানো হয়েছে রুপার দামও। বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার মূল্য ২৯২ টাকা বাড়িয়ে নির্ধারণ করা হয়েছে ৪ হাজার ৮৯৯ টাকা। এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ২৯২ টাকা বাড়িয়ে ৪ হাজার ৬৬৬ টাকা, ১৮ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ২৩৩ টাকা বাড়িয়ে ৪ হাজার ২৪ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির এক ভরি রুপার দাম ১৭৫ টাকা বাড়িয়ে ৩ হাজার ৩৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। 


অর্থনীতি এর আরও খবর

img

বিশ্ববাজারে কমলো জ্বালানি তেলের দাম

প্রকাশিত :  ০৫:২১, ০৬ আগষ্ট ২০২৬

ইরান ও ওমানের মধ্যে চলমান আলোচনায় অগ্রগতির খবরে আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম কমেছে। মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা কিছুটা প্রশমিত হতে পারে—এমন প্রত্যাশায় বাজারে ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে। বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, বৃহস্পতিবার ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ৩৭ সেন্ট বা শূন্য দশমিক ৫ শতাংশ কমে ব্যারেলপ্রতি ৭৯ দশমিক ০৮ ডলারে নেমে এসেছে।

একই সময়ে মার্কিন ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) অপরিশোধিত তেলের দাম ৫৩ সেন্ট বা শূন্য দশমিক ৭ শতাংশ কমে ব্যারেলপ্রতি ৭৪ দশমিক ৬৯ ডলারে দাঁড়ায়। এর আগের দিন ব্রেন্টের দাম সামান্য বাড়লেও ডব্লিউটিআইয়ের দাম কিছুটা কমেছিল।

নোমুরা সিকিউরিটিজের অর্থনীতিবিদ ইউকি তাকাশিমা বলেন, ইরান ও ওমানের মধ্যে আলোচনায় অগ্রগতির খবর প্রকাশের পর বাজারে বিক্রির চাপ বেড়েছে। 

তার মতে, গত ১৭ জুন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের অন্তর্বর্তীকালীন শান্তি চুক্তির সময় তেলের যে দাম ছিল, বাজার আবার প্রায় সে অবস্থায় ফিরে এসেছে। এখন দুই দেশ চূড়ান্ত সমঝোতায় পৌঁছাতে পারে কি না, সেদিকেই নজর বিনিয়োগকারীদের।

ইরানের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা এবং দুইজন আঞ্চলিক কর্মকর্তা জানান, যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনা প্রশমনে ইরান ও ওমানের মধ্যে একটি প্রস্তাবিত চুক্তি নিয়ে আলোচনা চলছে। প্রস্তাব অনুযায়ী, হরমুজ প্রণালী দিয়ে পারস্য উপসাগরে প্রবেশকারী জাহাজগুলোর নিয়ন্ত্রণ তেহরানের হাতে থাকবে। 

বিশ্লেষকদের মতে, এটি বাস্তবায়িত হলে ইরানের জন্য বড় ধরনের কূটনৈতিক ছাড় হিসেবে বিবেচিত হবে।

তবে এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। যদিও প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, হরমুজ প্রণালী পুনরায় চালুর বিষয়ে একটি চুক্তি খুব শিগগিরই হতে পারে। 

মার্কিন কর্মকর্তারা বারবার স্পষ্ট করেছেন, বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহন পথের নিয়ন্ত্রণ ইরানের হাতে দেওয়ার প্রস্তাব তারা মেনে নেবেন না।

যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি তথ্য প্রশাসনের (ইআইএ) জানিয়েছে, ৩১ জুলাই শেষ হওয়া সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রের অপরিশোধিত তেলের মজুত ২৫ লাখ ব্যারেল বেড়ে ৪০ কোটি ৭০ লাখ ব্যারেলে পৌঁছেছে। 

অথচ রয়টার্সের জরিপে বিশ্লেষকদের পূর্বাভাস ছিল, ওই সপ্তাহে মজুত ১৫ লাখ ব্যারেল কমবে।