img

উপজেলা নির্বাচনে পোস্টার-মিছিলসহ নিষিদ্ধ যেসব বিষয়

প্রকাশিত :  ০৯:২০, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

উপজেলা নির্বাচনে পোস্টার-মিছিলসহ নিষিদ্ধ যেসব বিষয়

আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নতুন উপজেলা পরিষদ নির্বাচন আচরণ বিধিমালা-২০২৬ জারি করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। সম্প্রতি ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদের স্বাক্ষরিত নতুন এই বিধিমালার গেজেট প্রকাশ করা হয়েছে।

নতুন বিধিমালা অনুযায়ী, নির্বাচনী প্রচারণায় পোস্টার ব্যবহার নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এর পাশাপাশি মিছিল, শোডাউন, হেলিকপ্টারের ব্যবহার এবং সরকারি সুযোগ-সুবিধা গ্রহণে কঠোর বিধি-নিষেধ আরোপ করা হয়েছে। এ ছাড়া কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) দিয়ে বিভ্রান্তিকর বা বিদ্বেষপূর্ণ কনটেন্ট প্রচারের ওপরও কঠোর কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে।

উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে প্রার্থী ও সমর্থকদের প্রচারণা এবং নির্বাচনি ব্যয়ের ক্ষেত্রে নতুন বিধিমালায় সুনির্দিষ্ট নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা হয়েছে।

আচরণবিধি লঙ্ঘিত হলে সংশ্লিষ্ট প্রার্থীর প্রার্থিতা বাতিলের সুযোগ রয়েছে। একই সঙ্গে বিধিভঙ্গের অপরাধে সর্বোচ্চ ৬ মাসের কারাদণ্ড, ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ডের বিধান যুক্ত করা হয়েছে।

নতুন নির্বাচনী আচরণবিধির একটি উল্লেখযোগ্য দিক হলো পোস্টার নিষিদ্ধকরণ। প্রার্থী বা তাদের কোনো সমর্থক প্রচার কাজে পোস্টার ঝুলানো বা সাঁটাতে পারবেন না।

একই সঙ্গে ভবন, দেয়াল, গাছপালা, বেড়া, বিদ্যুতের খুঁটি, সেতু, কালভার্ট ও সরকারি স্থাপনায় প্রচারসামগ্রী ব্যবহারের ওপর বিধি-নিষেধ আরোপ করা হয়েছে।

তফসিল ঘোষণা থেকে নির্বাচনের চূড়ান্ত ফলাফল গেজেট হওয়া পর্যন্ত সব ধরনের প্রকাশ্য মিছিল বন্ধ থাকবে। বাস, ট্রাক, মোটরসাইকেল, নৌযান বা ট্রেন ব্যবহার করে কোনো মিছিল ও শোভাযাত্রা করা যাবে না। এ ছাড়া নির্বাচনী প্রচারে হেলিকপ্টারসহ যেকোনো ধরনের আকাশযান ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। তবে প্রার্থীরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও অনলাইন প্ল্যাটফর্মে নির্বাচনী প্রচারণা চালাতে পারবেন।

তবে এজাতীয় প্রচারণা শুরুর পূর্বে ব্যবহৃত প্ল্যাটফর্ম বা মাধ্যমসমূহ সম্পর্কে রিটার্নিং কর্মকর্তাকে লিখিতভাবে অবহিত করা বাধ্যতামূলক। এ ছাড়া সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের প্রচার খরচকেও প্রার্থীর মোট নির্বাচনী ব্যয়ের হিসাবে অন্তর্ভুক্ত হবে।

ডিজিটাল মাধ্যমে প্রচারণার ক্ষেত্রে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার অসদব্যবহার রোধে সুনির্দিষ্ট কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে। প্রার্থী বা তার সমর্থকরা নির্বাচনকেন্দ্রিক কোনো মিথ্যা, বিভ্রান্তিকর, বিদ্বেষমূলক বা ব্যক্তিগত আক্রমণাত্মক বক্তব্য প্রচার করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

নির্বাচনবান্ধব পরিবেশ বজায় রাখতে ক্ষতি করতে পারে—এমন কনটেন্ট তৈরি ও প্রচারের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। পাশাপাশি ভোটারদের আকৃষ্ট বা প্রভাবিত করতে অর্থ লেনদেন, খাদ্য-পানীয় পরিবেশন কিংবা উপহারসামগ্রী বিতরণের ওপর কড়া কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে।

