img

রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলামকে মালদ্বীপের প্রেসিডেন্টের অভিনন্দন

প্রকাশিত :  ০৯:৫৭, ২২ আগষ্ট ২০২৬

রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলামকে মালদ্বীপের প্রেসিডেন্টের অভিনন্দন

মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট মোহামেদ মুইজ্জু নতুন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে আজ শনিবার (২২ আগস্ট) অভিনন্দন জানিয়েছেন । 

তিনি রাষ্ট্রপতি নির্বাচনকে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক অভিযাত্রায় একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে অভিহিত করেছেন।

অভিনন্দন বার্তায় প্রেসিডেন্ট মুইজ্জু মালদ্বীপ সরকার ও দেশটির জনগণের পক্ষ থেকে বাংলাদেশের নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানান।

অভিনন্দন বার্তায় মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট উল্লেখ করেন, বিগত ৩৫ বছরের মধ্যে প্রথম প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ রাষ্ট্রপতি নির্বাচন বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক অভিযাত্রায় একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক এবং নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতির প্রতি দেশের জনগণের আস্থার প্রতিফলন।

প্রেসিডেন্ট মুইজ্জু আরও বলেন, বাংলাদেশ ও মালদ্বীপের মধ্যকার দীর্ঘস্থায়ী সম্পর্ক শক্তিশালী ঐতিহাসিক বন্ধন এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ও উন্নয়নের প্রতি অভিন্ন অঙ্গীকারের ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠিত।

রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নেতৃত্বে দুই দেশের মধ্যে সহযোগিতা, গভীরতা ও পরিধি আরও বৃদ্ধি পাবে এবং আগামী দিনগুলোয় বাংলাদেশ ও মালদ্বীপকে আরও কাছাকাছি নিয়ে আসবে বলে মুইজ্জু আশা প্রকাশ করেন।

প্রেসিডেন্ট মুইজ্জু আরও আশা প্রকাশ করেন, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মেয়াদে বাংলাদেশ স্থায়ী শান্তি, অগ্রগতি ও সমৃদ্ধির পথে যাত্রা অব্যাহত রাখবে।


জাতীয় এর আরও খবর

বাসসকে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

img

সৌদি-তুর্কি-পাকিস্তানের জোটে যোগ দেয়ার বিষয়ে বাংলাদেশের অবস্থান ‘ইতিবাচক’

প্রকাশিত :  ১৭:১৬, ২২ আগষ্ট ২০২৬

সৌদি আরব, পাকিস্তান ও তুরস্কের মধ্যে স্বাক্ষরিত মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তিতে বাংলাদেশের যোগ দেওয়ার বিষয়টি ঢাকা ইতিবাচকভাবে বিবেচনা করছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির। 

রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা বাসসকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, পরিবর্তিত বৈশ্বিক অর্থনীতি ও বাণিজ্য পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে বাংলাদেশ এ ধরনের উদ্যোগের সম্ভাবনা যাচাই করবে। এ ক্ষেত্রে দেশের স্বার্থই থাকবে সিদ্ধান্তের কেন্দ্রবিন্দুতে।

হুমায়ুন কবির বলেন, ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ নীতির আওতায় ভারসাম্যপূর্ণ পররাষ্ট্রনীতি অনুসরণ করছে ঢাকা। ফলে যেকোনো আন্তর্জাতিক জোট বা সহযোগিতামূলক কাঠামোয় যুক্ত হওয়ার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থ, আঞ্চলিক পরিস্থিতি এবং বৈশ্বিক অর্থনৈতিক পরিবর্তনকে গুরুত্ব দেয়া হবে।

একই সঙ্গে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যকার দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কও ধীরে ধীরে আরও জোরদার হচ্ছে বলে জানান হুমায়ুন কবির। স্বাভাবিক কূটনৈতিক যোগাযোগের পাশাপাশি দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য এবং জনগণের মধ্যে যোগাযোগ বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে।

এদিকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শিগগিরই সৌদি আরব সফর করবেন বলেও জানান তিনি। এর মধ্য দিয়ে সৌদি আরবের সঙ্গে বাংলাদেশের বিদ্যমান সম্পর্ক আরও গভীর করার উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

উল্লেখ্য, গত ৭ আগস্ট সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তান ‘মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি’ সই করে। চুক্তির মূল বিষয় হলো, তিন দেশের যেকোনো একটির ওপর সশস্ত্র হামলাকে তিন দেশের ওপর হামলা হিসেবে বিবেচনা করা হবে।

সৌদি যুবরাজ ও প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ বিন সালমান, তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান এবং পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফের উপস্থিতিতে চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়।

চুক্তির আওতায় তিন দেশের মধ্যে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা বাড়ানোর পাশাপাশি আঞ্চলিক শান্তি, নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা জোরদারের ওপর গুরুত্ব দেয়া হয়েছে।




জাতীয় এর আরও খবর