img

বিতর্কিত মালিকদের হাতে ফিরছে না একীভূত ৫ ব্যাংকের মালিকানা

প্রকাশিত :  ১৯:২২, ১০ আগষ্ট ২০২৬

বিতর্কিত মালিকদের হাতে ফিরছে না একীভূত ৫ ব্যাংকের মালিকানা

একীভূত হওয়া ব্যাংকগুলোর পুরোনো ও বিতর্কিত পরিচালকদের মাত্র ৭ দশমিক ৫ শতাংশ অগ্রিম অর্থ পরিশোধের মাধ্যমে ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণ ফিরে পাওয়ার সুযোগ বন্ধ হয়ে গেছে। ব্যাংক রেজ্যুলেশন আইনের ১৮(ক) ধারা বাতিলের মাধ্যমে এই পথ বন্ধ করা হয়েছে।

এর ফলে চট্টগ্রামভিত্তিক আলোচিত শিল্পগোষ্ঠী এস আলমসহ বিতর্কিত ব্যাংক পরিচালকদের সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদে ফিরে আসার সুযোগ আর থাকছে না। এ সিদ্ধান্তের মাধ্যমে একীভূত ব্যাংকগুলোর পরিচালনা কাঠামোয় বিতর্কিত ব্যক্তিদের পুনঃপ্রবেশ ঠেকানোর পথ আরও স্পষ্ট হলো।

আইনের খসড়ায় বলা হয়, তপশিলি ব্যাংকগুলোর মূলধন ঘাটতি, তারল্য সংকট, দেউলিয়াত্ব কিংবা অস্তিত্বের জন্য হুমকিস্বরূপ যে কোনো ঝুঁকি মোকাবিলায় প্রণীত ব্যাংক রেজ্যুলেশন আইন, ২০২৬-এর (১৮ ক) ধারা বিলুপ্ত করেছে সরকার। আইনটির ১৮ক ধারার আওতায় কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান আবেদন না করায় ধারাটি বাতিলের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

এ লক্ষ্যে ‘ব্যাংক রেজ্যুলেশন (সংশোধন) আইন, ২০২৬’র খসড়া প্রণয়ন করা হয়েছে। মন্ত্রিসভায় খসড়াটির নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। লেজিসলেটিভ ও সংসদবিষয়ক বিভাগের ভেটিং সাপেক্ষে এটি চূড়ান্ত করা হবে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, তপশিলি ব্যাংকের আর্থিক সংকটের সময়োপযোগী সমাধান এবং দেশের আর্থিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে ব্যাংক রেজ্যুলেশন অধ্যাদেশ, ২০২৫ জারি করা হয়েছিল। পরবর্তী সময়ে অধ্যাদেশটি আইনে রূপান্তরের উদ্যোগ নেওয়া হয়।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে অধ্যাদেশটি বিল আকারে উত্থাপন করা হলে তা বিস্তারিত পর্যালোচনার জন্য সংসদীয় ‘বিশেষ কমিটি’র কাছে পাঠানো হয়। বিশেষ কমিটি অধ্যাদেশটি সংশোধিত আকারে উপস্থাপনের সুপারিশ করে। ওই সুপারিশের ভিত্তিতে অধ্যাদেশের কয়েকটি বিধান বিধিমালার মাধ্যমে বাস্তবায়নের জন্য আলাদা করা হয়। একই সঙ্গে সরকারের আর্থিক দায়ভার, গ্রাহকদের স্বার্থ এবং ব্যাংকিং খাতের বাস্তব পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে ব্যাংক রেজ্যুলেশন আইনে নতুন করে ১৮ক ধারা সংযোজন করা হয়।

এই ধারার মাধ্যমে প্রচলিত রেজ্যুলেশন ব্যবস্থার পাশাপাশি বাজারভিত্তিক একটি বিকল্প ব্যবস্থা চালুর সুযোগ রাখা হয়েছিল। এর উদ্দেশ্য ছিল সংকটে পড়া ব্যাংককে সচল রেখে পুনর্গঠন করা, মূলধন ঘাটতি ও তারল্য সংকট কাটিয়ে ওঠা, আমানতকারী ও বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ সুরক্ষা এবং ব্যাংক উদ্ধারে সরকারের আর্থিক সম্পৃক্ততা কমানো।