ধর্মীয় উপাসনালয়, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সরকারি কার্যালয়ে যেকোনো ধরনের নির্বাচনী প্রচারণা চালানো নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এ ছাড়া ধর্মের অপব্যবহার, পেশিশক্তির প্রয়োগ কিংবা প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর বিরুদ্ধে কুৎসা রটনা ও ব্যক্তিগত চরিত্রহননমূলক অপপ্রচার পুরোপুরি বন্ধ থাকবে।

সরকারি সুযোগ-সুবিধা ব্যবহার করে কোনো প্রার্থী নির্বাচনী প্রচারণা চালাতে পারবেন না। সরকারি যানবাহন, মাইক বা অন্য কোনো সরকারি সম্পত্তি প্রচার কাজে ব্যবহার করা নিষিদ্ধ। পাশাপাশি সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী ও গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিবর্গের নির্বাচনি প্রচারণায় অংশ নেওয়ার ওপরও কড়াকড়ি থাকছে।

নির্বাচনের দিন ভোটারদের আনা-নেওয়ার জন্য কোনো ধরনের যানবাহন ভাড়া বা ব্যবহার করা যাবে না। প্রচারণায় নির্ধারিত সীমার বাইরে নির্বাচনী ক্যাম্প স্থাপন ও মাইক ব্যবহারের ক্ষেত্রেও বিধিমালার সুনির্দিষ্ট নিয়ম মানতে হবে।

নতুন বিধিমালায় নির্বাচন কমিশনের (ইসি) ক্ষমতা আরো বাড়ানো হয়েছে। কোনো প্রার্থী বা তার নির্বাচনি এজেন্ট আচরণবিধি লঙ্ঘন করেছেন কিংবা লঙ্ঘনের চেষ্টা করছেন বলে মনে হলে ইসি বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা নিতে পারবে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে এবং অপরাধ গুরুতর হলে সংশ্লিষ্ট প্রার্থীর প্রার্থিতা বাতিলেরও সুযোগ রয়েছে।

তাছাড়াও নির্ধারিত ব্যয়সীমা লঙ্ঘন, অর্থ কিংবা পেশিশক্তির মাধ্যমে ভোটারদের প্রভাবিতকরণ এবং সরকারি সম্পদের অপব্যবহারপূর্বক প্রচারণা পরিচালনাকে নতুন বিধিমালায় দণ্ডনীয় অপরাধ হিসেবে বিবেচনা করা হবে।

নির্বাচন কমিশনের এই নতুন বিধিমালার মূল উদ্দেশ্য হলো উপজেলা পরিষদ নির্বাচনকে আরো অবাধ, সুষ্ঠু ও প্রতিযোগিতামূলক করা এবং সব প্রার্থীর জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করা। বিশেষ করে পোস্টার, মিছিল ও শোডাউন বন্ধ রাখা এবং ডিজিটাল মাধ্যমে এআইনির্ভর অপপ্রচার ঠেকানোর মতো বিধানগুলো এবারের নির্বাচনে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনবে বলে মনে করা হচ্ছে।

জাতীয় এর আরও খবর

img

আমার অনুপস্থিতিতে আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ সেলিম: দ্য ওয়ালকে শেখ হাসিনা

প্রকাশিত :  ০৭:১৪, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, তার অনুপস্থিতিতে আওয়ামী লীগের সভাপতির দায়িত্ব পালন করবেন শেখ ফজলুল করিম সেলিম। ভারতের সংবাদমাধ্যম দ্য ওয়ালকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, বর্তমানে শেখ সেলিম দলের সিনিয়র মোস্ট প্রেসিডিয়াম সদস্য। তাই তার অনুপস্থিতিতে সভাপতির দায়িত্ব তিনিই পালন করবেন।

ছোট বোন শেখ রেহানা সম্পর্কে শেখ হাসিনা বলেন, ‘রেহানা সরাসরি রাজনীতিতে যুক্ত নয়।’

দ্য ওয়ালের এক্সিকিউটিভ এডিটর অমল সরকারের সঙ্গে দীর্ঘ কথোপকথনে দেশে ফেরা, ব্যক্তিগত নিরাপত্তা, বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি, ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক এবং আওয়ামী লীগের ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব নিয়ে কথা বলেন শেখ হাসিনা।

