img

হাম উপসর্গে আরও ৫ শিশুর প্রাণহানি, মোট মৃত্যু ১০৮১

প্রকাশিত :  ১২:৫৩, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

হাম উপসর্গে আরও ৫ শিশুর প্রাণহানি, মোট মৃত্যু ১০৮১

সারাদেশে ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছরে নিশ্চিত হামে ১০১ জন এবং হামের উপসর্গ নিয়ে ৯৮০ জনের মৃত্যু হয়েছে। সব মিলিয়ে হামে ও এর উপসর্গ নিয়ে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৮১ জনে।

বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম-বিষয়ক নিয়মিত প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, বুধবার সকাল ৮টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে ঢাকা বিভাগেই ৩ জন করে মারা গেছেন। এ সময়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে হাম ও উপসর্গ নিয়ে নতুন করে ১ হাজার ২৮৩ জন রোগী এসেছে।

বিভাগভিত্তিক হিসাবে, গত ২৪ ঘণ্টায় ঢাকা বিভাগে ৫০৭ জন, রাজশাহীতে ২৮, সিলেটে ১৫৬, চট্টগ্রামে ২৮২, বরিশালে ১৩০, ময়মনসিংহে ৭২, খুলনায় ১০৩ এবং রংপুরে ৯ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছর ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে মোট ১ লাখ ৬৩ হাজার ১৫৩ জন রোগী ভর্তি হয়েছে। তাদের মধ্যে ১ লাখ ৫৬ হাজার ৭৪৪ জন চিকিৎসা নিয়ে হাসপাতাল ছেড়েছে।

গত ১৫ মার্চ থেকে দেশে সন্দেহজনক হামের রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৮৪ হাজার ৬৩২ জনে। এর মধ্যে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়েছেন ২০ হাজার ৯৫১  জন।

বাংলাদেশ এর আরও খবর

img

বারিধারায় গাড়িচাপায় নির্মাণশ্রমিকের মৃত্যু: ৯ লাখ টাকায় আপস রফা!

প্রকাশিত :  ১৩:০৭, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

রাজধানীর বারিধারায় ফুটপাতে বসে থাকা নির্মাণ শ্রমিক মেহেদী হাসান মীমকে (২৪) গাড়িচাপা দিয়ে হত্যার ঘটনায় আসামিপক্ষের সঙ্গে নিহতের পরিবারের ৯ লাখ টাকায় আপস হয়েছে। আপসনামায় বাদীপক্ষ সই করেছে এবং আসামি জামিনে মুক্তি পেলে বা খালাস পেলে তাদের কোনো আপত্তি নেই বলে জানিয়েছে।

আইনজীবী আলমগীর হোসেন বৃহস্পতিবার (২২ সেপ্টেম্বর) ঢাকার শিশু আদালতে সামনে সাংবাদিকদের বলেন, \"দাফন-কাফনবাবদ এক লাখ টাকা এবং নিহত নির্মাণ শ্রমিক মেহেদী হাসানের বৃদ্ধ বাবা-মায়ের ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে আট লাখ টাকা দেওয়া হয়েছে।”

মেহেদীর ভাই, মামলার বাদী মোক্তাদির ইসলাম আপসের বিষয় স্বীকার করলেও কত টাকায় আপস হয়েছে তা বলেননি।

গত মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৫টার দিকে রাজধানীর বারিধারা ডিপ্লোম্যাটিক জোনের ১ নম্বর সড়কের ফুটপাতে বসে বিশ্রাম নেওয়ার সময় দ্রুতগতির একটি প্রাইভেট কার নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে চাপা দেয় ২৪ বছর বয়সি মেহেদীকে।

পরে তাকে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

ঘটনাস্থলে উপস্থিত লোকজন গাড়িটির চালকের আসনে থাকা এক কিশোরকে আটক করে পুলিশে দেয়। তবে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে ওই রাতেই তাকে চাচার জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়।

মেহেদীর মৃত্যুর ঘটনায় তার ভাই মোক্তাদীর ইসলাম বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) গুলশান থানায় মামলা করেন। মামলায় গাড়ি চালক আকাশ মারককে আসামি করা হলেও চালকের আসনে থাকা ওই কিশোরের নাম ছিল না।

বিষয়টি নিয়ে সমালোচনার পর বুধবার ওই কিশোরকে (১৭) গ্রেপ্তার করে গুলশান থানা পুলিশ। বৃহস্পতিবার তাকে আদালতে হাজির কিশোর উন্নয়ন কেন্দ্রে আটক রাখার আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা গুলশান থানার এসআই আরেফীন ইসলাম।

ওই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার শিশু আদালত-৮ এর বিচারক মো. আব্দুল মোক্তাদির ১৭ বছরের ওই কিশোরকে গাজীপুরের টঙ্গী কিশোর উন্নয়ন কেন্দ্রে পাঠানোর আদেশ দেন।

শুনানির পর ওই কিশোরের আইনজীবী আলমগীর হোসেন সাংবাদিকদের আপসের কথা বললে সাংবাদিকরা পরে মামলার বাদীর সঙ্গে যোগাযোগ করেন।

সাংবাদিকদের প্রশ্নে মেহেদীর ভাই মোক্তাদির বলেন, \"মামলার বিষয়ে আপস হয়েছে। কত টাকায় আপস হয়েছে জানি না। আমার মামা জানেন।\'\'

আপসের বিষয়ে জানতে চাইলে এসআই আরেফীন ইসলাম বলেন, বিষয়টি তার জানা নেই।

তদন্তে এর প্রভাবে পড়বে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, \"না, আমরা আমাদের মত তদন্ত করে যাব।\"

বাংলাদেশ এর আরও খবর