পরে উত্থাপিত আকারেই ব্যাংক রেজ্যুলেশন আইন, ২০২৬ সংসদে পাস হয়। তবে আইনটির ১৮ক ধারায় নির্ধারিত সব শর্ত পূরণ করে এখন পর্যন্ত কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান আবেদন করেনি।

এ কারণে ১৮ক ধারাটি আর কার্যকর রাখার প্রয়োজনীয়তা নেই বলে মনে করছে সরকার। এরই পরিপ্রেক্ষিতে ধারাটি বিলুপ্ত করার লক্ষ্যে ‘ব্যাংক রেজ্যুলেশন (সংশোধন) আইন, ২০২৬’-এর খসড়া তৈরি করা হয়েছে।

মন্ত্রিসভায় খসড়াটি অনুমোদনের পর এখন লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগের ভেটিং নেওয়া হবে। ভেটিং শেষে সংশোধনী আইনটি পরবর্তী আইনগত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে কার্যকর করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।

ব্যাংক খাতের সংকট মোকাবিলায় রেজ্যুলেশন কাঠামো চালুর পর অল্প সময়ের মধ্যেই এর একটি গুরুত্বপূর্ণ ধারা বাতিলের উদ্যোগ নেওয়াকে সংশ্লিষ্টরা সরকারের নীতিগত অবস্থানের পরিবর্তন হিসেবেও দেখছেন। তবে ১৮ক ধারা বাতিল হলেও ব্যাংকের মূলধন ঘাটতি, তারল্য সংকট কিংবা অস্তিত্বের ঝুঁকি মোকাবিলায় ব্যাংক রেজ্যুলেশন আইনের অন্যান্য ব্যবস্থা বহাল থাকবে।

উল্লেখ্য, ব্যাংক রেজুলেশন আইনের ১৮(ক) ধারাটি ছিল একটি বিতর্কিত বিধান, যার মাধ্যমে নামে-বেনামে ঋণ বিতরণের মাধ্যমে সংকটে পড়া বা একীভূত হওয়া ব্যাংকের পুরোনো ও বিতর্কিত পরিচালকরা মাত্র ৭ দশমিক ৫ শতাংশ অগ্রিম অর্থ পরিশোধ করে ব্যাংকগুলোর নিয়ন্ত্রণ ফিরে পাওয়ার সুযোগ ছিল। ব্যাংক খাত সংশ্লিষ্টদের তীব্র সমালোচনা ও বিশ্বব্যাংকের আপত্তির মুখে সরকার এ ধারাটি বাতিলের ঘোষণা দিয়েছে।


অর্থনীতি এর আরও খবর

img

​পুঁজিবাজারে বড় সংস্কার: মার্জিন ঋণে বাড়ছে সুযোগ

প্রকাশিত :  ১৪:৫২, ০৯ আগষ্ট ২০২৬
সর্বশেষ আপডেট: ১৮:১৬, ০৯ আগষ্ট ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক: পুঁজিবাজারে তারল্য বাড়ানো, বিনিয়োগকারীদের অংশগ্রহণ সহজ করা এবং লেনদেনে গতি আনতে মার্জিন ঋণনীতিতে বড় সংস্কারের উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। প্রস্তাবিত সংশোধনী কার্যকর হলে তালিকাভুক্ত ‘এ’ ও ‘বি’ ক্যাটাগরির সব শেয়ারে মার্জিন ঋণের সুযোগ তৈরি হবে। একই সঙ্গে ‘বি’ ক্যাটাগরির কোম্পানির জন্য ৫ শতাংশ লভ্যাংশ দেওয়ার বিদ্যমান শর্ত তুলে দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে।

​বিএসইসির চেয়ারম্যান মাসুদ খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কমিশনের ১,০২০তম সভায় ‘বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (মার্জিন) বিধিমালা, ২০২৫’-এর খসড়া সংশোধনী নীতিগত অনুমোদন পেয়েছে।

​২০২৫ সালের নভেম্বরে গেজেট আকারে প্রকাশিত মার্জিন বিধিমালা নিয়ে বাজারের বিভিন্ন অংশীজন ও বিনিয়োগকারীদের মতামত এবং আপত্তি পর্যালোচনার পর নতুন কমিশন বিধিমালাটি পুনর্মূল্যায়নের উদ্যোগ নেয়। বিএসইসি জানিয়েছে, প্রস্তাবিত সংশোধনীর লক্ষ্য হলো ব্যবসা ও বিনিয়োগের পরিবেশ সহজ করা, বাজারে স্বাভাবিক তারল্য ফিরিয়ে আনা এবং লেনদেনের গতি বাড়ানো।