সাক্ষাৎকারে শেখ হাসিনা ডিসেম্বরে দেশে ফেরার সিদ্ধান্তের কথা পুনর্ব্যক্ত করেন। তবে দেশে ফিরলে বিমানবন্দরেই তাকে হত্যার আশঙ্কা রয়েছে বলেও উদ্বেগ প্রকাশ করেন তিনি।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘প্রত্যেকের জীবনের ঝুঁকি আছে। আমি দেশে ফেরার জন্য নির্দেশনা দিয়ে কাউকে বিপদে ফেলতে চাই না।’

তিনি জানান, দেশে ফেরার বিষয়ে তিনি প্রস্তুতি নিচ্ছেন এবং তৃণমূলের নেতা-কর্মী ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন।

বাংলাদেশে জঙ্গিবাদী শক্তির উত্থান ঘটছে বলে দাবি করেন শেখ হাসিনা। এর প্রভাব শুধু বাংলাদেশের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি

শেখ হাসিনা বলেন, ‘বাংলাদেশে জঙ্গিবাদীদের উত্থানের খেসারত ভারতকেও দিতে হবে।’

তার বক্তব্য, বাংলাদেশের অস্থিরতা এবং মৌলবাদী শক্তির বিস্তার ভারতের নিরাপত্তা ও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার ওপরও প্রভাব ফেলতে পারে। এ কারণে দুই দেশের মধ্যে পারস্পরিক বোঝাপড়া ও আঞ্চলিক সহযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ বলেও তিনি মনে করেন।

বাংলাদেশের নির্বাচনকে ভারতের সমর্থন এবং তারেক রহমানের দেশে ফেরার প্রসঙ্গেও নয়াদিল্লির অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন তোলেন শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, ‘ভারত সরকার কী ভেবে বাংলাদেশের নির্বাচন সমর্থন করল, তারেককে ফিরিয়ে আনল—সেটা ভারত সরকারই ভালো বলতে পারবে।’

বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে ভারতের ভূমিকা নিয়েও কথা বলেন শেখ হাসিনা। তার মতে, কোনো সামরিক জোটের পরিবর্তে আঞ্চলিক সহযোগিতা ও পারস্পরিক স্বার্থের ভিত্তিতে দুই দেশের সম্পর্ক গড়ে তোলা প্রয়োজন।

এ সময় তারেক রহমানের সমালোচনা করে শেখ হাসিনা বলেন, তিনি বিদেশে অবস্থান করে রাজনীতি করেছেন। তার ভাষায়, ‘আমি তো বাধা দিইনি। আমি দিল্লি থেকে কথা বললেই দোষ?’

তারেক রহমানের ভারত সফর নিয়ে দর-কষাকষি বাংলাদেশের জন্য সম্মানজনক নয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলার সময় আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন শেখ হাসিনা। দেশের পরিস্থিতি তাকে কতটা ব্যথিত করছে, তা বোঝাতে তিনি বলেন, ‘আমার তো হৃদয়ে রক্তক্ষরণ হয়, যখন দেখছি আমার দেশ ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে।’

দেশে ফেরার ইচ্ছার কথা জানালেও নিরাপত্তা পরিস্থিতি এবং তার প্রত্যাবর্তনকে কেন্দ্র করে অন্য কারও জীবন যাতে ঝুঁকিতে না পড়ে, সেই আশঙ্কার কথাও তুলে ধরেন তিনি।

দেশে ফেরার জন্য সরকার ট্রাভেল ডকুমেন্ট না দিলে কীভাবে ফিরবেন—এমন প্রশ্নের জবাবে শেখ হাসিনা বলেন, ‘দেশটা আমার। আমার বাবা এদেশ স্বাধীন করেছে। আমরা এই দেশেই ছোটবেলা থেকে মানুষ হয়েছি। আর রাজনীতিতো স্কুল জীবন থেকেই আমি শুরু করেছি। সেখানে আমার দেশে কেন আমাকে ফিরতে দেবে না, সেটাই আমার প্রশ্ন।’

তিনি আরও বলেন, বিএনপি সরকার ভারত সরকারের কাছে তাঁকে ফেরত দেওয়ার কথা বলছে। তার বক্তব্য, ‘যখন ফেরত দেওয়ার কথা বলছে তখন ফেরত কেন, আমি নিজেই যাব।’

