img

মাছ চাষিদের কৃষক কার্ডের আওতায় আনা হবে : প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত :  ১৪:০৫, ১৬ আগষ্ট ২০২৬
সর্বশেষ আপডেট: ১৪:৪২, ১৬ আগষ্ট ২০২৬

মাছ চাষিদের কৃষক কার্ডের আওতায় আনা হবে : প্রধানমন্ত্রী

মাছ চাষিদের খুব শিগগির ‘কৃষি কার্ড’-এর আওতায় আনা হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। রোববার (১৬ আগস্ট) দুপুরে কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীতে ‘জাতীয় মৎস্য পক্ষ-২০২৬’-এর উদ্বোধনকালে তিনি এ ঘোষণা দেন। 

‘রুপালি মৎস্যে স্বনির্ভর দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’—এই স্লোগানকে সামনে রেখে আয়োজিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন প্রধানমন্ত্রী। অনুষ্ঠানে মৎস্য খাতে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ দেশের মোট ১৪ জন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের হাতে ‘জাতীয় মৎস্য পদক’ বিতরণ করেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে মিঠাপানির মাছ উৎপাদনের সম্ভাবনা অত্যন্ত উজ্জ্বল। বর্তমানে সারা দেশে প্রায় ১৬ লাখ নারীসহ মোট ২ কোটি মানুষ প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে মৎস্য খাতের ওপর নির্ভরশীল।

তাই পরিকল্পিত ও যথোপযুক্ত পদক্ষেপ নেওয়া হলে এই খাতে বহু মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা সম্ভব হবে।

প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, প্রক্রিয়াজাতকরণের মাধ্যমে চিংড়িসহ বিভিন্ন প্রজাতির মাছ বিদেশে রপ্তানি করে বাংলাদেশ প্রতিবছর প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করছে। দেশের মৎস্যসম্পদ আরো বৃদ্ধি করার লক্ষ্যে পর্যায়ক্রমে সারা দেশের বিভিন্ন জলাশয়ে মাছের পোনা অবমুক্ত করার পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হবে। 

একই সঙ্গে জেলেদের সামাজিক সুরক্ষায় তাদের পরিচয়পত্র প্রদান এবং নিবন্ধন কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে বলেও জানান তিনি।

অর্থনীতি এর আরও খবর

img

ফলের দাম কমাতে আমদানি সহজ করল বাংলাদেশ ব্যাংক

প্রকাশিত :  ১৫:৪৫, ১৬ আগষ্ট ২০২৬

ফল আমদানিতে ঋণপত্র (এলসি) খোলার ক্ষেত্রে শতভাগ মার্জিন সংরক্ষণের বাধ্যবাধকতা তুলে দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এখন থেকে ব্যাংকার-গ্রাহক সম্পর্কের ভিত্তিতে ফল আমদানির এলসি মার্জিন নির্ধারণ করতে পারবে ব্যাংকগুলো।

রোববার (১৬ আগস্ট) বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ এ-সংক্রান্ত একটি সার্কুলার জারি করেছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানিয়েছে, এতদিন বিলাসী পণ্য হিসেবে বিবেচিত হওয়ায় ফল আমদানির এলসি খোলার সময় ১০০ শতাংশ মার্জিন সংরক্ষণ করতে হতো। তবে জনস্বাস্থ্য ও পুষ্টির চাহিদা বিবেচনায় এ শর্ত প্রত্যাহার করা হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের মতে, শিশু, রোগী, প্রবীণ ও গর্ভবতী নারীদের দৈনন্দিন খাদ্যতালিকায় ফল গুরুত্বপূর্ণ একটি উপাদান। তাই জনগণের পুষ্টি চাহিদা পূরণ ও ফলের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

খাতসংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, নতুন নির্দেশনার ফলে ফল আমদানিতে ব্যাংকিং সুবিধা বাড়বে এবং বাজারে প্রতিযোগিতা তৈরি হবে। আমদানি ও সরবরাহ বাড়লে বাজারে ফলের দামও কমতে পারে। 

অর্থনীতি এর আরও খবর