​‘এ’ ও ‘বি’ ক্যাটাগরির সব শেয়ারে মার্জিন ঋণ

​প্রস্তাবিত সংশোধনীতে তালিকাভুক্ত ‘এ’ ও ‘বি’ ক্যাটাগরির সব শেয়ারকে মার্জিন ঋণের আওতায় আনার কথা বলা হয়েছে।

​বর্তমান ব্যবস্থায় ‘বি’ ক্যাটাগরির কোনো কোম্পানির শেয়ারে মার্জিন ঋণ পেতে অন্তত ৫ শতাংশ লভ্যাংশ দেওয়ার শর্ত রয়েছে। নতুন প্রস্তাবে এই শর্ত বাদ দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে কোনো কোম্পানির ফ্রি-ফ্লোট মার্কেট ক্যাপিটালাইজেশন অন্তত ৫০ কোটি টাকা হওয়ার শর্তও তুলে দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে।

​বিএসইসির প্রস্তাব কার্যকর হলে ছোট ও মাঝারি মূলধনী কোম্পানির শেয়ারেও মার্জিন অর্থায়নের সুযোগ বাড়বে। এতে এসব শেয়ারে বিনিয়োগকারীদের অংশগ্রহণ ও লেনদেন বাড়ার সম্ভাবনা তৈরি হবে।

​১:১ মার্জিন ঋণের সুযোগ

​মার্জিন ঋণের অনুপাতেও পরিবর্তনের প্রস্তাব রয়েছে। আগের ব্যবস্থায় বাজারের সামগ্রিক মূল্য-আয় বা পিই অনুপাত বাড়লে মার্জিন ঋণের অনুপাত ১:০.৫ বা ১:০.২৫ পর্যন্ত কমে যাওয়ার সুযোগ ছিল।

​নতুন খসড়ায় বাজারের পিই অনুপাত যা-ই হোক, ১:১ মার্জিন ঋণ অনুপাত রাখার সুযোগ দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে। অর্থাৎ একজন বিনিয়োগকারী নিজের মূলধনের সমপরিমাণ ঋণ নেওয়ার সুযোগ পাবেন।

​সাধারণ সিকিউরিটিজের ক্ষেত্রে মার্জিন সুবিধার জন্য সর্বোচ্চ পিই অনুপাত ৩০ রাখার প্রস্তাব করা হয়েছে।

​ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পি/বি রেশিও

​ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে পিই অনুপাতের পরিবর্তে মূল্য-বই অনুপাত বা পি/বি রেশিও বিবেচনার প্রস্তাব করা হয়েছে। সর্বোচ্চ ৩ পর্যন্ত পি/বি রেশিও থাকা শেয়ারকে মার্জিন সুবিধার আওতায় আনার কথা বলা হয়েছে।

​বিএসইসির এই উদ্যোগের ফলে খাতভিত্তিক মূল্যায়নের সুযোগ বাড়বে বলে মনে করছেন বাজারসংশ্লিষ্টরা।

​মার্জিন কলের সীমাতেও পরিবর্তন

​বিনিয়োগকারীদের ঝুঁকি ব্যবস্থাপনায়ও কিছু পরিবর্তনের প্রস্তাব এসেছে। বর্তমানে ইকুইটি ৭৫ শতাংশে নেমে এলে মার্জিন কল দেওয়ার বিধান রয়েছে। নতুন প্রস্তাবে এই সীমা ৭০ শতাংশ করার কথা বলা হয়েছে।

​তবে বিনিয়োগকারীর ইকুইটি ৫০ শতাংশের নিচে নেমে গেলে সংশ্লিষ্ট ব্রোকারেজ হাউস বা মার্চেন্ট ব্যাংকের বাধ্যতামূলক শেয়ার বিক্রির বিধান বহাল থাকবে।

​এ ছাড়া প্রতিবছর ম্যানুয়ালি মার্জিন চুক্তি নবায়নের পরিবর্তে স্বয়ংক্রিয় নবায়নের সুযোগ চালুর প্রস্তাব করা হয়েছে।

​শিক্ষার্থী ও গৃহিণীদের মার্জিন ঋণ নেওয়ার ক্ষেত্রে বিদ্যমান নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারেরও প্রস্তাব রয়েছে। পাশাপাশি বিও হিসাবে সিকিউরিটিজ ধারণের ন্যূনতম অর্থের সীমা ৩ লাখ টাকায় নামিয়ে আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