দেশে ফেরার অনুমতি না দিলে অন্য কোনোভাবে প্রবেশ করবেন কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে শেখ হাসিনা বলেন, ‘সেটা অবস্থা বুঝে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

বর্তমান পরিস্থিতিকে অনুকূল নয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, দেশে মানুষ নির্যাতিত হচ্ছে। এ সময় অন্তর্বর্তী সরকারেরও সমালোচনা করেন তিনি এবং বর্তমান পরিস্থিতিকে ‘মেটিকুলাস ডিজাইন’ বলে মন্তব্য করেন। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির কথাও তুলে ধরেন তিনি।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমি দেশের মানুষের কাছে যাব। কারণ, মানুষ এখন কষ্ট পাচ্ছে। তাদের পাশে আমাকে দাঁড়াতে হবে। তাতে যদি আমার জীবনও যায় যাবে। কিন্তু আমি মানুষের পাশে দাঁড়াতে চাই।’

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট গণভবন থেকে ভারতে যাওয়ার প্রসঙ্গও তুলে ধরেন শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, দেশ ছেড়ে আসার ইচ্ছা তাঁর ছিল না এবং কী ঘটতে যাচ্ছে, তা-ও তিনি আগে জানতেন না।

তার ভাষ্য, একটি পরিস্থিতিতে তাঁকে দেশ ছাড়তে হয়। এমনকি হেলিকপ্টারে করে সীমান্ত পার হওয়ার পর তাকে জানানো হয় যে তারা ভারতে যাচ্ছেন। এর আগে পর্যন্ত তিনি মনে করেছিলেন, তাঁকে তাঁর গ্রামের বাড়ি টুঙ্গিপাড়ায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমি তো মানুষের জীবনমানের উন্নয়নে কাজ করেছি। তাদের লাশ ফেলার মাধ্যমে আমাকে ক্ষমতায় থাকতে হবে কেন! এ অবস্থায় আমি বললাম আমার থাকার দরকার নেই। আমি চলে যাব।’

তিনি বলেন, ‘আমি যাব কোথায়? আমি বললাম যে, আমি যাব টুঙ্গিপাড়া গ্রামের বাড়িতে। যখন আমি এয়ারক্রাফটে তখন আমি জানলাম আমি এখানে (ভারত) চলে এসেছি।’

আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে বিপুলসংখ্যক মামলা দেওয়া হয়েছে বলেও দাবি করেন শেখ হাসিনা। তার দাবি, ‘আমার নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে ৬ লক্ষ মামলা দেওয়া হয়েছে।’

দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়েও অভিযোগ করেন তিনি। তার দাবি, ‘যত জঙ্গি, সন্ত্রাসী ছিল তাদেরকে তারা ছেড়ে দিয়েছে।’ ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর বিভিন্ন থানায় হামলা, অগ্নিসংযোগ এবং আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও পুলিশের সদস্যদের ওপর সহিংসতার কথাও উল্লেখ করেন তিনি।

এসব বক্তব্যের বিষয়ে সাক্ষাৎকারে শেখ হাসিনা তার নিজস্ব ব্যাখ্যা ও দাবি তুলে ধরেছেন।

ডিসেম্বরের আগেই দেশে ফেরার মতো পরিস্থিতি তৈরি হলে ফিরবেন কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে শেখ হাসিনা বলেন, ডিসেম্বর মাসটি তিনি ইচ্ছাকৃতভাবেই বেছে নিয়েছেন।

তিনি বলেন, ‘ডিসেম্বর মাসটা আমি বেছে নিয়েছি, আসলে এটা আমাদের বিজয়ের মাস।’

তৃণমূলের নেতা-কর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখার কথাও জানান তিনি। তার ভাষায়, ‘এখন আমি আমার তৃণমূলের মানুষদের সঙ্গে কথা বলছি। তাদেরকে কোপায়, মারে, অত্যাচার করে, নির্যাতন করে। এগুলি চলছে। তারপরও এই অবস্থায় মানুষ আমাদের সঙ্গে কথা বলে।’

তিনি বলেন, ‘আগে না, ডিসেম্বর মাসেই যাবো আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছি। সেভাবেই আমি প্রস্তুতি নিচ্ছি।’


জাতীয় এর আরও খবর