​ব্রোকারদের ঋণ দেওয়ার সক্ষমতা বাড়ছে

​মার্জিন ঋণের জোগান বাড়াতে ব্রোকারেজ হাউস ও মার্চেন্ট ব্যাংকের ঋণ দেওয়ার সক্ষমতাও বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে।

​বর্তমানে পরিশোধিত মূলধন বা নিট সম্পদের সর্বোচ্চ তিন গুণ পর্যন্ত মার্জিন ঋণ দেওয়ার সুযোগ রয়েছে। নতুন প্রস্তাবে তা পাঁচ গুণ করার কথা বলা হয়েছে।

​একই সঙ্গে কোনো একটি শেয়ারে ঋণের সর্বোচ্চ এক্সপোজার ১৫ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ২০ শতাংশ করার প্রস্তাব করা হয়েছে।

​বাজারসংশ্লিষ্টদের মতে, এসব পরিবর্তন কার্যকর হলে মধ্যস্থতাকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর ঋণ দেওয়ার সক্ষমতা বাড়বে এবং বাজারে অর্থের প্রবাহও বৃদ্ধি পাবে।

​চালু হচ্ছে স্ক্রিপ নেটিং

​ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে ‘স্ক্রিপ নেটিং’ সুবিধা চালুর নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে বিএসইসি।

​এই সুবিধা চালু হলে বিনিয়োগকারীরা একই কার্যদিবসে একটি নির্দিষ্ট শেয়ার একাধিকবার কেনাবেচা করতে পারবেন। ফলে বাজারে লেনদেনের গতি ও তারল্য বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

​চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সাইফুর রহমান মজুমদারের বক্তব্য অনুযায়ী, দিনের শুরুতে কেনাকাটার চাপ বাড়লেও দিনের শেষভাগে বিক্রির সুযোগ তৈরি হওয়ায় স্ক্রিপ নেটিং বাজারের ভারসাম্য রক্ষায় সহায়ক হতে পারে।

​নজরদারি ও সুশাসনও গুরুত্বপূর্ণ

​মার্জিন ঋণ সহজ হলে বাজারে তারল্য বাড়ার পাশাপাশি ঝুঁকিও তৈরি হতে পারে। বিশেষ করে দুর্বল মৌলভিত্তির কোনো শেয়ারে অতিরিক্ত অর্থ প্রবাহিত হলে অস্বাভাবিক দরবৃদ্ধির আশঙ্কা থাকে।

​এ কারণে বাজারসংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, মার্জিন ঋণের সুযোগ বাড়ানোর পাশাপাশি বিএসইসির নজরদারি ও বাজার কারসাজি শনাক্ত করার সক্ষমতা আরও জোরদার করা প্রয়োজন।

​কোম্পানির আর্থিক তথ্যের স্বচ্ছতা, করপোরেট সুশাসন এবং অস্বাভাবিক লেনদেনের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নিশ্চিত করা গেলে নতুন নীতিমালার সুফল আরও বাড়বে।

​মতামতের জন্য উন্মুক্ত খসড়া

​বিএসইসির অনুমোদিত খসড়া সংশোধনী এখন সর্বসাধারণ ও অংশীজনদের মতামতের জন্য উন্মুক্ত রয়েছে। প্রাপ্ত মতামত ও পরামর্শ পর্যালোচনার পর প্রজ্ঞাপন জারি হলে সংশোধিত বিধিমালা কার্যকর হবে।

​বাজারসংশ্লিষ্টদের মতে, প্রস্তাবিত পরিবর্তনগুলো বাস্তবায়িত হলে পুঁজিবাজারে তারল্য বাড়ানো, বিনিয়োগকারীদের অংশগ্রহণ সম্প্রসারণ এবং লেনদেনের গতি বাড়ানোর সুযোগ তৈরি হবে।

​তবে বাজারে দীর্ঘমেয়াদি সুফল নিশ্চিত করতে তারল্যের পাশাপাশি আস্থা, স্বচ্ছতা, সুশাসন ও কার্যকর নজরদারি নিশ্চিত করা জরুরি। বিএসইসির এই সংস্কার উদ্যোগ সফলভাবে বাস্তবায়িত হলে বাংলাদেশের পুঁজিবাজার আরও গতিশীল ও বিনিয়োগবান্ধব হয়ে উঠতে পারে।

অর্থনীতি এর আরও খবর